2 Answers

জ্বি না......

3164 views Answered

খতনা করা গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত। তাছাড়াও, এটি শি'আরে ইসলাম অর্থাৎ ইসলামের মৌলিক নিদর্শনের অন্তর্ভুক্ত। নবী করীম (সঃ) বলেন, ফিতরাত (তথা নবীগণের সুন্নত)/মানুষের স্বভাবগত বিষয় পাঁচটি। খতনা করা, নাভীর নিচের পশম পরিষ্কার করা, বগলের পশম উঠানো, মোঁচ ছোট করা এবং নখ কাটা। (সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৬২৯৭)।  শারীরিকভাবে শক্ত-সামর্থ্যবান হওয়ার পরই সুবিধাজনক সময় ছেলের খতনা করিয়ে দেওয়া অভিভাবকের দায়িত্ব। আর কোনো কারণে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগে যদি খতনা না করা হয় অথবা বয়স্ক হওয়ার পর কেউ ইসলাম গ্রহণ করে তাহলেও তার খতনা করা জরুরি। অতএব, প্রশ্নোক্ত নবমুসলিমকেও খতনা করে নিতে হবে।  ইবনে শিহাব যুহরী (রহঃ) বলেন, কোনো ব্যক্তি যখন ইসলাম গ্রহণ করত তখন সে বড় হলেও তাকে খতনা করার আদেশ করা হত। (আলআদাবুল মুফরাদ, ১২৫২)  জনাব, উক্ত আলোচনার ভিত্তিতে আমরা বুঝতে পারি, ইসলামে সুন্নতে খাৎনার গুরুত্ব অনেক এবং এটি ইসলামের একটি নিদর্শন। তাই, এটি না করলে সুন্নাত-কে অমান্য করা হয় বা সম্মান দেয়া হয় না।

3164 views Answered

Related Questions

Next steps