2 Answers
একাদিক ব্যক্তির মিলিত চিতকার, গন্ডগোল, বিশৃঙ্খলা,বিঘ্ন,ব্যাঘাত,ঝামেলা,কলহবিবাদ সৃষ্টি করাকে Ragging (গোলমাল) বলা হয়।
3836 views
Answered
রেগিং অর্থ পরিচিত হওয়া, তিরস্কার
করা অথবা আবেগে কিছু করা
ইত্যাদি। আরও ভালো ভাবে
বললে, র্যাগিং শব্দের প্রচলিত অর্থ হচ্ছে ‘পরিচয় পর্ব’ অর্থাৎ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে
নতুন শিক্ষার্থীদের সাথে
পুরাতন শিক্ষার্থীদের একটা
সখ্যতা গড়ে তোলার জন্য যে
পরিচিতি প্রথা সেটাকে
র্যাগিং বলে অভিহিত করা
হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া একটা
সৌভাগ্যের বিষয়। বিশ্ব
টা যে কি? তা এখানে পড়ে
ভাল ভাবেই বোঝা যায়।
Ragging শব্দটি
বিশ্ববিদ্যালয়ে স্টুডেন্ট
দের সাথে বিশেষভাবে
জড়িত। বাংলাদেশে প্রায়
প্রতিটা পাবলিক ভার্সিটিতে এবং মেডিকেলে Ragging এর প্রচলন রয়েছে। এছাড়াও কিছু প্রাইভেট ভার্সিটিতেও
রেগ দেখা যায়। রেগিং
সম্পর্কে অনেকেরই খারাপ
ধারণা থাকে। আবার কেউ
কেউ বিষয়টাকে পজিটিভ
ভাবেন। আজকাল রেগিং
বিশ্ববিদ্যালয়ের একটা
অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে
দাড়িয়েছে।
যারা রেগ দেয়: বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়ররা সাধারণত তাদের জুনিয়রদের রেগ দেয়। ব্যাচের পুরো স্টুডেন্টরা সাধারণত রেগ দেয় না, দেয় শুধুমাত্র কিছু নির্ধারিত সিনিয়র। যারা ভার্সিটিতে ১ম ভর্তি হয় তারাই সবচেয়ে রেগিং এর শিকার হয়। ভার্সিটির সিনিয়ররা নিয়মানুযায়ী তাদের জুনিয়রদের রেগ দেয়। ছেলে জুনিয়ররা বেশী রেগ খায়, মেয়ে জুনিয়রদের সাধারণত কম রেগ দেয়া হয়। সাধারণত নিজ নিজ বিভাগ এর ক্ষেত্রে রেগ এর প্রচলন বেশীই হয়ে থাকে। রেগিং এর ধরন: রেগিং এর বিভিন্ন ধরন রয়েছে। যেমন- পরিচয় দেওয়া, গান গাওয়া, নাচা, কবিতা আবৃতি ইত্যাদি। রোদ্রে ক্যাম্পাসে দৌড়ানো, বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গি প্রদর্শন রয়েছে। এছাড়া সিনিয়র আপুদের প্রপোজসহ বিভিন্ন শারীরিক ও মানসিক ভাবে নির্যাতন হয়ে থাকে। রেগ সাধারণত একক কিংবা যৌথভাবে ঘটানো হয়ে থাকে। রেগ শেষে সব জুনিয়রকে সিনিয়ররা মিষ্টান্ন দিয়ে আপ্যায়ন করে থাকে।
রেগিং এর কারণ: ভার্সিটিতে একটা স্টুডেন্ট প্রথম ভর্তি হয়ে স্বাভাবিকভাবে অনেক কিছুই অজানা থাকে। তারা বাবা মাকে ছেড়ে এক নতুন পরিবেশে চলে আসে। এখানে কিভাবে চলতে হয়? থাকতে হয়? তা একমাত্র সিনিয়র ভাই/আপু রাই নির্দেশনা দিয়ে থাকেন। সিনিয়র, টিচার এদের সাথে ভদ্রতা বজায় রাখার নিয়মাবলী সিনিয়ররা শিখিয়ে থাকেন। আর সিনিয়ররা কোন জুনিয়র এর বেয়াদবি বরদাশত করেননা। এজন্য তারা Ragging এর কৌশল অবলম্বন করে থাকে। রেগ এর মূল বিষয় হচ্ছে ‘সিনিয়রদের সাথে ভালো বোঝাপড়া করা’। আর ভার্সিটিতে জুনিয়রদের রীতিনীতি শিখানোর জন্য আর হয়ত কোন পদ্ধতি আবিস্কার হয়নি, তাই rag এর প্রচলন চলে এসেছে।
যারা রেগ দেয়: বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়ররা সাধারণত তাদের জুনিয়রদের রেগ দেয়। ব্যাচের পুরো স্টুডেন্টরা সাধারণত রেগ দেয় না, দেয় শুধুমাত্র কিছু নির্ধারিত সিনিয়র। যারা ভার্সিটিতে ১ম ভর্তি হয় তারাই সবচেয়ে রেগিং এর শিকার হয়। ভার্সিটির সিনিয়ররা নিয়মানুযায়ী তাদের জুনিয়রদের রেগ দেয়। ছেলে জুনিয়ররা বেশী রেগ খায়, মেয়ে জুনিয়রদের সাধারণত কম রেগ দেয়া হয়। সাধারণত নিজ নিজ বিভাগ এর ক্ষেত্রে রেগ এর প্রচলন বেশীই হয়ে থাকে। রেগিং এর ধরন: রেগিং এর বিভিন্ন ধরন রয়েছে। যেমন- পরিচয় দেওয়া, গান গাওয়া, নাচা, কবিতা আবৃতি ইত্যাদি। রোদ্রে ক্যাম্পাসে দৌড়ানো, বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গি প্রদর্শন রয়েছে। এছাড়া সিনিয়র আপুদের প্রপোজসহ বিভিন্ন শারীরিক ও মানসিক ভাবে নির্যাতন হয়ে থাকে। রেগ সাধারণত একক কিংবা যৌথভাবে ঘটানো হয়ে থাকে। রেগ শেষে সব জুনিয়রকে সিনিয়ররা মিষ্টান্ন দিয়ে আপ্যায়ন করে থাকে।
রেগিং এর কারণ: ভার্সিটিতে একটা স্টুডেন্ট প্রথম ভর্তি হয়ে স্বাভাবিকভাবে অনেক কিছুই অজানা থাকে। তারা বাবা মাকে ছেড়ে এক নতুন পরিবেশে চলে আসে। এখানে কিভাবে চলতে হয়? থাকতে হয়? তা একমাত্র সিনিয়র ভাই/আপু রাই নির্দেশনা দিয়ে থাকেন। সিনিয়র, টিচার এদের সাথে ভদ্রতা বজায় রাখার নিয়মাবলী সিনিয়ররা শিখিয়ে থাকেন। আর সিনিয়ররা কোন জুনিয়র এর বেয়াদবি বরদাশত করেননা। এজন্য তারা Ragging এর কৌশল অবলম্বন করে থাকে। রেগ এর মূল বিষয় হচ্ছে ‘সিনিয়রদের সাথে ভালো বোঝাপড়া করা’। আর ভার্সিটিতে জুনিয়রদের রীতিনীতি শিখানোর জন্য আর হয়ত কোন পদ্ধতি আবিস্কার হয়নি, তাই rag এর প্রচলন চলে এসেছে।
3836 views
Answered
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy