1 Answers
সুষুম্নাকান্ড সুষুম্নাশীর্ষক থেকে শুরু হয়ে মেরুদন্ডের গহ্বরের পৃষ্ঠ- মধ্যরেখা বরাবর প্রথম লাম্বার কশেরুকা পর্যন্ত বিস্তৃত। প্রতি কশেরুকার সংযোগস্থলে সুষুম্নাকান্ডটি খাঁজবিশিষ্ট হয়েছে, সুষুম্নাকান্ডটি অনেকগুলি খন্ডক নিয়ে গড়ে উঠেছে । প্রতি খন্ডক থেকে একজোড়া করে সুষুম্নীয় স্নায়ুর উদ্ভব হয়েছে । সুষুম্নাকান্ডের অঙ্কদেশে একটি অঙ্কীয় স্নায়ু খাঁজ এবং পৃষ্ঠদেশে একটি পৃষ্ঠীয় স্নায়ু খাঁজ সুষুম্নাকান্ডকে দুটি প্রতিসম অংশে বিভক্ত করেছে । সুষুম্নাকান্ডের ভেতরের অংশ ধূসর পদার্থ এবং বাইরের অংশ শ্বেত পদার্থ দিয়ে গঠিত । প্রতি অর্ধাংশের ধূসর বস্তু দুটি শৃঙ্গে বিভক্ত । এদের যথাক্রমে সম্মুখ স্নায়ু শৃঙ্গ এবং পশ্চাদ স্নায়ু শৃঙ্গ বলে । প্রতিটি সুষুম্না স্নায়ু কশেরুকা গহ্বরে প্রবেশ করে দুভাগে বিভক্ত হয়ে পৃষ্ঠমূল এবং অঙ্কমূল রূপে প্রতিটি সুষুম্না খন্ডকের একটি অর্ধাংশের সঙ্গে যুক্ত থাকে । সুষুম্নাকান্ডের গহ্বরটিকে নিউরোসিল বলে । এই গহ্বরের মধ্যে সেরিব্রো-স্পাইনাল তরল থাকে ।মূলত এই সুষুম্নাকান্ড এবং এর কিছু অংশ অ্যাফারেন্ট স্নায়ু এবং অন্যান্য কিছু অংশ মূলত ইফারেন্ট স্নায়ুর সাহায্যে দেহের বিভিন্ন যন্ত্রের মধ্যে সমন্বয়সাধন করে। এর পৃষ্ঠমূল এবং অঙ্কমূল মূলত দেহে সরল প্রতিবর্ত ক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে। কাজেই বলা যায় সুষুম্নাকান্ড এর ভিন্ন ভিন্ন অংশের কাজ ভিন্ন
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy