2 Answers
মোবাইল থেকে কোরআন মাজীদ ও হাদিস শরিফ পড়া যাবে। কোরআন তিলাওয়াত সর্বোত্তম নফল এবাদত। তিলাওয়াতের প্রতিটি বর্ণের জন্য হাদিসে ১০টি করে নেকী ঘোষনা করা হয়েছে। রাসূলাল্লাহ সাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম) অনেক হাদিসে কোরআন পাঠ করতে নির্দেশ দিয়েছেন। যেমন তিনি সাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমরা কোরআন মাজীদ পাঠ কর। কেননা কিয়ামতের দিন কুরআন তার পাঠকের জন্য সুপারিশকারী হিসেবে আগমন করবে। (মুসলিমঃ ৮০৪, আহমাদঃ ২১৬৪২) তবে মোবাইলে সফটওয়্যারের মাধ্যমে কোরআন মাজিদ ওজু ছাড়া পড়া যাবে কি যাবে না এই বিষয়টি নিয়ে মতভেদ রয়েছে কারো মতে, যে বস্তুতে কোরআন মাজীদ স্থায়ীভাবে লেখা থাকে তা ওজু ছাড়া স্পর্শ করা জায়েজ নয়। যেমন কাগজে লেখা কোরআন মাজিদ। কিন্তু মোবাইলের স্ক্রিনে দৃশ্যমান কোরআন মাজিদ স্থায়ী নয়। কিছু আলোকরশ্মির মাধ্যমে তা দৃশ্যমান হয়। সুতরাং তা ওজু ছাড়া স্পর্শ করা যাবে। সমকালীন বিখ্যাত ফকীহ শাইখ আব্দুর রহমান ইবনে নাসের, শাইখ সালেহ ফাওযান প্রমুখ এমনই ফতোয়া দিয়েছেন। (আলইসলাম, সুওয়াল-জওয়াব,ফতোয়াঃ ১০৬৯৬৬১) এছাড়া এর ওপরে গ্লাসের আবরণও থাকে। এ কারণেও কেউ কেউ বলেন তা ওজু ছাড়া স্পর্শ করা যায়। অপরদিকে কিছু গবেষক আলেমের মতে, কোরআন মাজীদের যথাযথ মর্যাদা রক্ষার্থে মোবাইলের স্ক্রিনে দৃশ্যমান অংশও বিনা ওজুতে স্পর্শ করা যাবে না। সারকথা, বিষয়টি যেহেতু মতভেদপূর্ণ। তাই স্ক্রিনে দৃশ্যমান কোরআনের আয়াত বিনা ওজুতে স্পর্শ না করাই শ্রেয়।
আপনি পড়তে পারেন। এতে অপবিএতার ভয় নাই। কেননা, একজন মাদ্রাসার ছাএর মোবাইলে কোরান শরিফ ছিল। সে বাথরুমে যাওয়ার সময় আরেকজন কোরানের হাফিজ বলল তোমার মোবাইল টা রেখে যাও। মাদ্রাসার বড় হুজুর এ কথা জানতে পেরে বলেছিলেন ঃ তাহলে তোমার অন্তরের মধ্যে যে ৩০ পারা কোরান আছে, টয়লেটে যাওয়ার আগে তা বের করে রেখে যাও এখন ভেবে দেখুন যুক্তি টা সঠিক কি না!!!!