2 Answers

শোয়ার বাজার হলো আপনি একটা কোম্পানির শেয়ারের একটা অংশ কিনে নিবেন এবং সে অংশীদারিত্বের Percentage এর উপর আপনাকে লাভ/লস প্রদান করা হবে। উদাহরণস্বরুপ একটা কোম্পানির মার্কেট এসেট যদি ১০,০০০৳ হয় এবং এর যদি ১০০০৳ মূল্যের ১০ টি শেয়ার থাকে এবং আপনি যদি ১০০০৳ দুটি শেয়ার কিনেন আপনি কোম্পানির ২০% অংশীদার(লাভ/লসের) ধরুন কোম্পানির এসেট ১ বছর পর হলো ১৫০০০৳ তাহলে আপনার দুটি শেয়ারের দাম বেড়ে হবে ১৫০০৳x২=৩০০০৳(লাভের ২০%) একইভাবেযদি শেয়ারের দাম কমে ৫০০০৳ হয়ে যায় তাহলে তার ২০% পাবেন তথা ৫০০৳x২=১০০০৳ বাকি বাকি টাকা লস হিসেবে গণ্য।

2905 views

েয়ার বাজার এমন একটি স্থান যেখানে বিভিন্ন দায়বদ্ধ পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি যারা স্টক একচেঞ্জে নিবন্ধিত হয়ে তাদের শেয়ার বেচা কেনা করে, একে পুঁজি বাজার ও বলা হয়। “এক কথায় বলতে গেলে কোনো কোম্পানি মূলধন সংগ্রহের উদ্দেশ্যে তার উদ্দিষ্ট প্রাথমিক মূলধনকে কতোগুলো ছোট অংশে ভাগ করে জনগণের কাছে বিক্রি করে দেয়া হয়, এই প্রত্যেকটি অংশকে এক একটি শেয়ার বলে।“ প্রাপ্ত বয়স্ক মানে ১৮+ যে কেউ শেয়ার ব্যবসায় আসতে পারেন। তবে তার জন্য প্রথম যে কাজটি করতে হবে তা হলো ব্যাংকে সঞ্চয়ী (savings) হিসাব খুলতে হবে। এরপর সেই ব্যাংক হিসেবের বিপরীতে CDBL (সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি অফ বাংলাদেশ লিমিটেডের) অধীনে বিও (বেনিফিসিয়ারি অনার) একাউন্ট খুলতে হবে। মানে সোজা বাংলায় আপনি যে কোনো ব্রোকার হাউসে থেকে এ বিও একাউন্ট খুলতে পারেন। এ বিও একাউন্ট খোলার পর একজন বিনিয়োগকারী প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি উভয় মার্কেটে শেয়ার ব্যবসা করতে পারেন। প্রত্যেক বছর বেশ কিছু কোম্পানি IPO (ইনিশিয়াল পাবলিক অফার ) দিয়ে শেয়ার বাজারে তালিকাভুক্ত হয়। একটি কোম্পানি যখন প্রথমবারের মতো বাজারে প্রবেশ করে বা শেয়ার বাজারে ছাড়ে তাকে প্রাইমারি শেয়ার বলে। যখন আপনি B.O. Account খুলবেন, তারপর আপনাকে ঐ কোম্পানীর প্রাইমারী শেয়ারের আবেদন পত্রটি সংগ্রহ করতে হবে এবং ঐখানে যেসব ব্যাংক এর লিস্ট থাকবে তার যে কোন একটি ব্যাংক এ তা জমা দিতে হবে। আর যেটাই করেন না কেন, সবকিছুই করতে হবে আপনার একটি Broker House এর মাধ্যমে। প্রাইমারি শেয়ার একবার বাজারে বিক্রি হয়ে গেলেই তা সেকেন্ডারি হয়ে যায়। তখন সেটা সেকেন্ডারি মার্কেট চলে আসে আর সেই শেয়ার সেকেন্ডারি শেয়ার বলে গণ্য করা হয়। সেকেন্ডারি মার্কেটে আপনি ইচ্ছা মতো শেয়ার ক্রয়-বিক্রয় করতে পারবেন। পুঁজি ও ঝুঁকি কেমন বাংলাদেশে শেয়ার বাজারে বর্তমানে দুটা ক্যাটাগরিতে শেয়ার লেনদেন হয়ে থাকে। প্রাইমারি(আইপিও) এবং সেকেন্ডারি। প্রাইমারি শেয়ারের জন্য আবেদন করতে খুব বেশি টাকার প্রয়োজন হয় না। প্রাথমিক শেয়ারের ক্ষেত্রে ঝুঁকি খুবই কম। সেকেন্ডারি মার্কেটে লাভের সম্ভাবনা যেমন আছে তেমনি ঝুঁকিও বেশি আছে। না বুঝে সেকেন্ডারি মার্কেটে বিনিয়োগ করা ঠিক নয়। তাই কোনো রকম গুজবে কান না দিয়ে বুঝে-শুনে বিনিয়োগ করাই ভাল।

2905 views

Related Questions