2 Answers
না তেমন কোনো সমস্যা হবেনা।ইসলামে এর কোনো বিধি নিষেধ নেই।মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাঃ প্রথম বিবাহ করেন খাদিজা রাঃ,যখন খাদিজা রাঃ এর বয়স ছিল ৪০ এবং নবীজির বয়স ২৫ ছিল। শারীরিক দিক থেকেও বয়সে বড় মেয়েদের বিয়ে করলে কোনো সমস্যা হবেনা।তবে আপনি বিয়ের আগে জেনে নিন তার সঠিক বয়স কত,অনেকসময় ৩০-৩৫ বছরের পরেই গর্ভধারণের ব্যাপারটি মেয়েদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যায়।
আপনারা যদি নিজেদের মধ্যে বিয়ের পরে নিজেদের মধ্যে বোঝাপড়া ঠিক মতো করে নিতে পারেন তবে সমস্যা নাই। একটা গবেষণায় দেখাগেছে- যাদের বয়য়ের পার্থক্য বেশি তাদের বিবাহ বিচ্ছেদের হার তত বেশি। বিবাহ বিচ্ছেদ কেন হয় সেটা আর তো বলার প্রয়োজন পড়েনা তাইনা? আসলে তাদের বোঝাপড়া সমান না হওয়ায় এমন বিচ্ছেদ হয়। সেটা নিয়ে আর বেশি কিছু বলতে চাচ্ছি না। বিবাহিত জীবনে সূখী হলেও হতে পারেন। তবে সেটা আপনাদের বোঝাপড়ার উপর নির্ভরশীল।
- আপনাদের দুইজন দুইজনকে আগে ভালোভাবে বুঝে নিবেন। কার কেমন চাওয়া পাওয়া, কার রুচি কেমন, কার কোন বিষয়ে দুর্বলতা, কে কি কাজ বেশি পছন্দ করেন। নিজকে বুঝুন তাহলেই বুঝতে পারবেন সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে আপনার কি করণীয়, বিয়ের পরে তার কথা একটু গুরুত্ব দিবেন, তার কথা মনোযোগ দিয়ে শ্রবণ করবেন, তাকে ছোট খাটো বিষয়ে সাহায্য কিরতে পারেন।
- বিয়ের পরে দেখাযায় রোমান্স প্রায় বিলুপ্ত হয়ে যায়। সেটা ধরে রাখতে পারলেই আশাকরি আপনাদের সম্পর্কে কোন বাধা আসবে না। নিজেদের রোমান্স ধরে রাখতে চাইলে বাহিরে কোথাও বেড়াতে যেতে পারেন বিয়ের পর মাসে একবার।তরুণ তরুণীদের মতো গোলাপ হাতে নিয়ে হাঁটু গেরে তাকে ভালো ভাসি শব্দটা বলতে পারেন। বিয়ের পরে রোমাঞ্চ পারবে আপনাদের সম্পর্ক বিয়ের পরেও ঠিক রাখতে।
- সম্পর্কে ছোট খাটো ফাটল ধরা স্বাভাবিক। সে নিয়ে বেশি মাতামাতি মানে বাড়াবাড়ি করা ঠিক হবে না। তখন তৃতীয় পক্ষের কাউকে ঢুকতে দিবেন না । যদি ঢুকতে দেন তবে সম্পর্ক আরো বিগড়ে যাবে এবং সম্পর্ক ভেঙ্গে যাবে। তাই আগে নিজেদের বুঝতে শিখুন একে অপরকে সময় দিন।