1 Answers

এই রোগ ছড়ায় ভ্যারিসেলা জোস্টার নামক জীবাণুর মাধ্যমে। ছোঁয়াচে এই রোগ সাধারণত শিশুদের মধ্যেই বেশি দেখা যায়। তবে প্রাপ্ত বয়স্করাও এই রোগে আক্রান্ত হতে পারে। প্রাপ্ত বয়স্ক যারা এই রোগে আক্রান্ত হন তাদের কষ্টটাই সবচেয়ে বেশি। জ্বর, মাথা ব্যাথ, সারা শরীরে র‍্যাশ এসব তো আছেই, সেই সাথে থেকে যায় দীর্ঘদিন চেহারায় এই রোগের রেখে যাওয়া দাগ বহন করার ভয়টাও। 


সংক্রমনঃ 
  1.  আক্রান্ত ব্যক্তির পক্স হতে নির্গত রস বা খোসা 
  2. আক্রান্ত ব্যক্তির হাচি-কাশি 
  3.  আক্রান্ত ব্যক্তির সঙ্গে একই বাথটাব/সুইমিংপুল এ গোসল করলে। 

যা করা লাগবে- 
  • হালকা গরম পানিতে গোসল করুন। 
  • সাবান পানি দিয়ে পক্স ধুতে পারবেন। 
  • গোসল শেষে বেশী চেপে মুছতে যাবেন না। বাতাসে শুকিয়ে নিন। 
  • চুলকানি কমাতে বেবি ওয়েল, ওলিভ অয়েল বা calamine lotion ব্যবহার করতে পারেন। 
  • চুলকালে নখ লাগাবেন না। নিম গাছের পাতা দিয়ে আলতো করে চুলকানো দেশীয় মেডিসিনের একটা অংগ।

চিকেন পক্সের টিকা আছে, বাচ্চারাদের কে প্রথম ডোজটি ১২-১৮ মাসের মধ্যে দিন। দ্বীতিয় ডোজটি ৪-৬ বছরে দিতে হয়। কারো যদি তীকা দেওয়া না থাকে এবং চিকেন পক্স হয়য়। লক্ষন প্রকাশের ৩ দিনের মধ্যে টীকা দিয়ে দিতে পারেন, রোগের প্রকোপ কমে যাবে। কারো একবার চিকেন পক্স হয়ে গেলে আর টীকার প্রয়োজন নেই। কারণ শরীরে তখন এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে অনেক এন্টিবডি তৈরী হয়ে যায় যা ভবিষ্যতে ব্যবহারের জন্য শরীরে জমা থাকে।

2863 views

Related Questions