4 Answers
সূরা ইয়াসীনের ফযীলতসমূহ:
- যেকোন উদ্দেশে এ সূরা পাঠ করলে আল্লাহ পাঠকের উদ্দেশ্য পূর্ণ করে দেন
- পাগল ও জ্বিনগ্রস্ত লোকের উপর এ সূরা পাঠ করে দাম দিলে রোগী অচিরেই আরোগ্য্য লাভ করে
- বিপদাপদ ও রোগ শোকে এ সূরা পাঠ করলে আল্লাহ তায়ালা মুক্তি দান করেন
- হাদীসের আছে,এ সূরা একবার পাঠ করলে দশবার কোরআন খতমের সওয়াব পাওয়া যায় এবং পাঠকের সকল গুনাহ মাফ হয়
- হাদীসের আরো আছে,রাতে শোয়ার আগে এ সূরা পাঠ করলে সকালে নিষ্পাপ অবস্থায় ঘুম থেকে জাগ্রত হবে
- সর্বদা এ সূরা পাঠ করলে বিচার দিবসে পাঠকের মুক্তির জন্য শাফাআত করবে।
ফজিলত→→
এই সূরা এক বার পাঠ করলে দশ বার পবিত্র কোরআন খতমের সওয়াব অর্জিত হবে। যদি কোন ব্যক্তি নিয়মিত সূরা ইয়াসীন পাঠ করে তবে তার জন্য বেহেশতের ৮টি দরজাই খোলা থাকবে। সে যে কোন দরজা দিয়ে বেহেশতে প্রবেশ করতে পারবে এবং কোন ব্যক্তি রাত্রে শোয়ার পূর্বে সূরা ইয়াসীন পাঠ করে রাত্রি যাপন করে তবে সকালে সে নিশ্পাপ অবস্থায় ঘুম হইতে জাগ্রত হবে।
সূরা ইয়াসিনের ফযীলতসমূহ:
(১)রাসূলে আকরাম (সাঃ) বলিয়াছেন,যে ব্যক্তি নিয়মিতভাবে এই সূরা পাঠ করিবে,তাহার জন্য বেহেশতে আটটি দরজাই উন্মুক্ত থাকিবে।সে যে কোনো দরজা দিয়ে বেহেশতে প্রবেশ করতে পারবে।(২)যে কোনো উদ্দেশ্যে এই সূরা পাঠ করলে আল্লাহ্ পাঠকের উদ্দেশ্য পূর্ণ কর দেন।(৩)পাগল ও জ্বীনগ্রস্ত লোকের উপর এই সূরা পাঠ করে দিলে রোগী অচিরই আরোগ্য লাভ করবে। (৪)বিপদাপদ ও রোগশোকে এই সূরা পাঠ করলে আল্লাহ্ তাকে মুক্তি দান করেন।(৫)রোগী বা বিপদগ্রস্তের গলায় এই সূরার তাবিজ লিখিয়া বাঁধিয়া দিলে বিশেষ উপকার হয়।(৬)এ সূরায় কোরআনের সকল গুণাবলীর সমন্বয় সাধিত হওয়ায় রাসূল (সাঃ)একে কোরআন মজীদের অন্তর বলে আখ্যায়িত করেছেন।