3 Answers
সহিহ হাদিস নয়, সহিহ হাদিস গ্রন্থ ৬টি। যথাঃ ১. সহিহ বুখারি, ২. সহিহ মুসলিম, ৩. সুনানে নাসাই, ৪. সুনানে আবু দাউদ, ৫. জামি তিরমিযি এবং ৬. সুনানে ইবনে মাজাহ্।
সহিহ হাদিসের সংখ্যা অসংখ্য। এটির কোন নির্দিষ্ট সীমা পরিসীমা নেই। তেমনিভাবে সহিহ হাদিসের কিতাবও অসংখ্য। তবে এদের মাঝে কিছু কিতাবকে অধিকতর গ্রহণযোগ্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কিন্তু তার মানে এই নয় যে বাকিগুলো ভ্রান্ত। বরং সব হাদিসের কিতাবেই সহীহ হাদিস বিদ্যমান আছে। এর মাঝে উল্লেখযোগ্যঃ-
- সহীহ মুয়াত্তা।
- বুখারি।
- মুসলিম।
- তিরমিযি।
- আবু দাউদ।
- ইবনে মাজাহ।
- নাসাঈ।
সহীহ হাদীসের কিতাব দুই খানা যাকে সিহাহসিত্তাহ বলা হয়, ১৷ সহীহ বুখারী শরীফ, ২৷ সহীহ মুসলিম শরীফ৷ অনেকে ৬ খানা কিতাবকে সিহাহ সিত্তাহ বলে জান, ১, বুখারী শরীফ৷ ২, মুসলিম শরীফ৷ ৩, আবু দাউদ, ৪, তিরমিযি, ৫, নাসাঈ, ৬, ইবনে মাজাহ, আসলে ৬ খানা কিতাব সিহাহ সিত্তাহ নয়, আরব ভু খন্ডে এই ৪ খানা কিতাব কে ১, আবু দাউদ, ২, তিরমিযি, ৩, নাসাঈ, ৪, ইবনে মাজাহ, সিহাহ সিত্তাহ বলা হয় না, কারন এই চারটি কিতাবে মোট ৩,০০০+ যইফ হাদীস আছে,,, এই চার খানা কিতাবে যে যঈফ হাদীস গুলো ছিলো হাদীস গুলো উল্লেখ করার সময় হাদীসটির নিচে মন্তব্য ছিলো যে, হাদীস টিকে অমুক ঈমাম বা আমার অস্তাদ যঈফ বলেছেন,,, কিন্তু জানা যায় এই কিতাব গুলো যখন উপমহাদেশে ছাপানো হয় তখন তা থেকে মন্তব্য গুলো তুলে দেওয়া হয়,,,, (আমি মুল কিতাবের কথা উল্লেখ করেছি)