৪ সাপ্তাহিক জুমার নামাজের না গেলে?
4 Answers
জুমার নামাজ আদায় করা ওয়াজিব। এটি আদায় না করলে, গুনাহ হয়। তবে, ওয়াজিব অস্বীকারকারীকে কাফির বলা যায় না। জুমার নামাজের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলোঃ প্রতিদিনের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ। তবে, প্রতি জুমার নামাজ পড়া উচিত। নাহলে, আপনি গুনাহগার হবেন।
রাসূল (সা.) ইরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি পরপর তিনটি জুমা বিনা ওজরে ও ইচ্ছা করে ছেড়ে দেবে, আল্লাহ তাআলা ঐ ব্যক্তির অন্তরে মোহর মেরে দেবেন। (তিরমিযী,আবু দাউদ, নাসাঈ, ইবনে মাজাহ)। অপর এক হাদীসে রাসূল (সা.) বলেছেন, জুমা ত্যাগকারী লোকেরা হয় নিজেদের এই খারাপ কাজ হতে বিরত থাকুক। (অর্থাৎ জুমার নামাজ আদায় করুক), নতুবা আল্লাহ তাআলা তাদের এই গোনাহের শাস্তিতে তাদের অন্তরের ওপর মোহর করে দেবেন। পরে তারা আত্মভোলা হয়ে যাবে। অতপর সংশোধন লাভের সুযোগ থেকেও বঞ্চিত হয়ে যাবে। (মুসলিম)। হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল (সা.) ইরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি পর পর তিনটি জুমা পরিত্যাগ করবে, সে ইসলামকে পিছনের দিকে নিক্ষেপ করল। (মুসলিম)। সুতরাং জুমার নামাজ ত্যাগ করা মারাত্মক গোনাহ।
ইসলাম ধর্মের নিয়ম অনুযায়ী টানা তিন জুমার নামাজ না পড়লে সেই ব্যক্তি কাফের হয়ে যায়।আপনাকে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে হবে এবং পাচ ওয়াত্ত নামাজ পড়তে হবে।
জুম'আর সালাত পরিত্যাগ করা মহা অন্যায় ।
কোন কারণ ছাড়াই কেউ যদি জুম'আর সালাত ত্যাগ করে, তবে তাকে মুনাফিকদের তালিকাভুক্ত করা হয় [১] ।
অলসতা করে পর পর তিন জুম'আ পরিত্যাগ করলে আল্লাহ তার অন্তরে মোহর মেরে দেন [২] ।
তাই ছুটে গেলে খালেছ অন্তরে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে হবে এবং তওবা করতে হবে ।
[১] সহীহ তারগীব হা/৭২৯ ।
[২] আবু দাউদ হা/১৯৫২ ; মিশকাত হা/১৩৭১ , সনদ সহীহ ।