4 Answers
হুমায়ূন আহমেদের বই মানেই আবেগের বই, অধিকাংশ বইই উচ্চমার্গীয় আবেগের। যারা বুঝতে পারে তারা আবেগাক্রান্ত হয়, না বুঝলে আবার পাগলের প্রলাপ লাগে। বিশেষভাবে আমার আছে জল, কৃষ্ণপক্ষ, চৈত্রের দ্বিতীয় দিবস, মৃণ্ময়ীর মন ভালো নেই, হিমুর হাতে পাঁচটি নীল পদ্ম, প্রিয়তমেষু । মুহাম্মদ জাফর ইকবালের আমি তপু বইটি বহু মানুষের প্রিয়। পড়ে দেখতে পারেন, কিশোর-উপন্যাস হলেও শেষটা অবশ্যই কাঁদাবে। পুরনো কিছু বই পথের পাঁচালী, বড় দিদি খুবই সুন্দর। তবে উচ্চমার্গীয় চিন্তার, তাই নিজে থেকে বুঝে নিতে হয়।
লায়লা মজনুর প্রেমের উপন্যাস পড়লে আপনার চোখে এমনিই জল আসবে । হূমায়ুন কবির প্রায় উপন্যাস প্রেমের , সেগুলো পড়তে পারেন । কয়েকটি আরব্য উপন্যাস আছে যেগুলো অনেক কষ্টের , আরব্য উপন্যাসে লেখা আছে আগের মানুষদের কীভাবে মেরে ফেলা হতো , দাস দাসীদের দিয়ে কী নোংরামো কাজগুলো করানো হতো । আপনি সেগুলো পড়তে পারেন ।
জাফর ইকবালের কিশোর উপন্যাস, আমার বন্ধু রাশেদ ও দীপু নাম্বার টু। এই দুইটি বই পড়লে শিওর কাদবেন। হুমায়ুন আহমেদের অপেক্ষা, আমার আছে জল, মেঘ বলেছে যাব যাব উল্লেখযোগ্য। এছাড়া একটি উপন্যাস আছে 'আমি তোমাকে ভালোবাসি তুমি বুঝলে না ' খুব রোমান্টিক।
আপনি চঞ্চল চৌধুরীর বই ' মৃত্যুর দুয়ারে দারিয়ে বলব তোমাকে ভালোবাসি', তোমি নিষ্ঠুর প্রিয়তমা ', ইতি তোমার ভালোবাসা ' এই গুলো পড়তে পারেন। মেহজাবিন বোন যেই বই গুলি বলেছেন তাও ভালো।