2 Answers
অতঃপর আল্লাহ্ তাআলা বললেনঃ তোমার ডান হাতে ওটা কি? মূসা (আঃ) বললেনঃ এটা আমার লাঠি। আমি এর উপর ভর দেই। এর দ্বারা আঘাত করে আমার ছাগপালের জন্যে বৃক্ষপত্র ঝেড়ে ফেলি এবং এর দ্বারা আমার অন্যান্য কাজও উদ্ধার হয়। আল্লাহ্ তাআলা বললেনঃ একে মাটিতে নিক্ষেপ কর। মূসা (আঃ) আল্লাহ্ তাআলা নির্দেশে তা মাটিতে নিক্ষেপ করার পর তা সাপে পরিনত হলো এবং নড়াচড়া করতে লাগলো। এই সাপ সম্পর্কে কোরআন পাকের এক জায়গায় ছোট ও সরু সাপ বলা হয়েছে। অন্য জায়গায় একে অজগর ও বৃহৎ মোটা সাপ বলা হয়েছে। সম্ভবতঃ এটি যেখানে যে রূপ আকৃতি ধারণের প্রয়োজন হতো সে রূপ ধারণের আকৃতি ধারণ করতে সক্ষম ছিল। ইমাম কুরতুবীর বর্ণনা অনুযায়ী এটি চিকন সাপের ন্যায় দ্রুতগতি সম্পন্ন ছিল বলে 'জান্নুন' বলা হতো। লোকেরা দেখে ভীষণভাবে ভীত হতো বলে 'ছওবানুন' বলা হতো। অতঃপর আল্লাহ্ তাআলা বললেনঃ এখন তোমার লাঠিটি হতে নেয়, ভয় করনো না। আমি একে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে দেব। হযরত মূসা (আঃ) দেওয়া আল্লাহ্ তাআলার দ্বিতীয় মু'জেযা হল তার উজ্জ্বল হাত। ইবনে-আব্বাস থেকে বর্ণিত আছে আল্লাহ্ তাআলা বললেনঃ তোমার হাত বগলের নীচ রেখে যখন বের করবে, তখন তা সূর্যের ন্যায় ঝলমল করতে থাকবে। [৭] স্বীয় রসূলকে দু'টি বিরাট মু'জেযার অস্ত্র দ্বারা সুসজ্জিত করার পর আদেশ করা হয়েছে যে, এখন উদ্ধত ফেরাউনকে ঈমানের দাওয়াত দেয়ার জন্যে চলে যাও।
হজরত মূসা আলাইহিস সালাম এর লাঠির মুজেযা ছিলো - তিনি হাতের লাঠি ছেড়ে দিলে তা জীবন্ত অজগরে পরিণত হতো। তিনি হাত দিয়ে ধরলে তা আবার লাঠিতে পরিণত হতো। এছাড়াও বগলের নীচ থেকে হাত বের করলে তা থেকে উজ্জ্বল আলোর বিচ্ছুরণ ঘটতো।