4 Answers
ইশার নামাজ মোট দশ রাকাত নফল ছাড়া। প্রথমে চার রাকাত সুন্নতে জায়েদা যা অনাবশ্যক পড়তেও পারেন আবার নাও পড়তে পারেন। অর্থাৎ পড়লে সওয়াব আছে না পড়লে গুনাহ নেই। এরপর চার রাকাত ফরজ যা আবশ্যক। এবং সবশেষে দুই রাকাত সুন্নত এটা পড়তে হবে।
অবশ্যই পড়তে হবে। কেননা, এশার দুই রাকাআত সুন্নাত নামায সুন্নাতে মুয়াক্কাদার শামিল। আর সুন্নাতে মুয়াক্কাদা ছেড়ে দিলে গুনাহগার হতে হবে। “হযরত আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী করিম (সঃ) আমার ঘরে যোহরের পূর্বে চার রাকআত সুন্নাত নামায পড়তেন, তারপর (মসজিদে) বের হয়ে গিয়ে লোকেদেরকে নিয়ে নামায পড়তেন। অতঃপর ঘরে প্রবেশ করতেন এবং দু’ রাকআত সুন্নাত পড়তেন।
তিনি লোকেদেরকে নিয়ে মাগরিবের নামায পড়ার পর আমার ঘরে প্রবেশ করতেন এবং দু’ রাকআত সুন্নাত নামায পড়তেন। (অনুরূপভাবে) তিনি লোকেদেরকে নিয়ে এশার নামায পড়তেন, অতঃপর আমার ঘরে ফিরে এসে দু’ রাকআত সুন্নাত নামাজ পড়তেন।” [সহীহ] (হাদিস সম্ভার, হাদিস নং ৮৭৭)
জনাব! তাহলে বুঝতেই পাচ্ছেন যে, এশার দু’ রাকআত সুন্নাত নামাযের মর্তবা কতটুকু।
ফরজ নামাযের পূর্বে যে ৪ রাকাত সুন্নত নামায পড়া হয় সেটি না পড়লেও কোন গুনাহ হবে না, তবে ২ রাকাত সুন্নত পরতে হবে।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy