1 Answers

শারীরিক মিলন ছাড়াও আরো কিছু কারন আছে। যেমন ধরুন অতিরিক্ত বেশি কিংবা অতিরিক্ত কম ওজন বন্ধ্যাত্বের অন্যতম কারণ হতে পারে।মানসিক চাপ,নেশাদায়ক খাদ্য সেবন,বয়স বৃদ্ধি ইত্যাদি কারণেও হতে পারে।এছাড়া স্বামীর বীর্যে শুক্রাণুর স্বল্পতার কারনেও বাচ্চা হবার সম্ভাবনা কমে যেতে পারে।।  মেয়েদের একটি বড় সমস্যা হল  ফলিকুলার সিনড্রম।এটি  একটি সিনড্রম,  যেখানে নারীদের মাসিক নিয়মিতই হচ্ছে, অন্য সবকিছুই স্বাভাবিক, কিন্তু ওই সিন্ড্রমের ফলে যে ডিমটি বের হবে সেই ডিম বের হচ্ছে না এবং এটার আর দ্বিতীয় হচ্ছে পলিসিস্টিক ওভারি যেখানে অনেক সিস্ট হয় যে সিস্টগুলো পরিণত হয়ে ফেটে ডিম বের হয়। অনেকের এই সিস্ট পরিণত হয়ে ফেটে ডিমে বের হয় না তখনই সন্তান ধারণ ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে সে। আরেকটা বড় কারণ হচ্ছে, ইউটেরাস যেখানে বাচ্চা থাকে বা বড় হয় সেটার দুই পাশে দুটি নল থাকে আমরা সেটাকে ফেডোপেন টিউব বলে থাকি। এই ফেডোপেন টিউব ওভারির কাছাকাছি গিয়ে শেষ হয়। ওভারি থেকে ডিম ফেডোপেন টিউবে আসে। সেখানে স্পার্ম গিয়ে ফার্টিলাইজেশন করে। অনেক সময় এই ফেডোপেন টিউব বন্ধ হয়ে যায় আর এটার প্রধান কারণ হলো ইনফেকশন। মেয়েদের ইনফেকশন বেশি হয় এবং অনেকেই ঠিকমতো এর চিকিৎসা করে না। সে কারণে টিউবটা বন্ধ হয়ে যায়। আর এর ফলে ডিম আসতে পারে না আবার স্পার্মও যেতে পারে না। এর ফলে বন্ধ্যত্ব সমস্যা দেখা দেয়।এছাড়া পুরুষদের নানান রকম শারীরিক সমস্যার ফলেও বাচ্চা হবার সম্ভাবনা কম। সেক্ষেত্রে ১ বছর কিংবা দুই বছর নয়,যদি এরূপ সমস্যা থাকে তাহলে চিকিৎসক এর পরামর্শ নেয়া উচিৎ, অন্যথায় বাচ্চা হবার সম্ভাবনা কম। আমি মনে করি ১বছরের ভিতরে সহবাস করলে যদি বাচ্চা নিতে চাওয়ার পরেও গর্ভধারণ না হয়,তাহলে চিকিৎসক এর পরামর্শ নেয়া উচিৎ।  এক্ষেত্রে শারীরিক মিলনের এক বছরের মধ্যেই বাচ্চা না হলে আর হবেনা এই চিন্তাভাবনা ভুল।

2726 views Answered

Related Questions

Next steps