1 Answers
বিয়ের ক্ষেত্রে ছেলে হওক বা মেয়ে,ইসলাম বলে সর্বপ্রথম তোমরা পাত্র/পাত্রীর দ্বীনদারিতাকে প্রধান্য দাও৷এমনকি বিয়ের জন্য যদি কোন দ্বীনদার পুরুষ মিলে তবে অন্যসব বিষয়ের দিকে না থাকালেও চলে -হাদিস শরীফে এসেছে -সাহ্ল (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ
একজন মহিলা এসে রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) - এর কাছে নিজেকে পেশ করলেন। এক ব্যক্তি বলল, হে আল্লাহর রসূল! তাকে আমার সঙ্গে বিয়ে বন্ধনে আবদ্ধ করিয়ে দিন। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমার কাছে কি আছে? সে উত্তর দিল, আমার কাছে কিছুই নেই। রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, যাও, তালাশ কর, কোন কিছু পাও কিনা? দেখ যদি একটি লোহার আংটিও পাও। লোকটি চলে গেল এবং ফিরে এসে বলল, কিছুই পেলাম না এমনকি একটি লোহার আংটিও না; কিন্তু আমার এ তহবন্দখানা আছে। এর অর্ধেকাংশ তার জন্য। সাহ্ল (রাঃ) বলেন, তার দেহে কোন চাদর ছিল না। অতএব নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমার তহবন্দ দিয়ে সে কি করবে? যদি তুমি এটা পর, মহিলার শরীরে কিছুই থাকবে না, আর যদি এটা সে পরে তবে তোমার শরীরে কিছুই থাকবে না। এরপর লোকটি অনেকক্ষণ বসে রইল। এরপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে চলে যেতে দেখে ডাকলেন বা তাকে ডাকানো হল এবং বললেন, তুমি কুরআন কতটুকু জান? সে বলল, আমার অমুক অমুক সূরা মূখস্থ আছে এবং সে সূরাগুলোর উল্লেখ করল। তখন নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তুমি যে পরিমাণ কুরআন জান, তার বিনিময়ে তোমাকে এর সঙ্গে বিয়ে দিলাম। (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৭৪৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৭৪৬)
এ হাদিস থেকে এবিষয়ের প্রতি ইশারা করে যে,(নারী) তোমরা বিয়ের ক্ষেত্রে ছেলের দ্বীনদারিতাকে প্রধান্য দাও,যদিও তার কাছে ধনসম্পদ না থাকে৷কিন্তু মোহরনা দেওয়ার উপযুক্তও হওয়া চাই৷বর্তমান এটা দেখা খুবই জরুরি৷
তবে উত্তম হলো-সমপর্যায়ের পাত্র নির্বাচন করা৷ধনসম্পদে আপনি যে পর্যায়ের, পাত্রও আপনি তেমন নির্বাচন করুন৷
তবে আর যায় হওক,দ্বীনদারিতার মধ্যে ছাড় দিবেন না৷
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy