4 Answers

মুসলমানের নামের প্রথম পূং জাতীয় শুরুতে বৌবহার হয়, তা ছাড়া হযরত মুহাম্মদ সাঃ সকল মানবের নেতা বিশেষ করে মুসলমানদের ইমাম নেতা তার সরনেও মুসলমান পুরুসের সুরুতে মোহাম্মা দ নাম ব্যবহার হয়, এ ছাড়াও সকল প্রশংসা একমাত্র অাল্লার জন্য তাই মুসলমান সর্বাস্হায় অাল্লার প্রসংসা সুরুতে রেখেই সব কাজ সুরু করে, তাই মোহাম্মদ নামের সুরু তে থাকে কারন মুহাম্মদ নামের অর্থ প্রসংসা করা মুসলমানদের উপাধি ও শুরুর এক নিদর্সন যা একটি চিহ্ন, ভারত বর্সের অধিকাংস মুসলমানের নামের সুরুতে মুহাম্মদ নাম ব্যবহার করা হয় কিন্তু অারব দেশগুরাতে তেমন সুরু বৌবহার দেখা যায় না,অনেকাংসই কম দেখা যায়,

4291 views

বৃটিশ ভারতে হিন্দুরা যখন ঢালাওভাবে হিন্দু-মুসলমান সবার নামের আগে শ্রী, শ্রীযুক্ত (যা তাদের নিকট সম্মান সূচক শব্দ) ইত্যাদি ব্যবহার করতে শুরু করে এবং রাষ্ট্রীয় নথিপত্রে ঐ শব্দগুলি যখন হিন্দুদের পাশাপাশি মুসলমানদের নামের শুরুতে বসানো ব্যাপকতা লাভ করতে থাকে, তখন মুসলমানগণ নিজেদের স্বাতন্ত্র্য বজায় রাখার নিমিত্তে তাদের নামের শুরুতে পুরুষদের নামের আগে শ্রী প্রভৃতির পরিবর্তে ‘মুহাম্মাদ’ ও মহিলাদের নামের আগে শ্রীমতী-এর পরিবর্তে ‘মুসাম্মাৎ’ চালু করেন।

‘মুহাম্মাদ’ বসিয়ে নিজেকে নবী মুহাম্মাদ (ছাঃ)-এর অনুসারী মুসলিম পরিচয় দেওয়া হয়। আর মুসাম্মাৎ-এর অর্থ হ’ল ‘নাম রাখা হয়েছে’। এই আরবী শব্দটিও মহিলার মুসলিম  হওয়ার সংকেত বহন করে।


অতএব আহমাদ ও আবুদাউদে বর্ণিত হাদীছ ‘যে ব্যক্তি যে কওমের সদৃশ হবে, সে ব্যক্তি সেই কওমের অন্তর্ভুক্ত গন্য হবে’ (মিশকাত, ‘পোষাক’ অধ্যায়, হা/৪৩৪৭, সনদ হাসান) এবং বুখারী ও অন্যান্য বর্ণিত হাদীছ ‘মুশরিকদরে বিপরীত কর’ অন্য বর্ণনায় ‘আহলে কিতাব ইহুদী-নাছারাদের বিপরীত কর’ (বুখারী ‘পোষাক’ ও ‘আম্বিয়া’ অধ্যায়; মুসলিম, ‘পবিত্রতা’ ও ‘পোষাক’ অধ্যায়; নাসাঈ ‘সৌন্দর্য’ অধ্যায় প্রভৃতি) এর আলোকে হিন্দুদের শ্রী-এর বিপরীতে মুসলামানদের ‘জনাব’ এবং শ্রীযুক্ত ও শ্রীমান-এর বদলে মুসলমানদের ‘মুহাম্মাদ’ এবং শ্রীমতী-র বদলে ‘মুসাম্মাৎ’ ইসলামী স্বাতন্ত্র্যের পরিচয় হিসাবে বলা যেতে পারে।

4291 views

মোহাম্মদ (সাঃ) এর উম্মতদের নামের আগে সংক্ষেপে মোঃ (মোহাম্মদ) বসে ।

4291 views

আমরা সবাই হযরত মুহাম্মদ (সা:) এর উম্মত।তাই তার উম্মতদের নামের আগে মো: বসাতে হয়।এর মাধ্যমে বোঝা যায় যে কে কে মুসলিম।

4291 views