দয়া করে সংজ্ঞা প্রদান করুন
3411 views

2 Answers

  • যে নারী ভালো গুণগুলো আয়ত্ব করে এবং খারাপ গুণগুলো বর্জন করে, তাকে আদর্শ নারী বলে।
  • যে নারীর মধ‍্যে খারাপ গুনগুলোর পরিবর্তে ভালো গুণগুলো বিদ‍্যমান রয়েছে, তাকে আদর্শ নারী বলে।
  • যে নারীর মধ্যে পশুত্ব নেই, মনুষ্যত্ব বিদ‍্যমান রয়েছে, তাকে আদর্শ নারী বলে।
  • যে নারী সুন্দর চরিত্রের অধিকারী, তাকে আদর্শ নারী বলে।
  • যে নারী পর্দাশীল, পরহেজগার, আল্লাহওয়ালা, ধার্মিক, তাকে আদর্শ নারী বলে।
  • যে সৎ বা সতী নারী অন‍্য নারীদের জন‍্য অনুকরণীয় বা অনুকরণ যোগ‍্য, তাকে আদর্শ নারী বলে। ধন্যবাদ।
3411 views

একজন আদর্শ নারীর অন্তত ৬ টি গুন থাকা দরকার (১) আল্লাহর হুকুম ও আইন-বিধান পালন কারী। আদর্শবান নারী আল্লাহর আদেশ নিষেধ পালনের জন্য সদা প্রস্তুত থাকে। (২) মুমিন হওয়া।

এদের বিশেষত্ব হল নিজের চরিত্র, অভ্যাস, আচার আচারনে ও ব্যাবহারে আল্লাহর দ্বীন অনুসরন করা। (৩) নিজ স্বামীর অনুগত। (৪) এমন স্ত্রী যে তার অপরাধের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা চায়। যার মাঝে কোন অহংকার, গৌরব, অহমিকা থাকে না। যে নম্র ও ভদ্র প্রক্রিতির হয়। (৫) এমন স্ত্রী ইবাদত করার কারনে আল্লাহর নির্ধারিত সীমাসমুহ পুরাপুরি রক্ষা করে চলে। কখনো আল্লাহর ইবাদত করার থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয় না এমনটা তার কাছ থেকে আশা করা যায়। (৬) ছিয়াম পালনে অভ্যস্থ স্ত্রী। এই সকল গুনের অধিকারী নারী হল আদর্শবান নারী। এই সকল আদর্শবান নারী হতে পারে সুখের সংসারের সুখের মূল চাবি।


আনাস (রাঃ) বলেন, রাসূল (সঃ) বলেছেন, “স্ত্রীলোক যখন তার প্রতি নির্ধারিত পাঁচ ওয়াক্ত ছালাত আদায় করে, রামাযান মাসের ছিয়াম পালন করে, নিজের লজ্জাস্থানের হেফাযত করে ও স্বামীর অনুগত থাকে, তখন সে জান্নাতের যে কোন দরজা দিয়ে ইচ্ছা মত প্রবেশ করতে পারবে” (আবু নু’আইম, মিসকাত হা/৩২৫৪, বাংলা মিসকাত হা/৩১১৫) এই হাদীছে আদর্শ নারীর চারটি গুনের কথা বলা হয়েছে। যে নারী পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পরবে, রামাজাতের রোজা রাখবে, স্বামীর অনুগত এবং নিজের লজ্জাস্থানের হেফাযত করবে সে আদর্শ নারী।



3411 views