অনুচ্ছেদের নামঃ নববর্ষ   
4823 views

10 Answers

যানজট সমস্যা 
যানজট হচ্ছে গাড়ি বা যানবাহনের জট। রাস্তার যানবাহন স্বাভাবিক গতিতে চলতে না পেরে যে অস্বাভাবিক জটের সৃষ্টি হয়, তা-ই যানজট। যানজট বাংলাদেশের শহরগুলোর এক বড় সমস্যা। এই সমস্যা দিন দিন প্রকট হয়েছে দেশের রাজধানী ঢাকায়। যানজটের সীমাহীন দুর্ভোগের শিকার ঢাকার প্রতিটি মানুষ। ঢাকা বাংলাদেশের মূল কেন্দ্র। তাই দেশের সব শ্রেণির মানুষ ঢাকা শহরের দিকে ধাবিত হচ্ছে। জনগণের প্রয়োজনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে যানবাহনের সংখ্যাও বাড়ছে, যা তৈরি করছে যানজট। এ ছাড়া রাস্তার স্বল্পতা, অপ্রশস্ততা, অপরিকল্পিত নগরায়ণ আর ট্রাফিক আইন অমান্য করাই হচ্ছে ঢাকা শহরের যানজটের অন্যতম কারণ। আর যানজটের ফলে প্রায়ই মারাত্মক সব দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। প্রয়োজনীয় কাজ নির্ধারিত সময়ে করা সম্ভব হয় না, যা ব্যক্তি ও সামাজিক জীবনসহ রাষ্ট্রীয় জীবনকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। যানজট দূর করার জন্য সুষ্ঠুভাবে পরিকল্পনা প্রণয়ন করা প্রয়োজন। প্রশস্ত রাস্তা নির্মাণ, যানবাহন নিয়ন্ত্রণ আইন, ট্রাফিক আইন কঠোরভাবে পালন করাই হতে পারে এ ক্ষেত্রে কার্যকর পদক্ষেপ। রাজধানী ঢাকার জীবনযাত্রা উন্নয়ন করার লক্ষ্যে যানজট সমস্যা সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন।

4823 views

কম্পিউটার বিজ্ঞানের বিস্ময়কর আবিষ্কার। কম্পিউটারকে আজকাল আর গণনা কারী যন্ত্র বলা হয় না। এখন তা এমন এক ইলেকট্রনিক যন্ত্রে র ধারণা দেয় যা অগণিত তথ্য বা উপাত্ত গ্রহণ করে অত্যন্থ দ্রুত এবং নির্ভুলভাবে সংরণ, গণনা বিশ্লেষণ ইত্যাদি করতে পারে। কম্পিউটার যন্ত্রে র মূল আবিষ্কারক চার্লস ব্যাবেজ। মানুষ যেমন মগজে রাখা, স্মৃতি অভিজ্ঞতা, তথ্য ও তত্ত্ব কাজে লাগিয়ে সমস্যার সমাধান করে কম্পিউটারের কাজ ও তেমনি। কম্পিউটার এক বিস্ময়কর আবিষ্কার-যা ব্যবসা বাণিজ্য থেকে শুরু করে মহাশূন্য গবেষণায় কাজ করছে। কম্পিউটার জীবনের সর্বেেত্র সাড়া জাগিয়েছে। রোগীর রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়। গবেষণার ক্ষেত্রে এবং পুস্তক প্রকাশনায় কম্পিউটার বিস্ময়কর অবদান রাখতে সম হয়েছে। আজকাল পরীার খাতাও দেখা হয় কম্পিউটারের মাধ্যমে। কম্পিউটার মানুষের বিচিত্র কর্মকার যে বৈপ্লবিক অগ্রগতি সাধন করছে তার সুফল অবশ্যই জাতির জন্য সম্প্রসারণ করতে হবে। ১৯৫২ সালে আমেরিকার বিজ্ঞানী জনডন নিউম্যান সর্বপ্রথম কম্পিউটারের আবিস্কারের পরিকল্পনা করেন। ১৯৫৪ সাল থেকে ১৯৬৪ সাল পর্যন্ত কম্পিউটার তৈরীর কাজ ধীরে ধীরে এগিয়ে চলে।আধুনিক কম্পিউটারের জনক হচ্ছেন চার্লস ব্যাবেজ। কম্পিউটার মানব জীবনের নানা কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। বর্তমান বিশ্বে সর্বাধুনিক কল-কারখানা ও পারমানবিক চুল্লি কম্পিউটারের সাহায্যে নিয়ন্ত্রি ত হচ্ছে। কম্পিউটারের সাহায্যে বর্তমানে বই-পুস্তক ও পত্র-পত্রিকা ইত্যাদি কম্পোজ ও মুদ্রণের কাজ নির্ভুল এবং দ্রুততার সাথে সম্পন্ন করা সম্ভব হচ্ছে। কম্পিউটার আধুনিক বিজ্ঞানের এক বিস্ময়কর উদ্ভাবন। আমাদের দেশেও কম্পিউটারের প্রতি মানুষের আগ্রহ দিন দিন বেড়ে চলছে। মানুষ হয়ে পড়ছে কম্পিউটার নির্ভর


4823 views

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পালিত হয়। ঐদিন ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে দখলদার পাকিস্তানি বাহিনীর নববই হাজার সদস্য বাংলাদেশ ও ভারতের সম্মিলিত বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে। দিনটি যথাযথ ভাবগাম্ভীর্য ও জাতীয়তাবাদী উদ্দীপনাসহ উদযাপিত হয়ে থাকে। ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে প্রত্যুষে দিবসটির সূচনা ঘোষণা করা হয়। এদিন রাজধানী ঢাকায় অনুষ্ঠিত সামরিক কুচকাওয়াজে সব ধরনের প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরা যোগ দেয়। এ কুচকাওয়াজ দেখার জন্য শতসহস্র লোক জাতীয় প্যারেড স্কোয়ারে সমবেত হয়ে থাকে। স্বদেশের স্বাধীনতার জন্য যারা জীবন উৎসর্গ করেছিলেন তাদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য ঢাকার অদূরে সাভারে অবস্থিত জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।  স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি হলো সমগ্র জাতি। সমগ্র জাতিই এক দীর্ঘ জীবন-মরণ সংগ্রামে বিজয়ের লাল গোলাপটি ছিনিয়ে এনে ১৬ ডিসেম্বরে এই জাতির জন্য রক্তসিক্ত পতাকা সগৌরবে স্থাপন করেছে। ১৬ ডিসেম্বর আমাদের জাতীয় অস্তিত্বের ঠিকানা। আমাদের গৌরবময় অর্জনের প্রকৃষ্ট নিদর্শন। কখনো যেন আমরা একথা ভুলে না যাই।

4823 views

বনভোজন বলতে আনন্দ-উৎসব সহযোগে বনে কিংবা বাড়ীর বাইরে খাবার ভোজন করাকে বুঝায়। সাধারণতঃ মনোরম ও সুন্দরতম স্থানকেই বনভোজনের জন্য নির্বাচিত করা হয়। তন্মধ্যে পার্ক বা উদ্যান, হ্রদ কিংবা নদীর কিনারের মতো চিত্তাকর্ষক স্থানকেই প্রাধান্য দেয়া হয়। এছাড়াও, জনগুরুত্বপূর্ণ স্থানও বনভোজনের জন্য আদর্শ স্থান।বনভোজন প্রায়শঃই পরিবারের সদস্যদেরকে ঘিরে হয়ে থাকে। অন্যান্য ক্ষেত্রে দুই জন ব্যক্তি থেকে শুরু করে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে এটি বড় ধরণের মিলন স্থলে রূপান্তরিত হয়। বিভিন্ন স্তরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রী কিংবা ব্যাংক-বীমা প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রাণবন্ত ও স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এর অন্যতম উদাহরণ।দূরত্ব, সময় ও স্থান নির্ধারণ করে যানবাহন ভাড়া, ব্যক্তিসহ দিনের সংখ্যা নির্ধারণ, প্রয়োজনীয় অর্থ সংগ্রহ, খাদ্যসামগ্রী ক্রয় ও বাবুর্চি নির্বাচন, থালা-বাসন-কলস-গ্লাস সংগ্রহ, জ্বালানী সংগ্রহ, কোমল পানীয়, চিত্ত বিনোদনের জন্য অন্যান্য উপকরণ - বনভোজনের প্রধানতম নিয়ামক।বনভোজনে যাত্রাকালীন কিংবা ফিরে আসার সময় আনন্দ, হাসি-তামাসা ইত্যাদি বিষয়াবলী থাকে। নির্দিষ্ট স্থানে রান্না আয়োজনের মধ্যবর্তী সময়কালে অথবা ভোজন পরবর্তী সময়ে খেলাধূলার আয়োজন করা হয়। এছাড়াও বিভিন্ন ধরণের অপ্রত্যাশিত বিনোদনের মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীদেরকে নির্মল আনন্দ দেয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়। অনেকক্ষেত্রে দর্শনীর বিনিময়ে টিকিট বিক্রয় করে লটারীতে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ এর অন্যতম অংশ হিসেবে বিবেচনায় রাখা হয়।প্রতিটি মানুষের বিনোদন হিসেবে বনভোজন দারুন একটি বিনোদনের মাধ্যম।

4823 views
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর মুক্তিযুদ্ধ-ভিত্তিক জাদুঘর। এটি ঢাকার এফ-১১/এ-বি, সিভিক সেক্টর, আগারগাঁওয়ে অবস্থিত। বেসরকারি উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত এই জাদুঘরের উদ্বোধন হয় ১৯৯৬ সালের ২২ শে মার্চ। মুক্তিযুদ্ধের অনেক দুর্লভ বস্তু আছে এই জাদুঘরে ।১৯৯৬ সালের ২২ মার্চ সেগুনবাগিচার একটি সাবেকী ভবন ভাড়া নিয়ে যথাযথ সংস্কার শেষে দ্বার উদঘাটন হয় মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের। আটজন ট্রাস্টির উদ্যোগে ইতিহাসের স্মারক সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও উপস্থাপনের এই প্রয়াস গোড়া থেকেই ব্যাপক মানুষের সমর্থন ও সহায়তায় ধন্য হয়েছে। বর্তমানে জাদুঘরের সংগ্রহভাণ্ডারে জমা হয়েছে ১৫,০০০-এরও বেশি স্মারক।

১৯৯৯ সালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সহায়তায় মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর মিরপুরে মুসলিম বাজার ও জল্লাদখানা বধ্যভূমি খননের কাজ সম্পন্ন করে এবং পরে (২০০৮ সালে) জল্লাদখানা বধ্যভূমিতে একটি স্মৃতিপীঠ নির্মাণ করে। ‘মানুষের জন্য ফাউণ্ডেশন’এর অংশীদারিত্বে নতুন প্রজন্মের কাছে ইতিহাস ও মানবাধিকার বিষয়ক প্রদর্শনীর বিশেষ আয়োজন করে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর। এছাড়া মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের রয়েছে গ্রন্থাগার ও তথ্য ভাণ্ডার এবং অডিও-ভিজ্যুয়াল সেন্টার।ভাড়া বাড়িতে জাদুঘরের কার্যক্রম পরিচালিত হওয়ায় স্থান-স্বল্পতার কারণে সংগৃহীত স্মারকসমূহ যথাযথভাবে প্রদর্শন করা সম্ভব না হওয়ায় তত্ত্বাবধায়ক সরকার রাজধানীর আগারগাঁও এলাকায় জাদুঘর ট্রাস্টের অনুকূলে ০.৮২ একর ভূমি বরাদ্দ দেয়। নভেম্বর ২০০৯-এ উন্মুক্ত স্থাপত্য নকশা প্রতিযোগিতার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক জুরিবোর্ড মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের স্থাপত্য-নকশা নির্বাচন চূড়ান্ত করে।
২০১১ সালের ৪ মে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তরও স্থাপন করেন। ২০১৭ সালের ১৬ এপ্রিল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয় মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের নতুন ভবন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর উদ্ভোধন করেন। ১০২ কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি হয় মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের এই নয়তলা ভবন।মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের প্রাথমিক উদ্দেশ্য হচ্ছে, ইতিহাসের স্মারক সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করে যথাযথভাবে উপস্থাপন। এর বিশেষ লক্ষ্য নতুন প্রজন্মকে স্বাধীনতার ইতিহাস বিষয়ে সচেতন করে তোলা, যার ফলে তারা মাতৃভূমির জন্য গর্ব ও দেশাত্ববোধে উদ্দীপ্ত হবে এবং উদার অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে বিশ্বাসী হবে।
4823 views

বাংলা নববর্ষ
পয়লা বৈশাখ বাঙালির নববর্ষ উৎসব। সম্রাট আকবরের সর্বপ্রথম বাংলা সনের প্রবর্তনের মধ্য দিয়ে বাংলা নববর্ষের যাত্রা শুরু হয়। ধর্ম-বর্ণ-গোত্রনির্বিশেষে এই উৎসব সব বাঙালি উদ্যাপন করে থাকে প্রবল উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে। একসময় জমিদার ও নবাবেরা নববর্ষে পুণ্যাহ আয়োজন করতেন। পরবর্তী সময়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পরিবার বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে নববর্ষ উদযাপন করায় সে আয়োজন দেশময় ছড়িয়ে পড়ে। নববর্ষে হালখাতা, বৈশাখী মেলা, ঘোড়দৌড় এবং বিভিন্ন লোকমেলার আয়োজন করে সাধারণ মানুষ। সংস্কৃতি সংগঠন ছায়ানট ১৯৬৭ সাল থেকে নববর্ষে রমনায় অনুষ্ঠান আয়োজন করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের ধারাবাহিকতায় আমরা আজও নববর্ষ উত্সব মন ও মননে লালন করছি। চারুকলা প্রতিবছর আয়োজন করে মঙ্গল শোভাযাত্রার। এই দিনে ছেলেরা পাজামা-পাঞ্জাবি ও মেয়েরা নানা রঙের শাড়ি পরে পরিবেশ বর্ণিল করে তোলেন। এটি আমাদের জাতীয় উৎসব, সেহেতু আমাদের প্রত্যেকেরই উচিত এ উৎসবের গুরুত্ব ঠিকমতো বোঝা।

4823 views

পয়লা বৈশাখ বা পহেলা বৈশাখ হল বঙ্গাব্দের প্রথম দিন, তথা বাংলা নববর্ষ। দিনটিত সকল বাঙালী জাতির ঐতিহ্যবাহী বর্ষবরণেয়র দিন। দিনটি বাংলাদেশ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গে নববর্ষ হিসেবে বিশেষ উৎসবের সাথে পালিত হয়। ত্রিপুরায় বসবাসরত বাঙালিরাও এই উৎসবে অংশ নিয়ে থাকে। সে হিসেবে এটি বাঙালিদের একটি সর্বজনীন লোকউৎসব হিসাবে বিবেচিত।গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জি অনুসারে।বাংলাদেশের প্রতি বছর ১৪ই এপ্রিল এই উৎসব পালিত হয়। বাংলা একাডেমী কর্তৃক নির্ধারিত আধুনিক বাংলা পঞ্জিকা অনুসারে এই দিন নির্দিষ্ট করা হয়েছে।পশ্চিমবঙ্গে চান্দ্রসৌর বাংলা পঞ্জিকা অনুসারে ১৪ই এপ্রিল অথবা ১৫ই এপ্রিল পহেলা বৈশাখ পালিত হয়। এছাড়াও দিনটি বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের সরকারি ছুটির দিন হিসেবে গৃহীত। বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যবসায়ীরা দিনটি নতুনভাবে ব্যবসা শুরু করার উপলক্ষ হিসেবে বরণ করে নেয়।এই উৎসব শোভাযাত্রা, মেলা, পান্তাভাত খাওয়া, হালখাতা খোলা ইত্যাদি বিভিন্ন কর্মকান্ডের মধ্য দিয়ে উদযাপন করা হয়। বাংলা নববর্ষের ঐতিহ্যবাহী শুভেচ্ছা বাক্য হল "শুভ নববর্ষ"।নববর্ষের সময় বাংলাদেশে মঙ্গল শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়। ২০১৬ সালে, ইউনেস্কো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক আয়োজিত এই উৎসব শোভাযাত্রাকে "মানবতার অমূল্য সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য" হিসেবে ঘোষণা করে।বাংলা দিনপঞ্জীর সাথে হিজরী এবং খ্রিস্টীয় সনের মৌলিক পার্থক্য হলো হিজরী সন চাঁদের হিসাবে এবং খ্রিস্টীয় সন আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী নির্ধারিত হয়। এ কারণে হিজরী সনে নতুন তারিখ শুরু হয় সন্ধ্যায় আকাশে নতুন চাঁদ দৃশ্যমান হওয়ার পর আর খ্রিস্টীয় সনে নতুন দিন শুর হয় ইউটিসি±০০:০০ অনুযায়ী। পহেলা বৈশাখ রাত ১২ টা থেকে শুরু না সূর্যোদয় থেকে শুরু এ নিয়ে ভিন্নমত রয়েছে, ঐতিহ্যগত ভাবে সূর্যোদয় থেকে বাংলা দিন গণনার রীতি থাকলেও ১৪০২ সালের ১ বৈশাখ থেকে বাংলা একাডেমী এই নিয়ম বাতিল করে আন্তর্জাতিক রীতির সাথে সামঞ্জস্য রাখতে রাত ১২.০০টায় দিন গণনা শুরুর নিয়ম চালু করে।

4823 views

এটা আমার কাছে ছিল,তাই দিলাম।এইখান থেকে দিয়েছি বলে কিছু মনে করবেন না কেউ।।।।।image

4823 views
    বিজয় দিবস

'বিজয় দিবস' বলতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রকৃত স্বাধীনতা প্রাপ্তির ঘোষণাকে বোঝায়। বাংলাদেশের ইতিহাসে এটি একটি স্মরণীয় দিন। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্ভর এই ঘোষণাটি এসেছিল। আমরা এই দিনটিকে বিজয় দিবস বলি এই কারণে যে, আমরা এই দিনে আমাদের জাতীয় মুক্তি অর্জন করি। বর্বর পাকপবাহিনীর নয় মাসের বিরদ্ধে নয় মাসের এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের বিজয় অর্জনের মাধ্যমে আমরা এই দিনটি পেয়েছিলাম এবং পৃথিবীর বুক বাংলাদেশ নামে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের জন্ম হয়। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে আমাদের দেশের সাহসী ছেলেদের জীবন উৎসর্গ করেছে। তাঁরা আমাদের মুক্তিযুদ্ধের শহিদ। আমারা তাঁদের সাহসী যুদ্ধ এবং সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ জীবন উৎসর্গের ইন্যে গর্বিত। বিজয় দিবস একটি জাতীয় দিবস এবং প্রতিবছর আমার এই দিনটিকে সম্মান ও মর্যাদার সাথে পালন করি। সচরাচর আমি এই দিনটিকে ভাবাগম্ভীর্যের সাথে পালন করি। আমি শহিদদের বিদ্রোহী আত্মার জন্যে দোয়া করি। দেশের ভালো কিছু করার জন্য শহিদদের স্মৃতি আমাকে সবসময় উৎসাহিত করে। তাঁদের আত্মত্যাগ মাতৃভূমির মর্যাদা সম্বন্ধে আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়। এই বিজয় অন্যায় অত্যাচার ও মিথ্যার বিরুদ্ধে বিজয়ের প্রতীক।
4823 views
যানযট সমস্যা
পৃথিবীর অন্যতম জনবহুল দেশের মধ্যে বাংলাদেশ একটি। বিশ্বের গতি ও যান্ত্রিকতার সাথে তাল তাল মিলিয়ে তাই যানবাহন চড়তে হয় প্রতিনিয়ত। স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হলেও দ্রুত উন্নয়নের জন্য অধিকাংশ মানুষ বাড়ির বাইরে কর্মকে বেছে নিয়েছে, আমরা কেবল রাজধানী ঢাকার যনযটের দিকে তাকালেই এর ভয়বহতা সম্পর্কে সম্যক ধারণা লাভ কততে পারি। দেশের অনুন্নত সড়ক ব্যবস্থা, সড়কের তুলনায় গাড়ির সংখ্যা বেশি, চালকের অদক্ষতা ইত্যাদির কারণে যানযট বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ ছাড়া সারা বছর রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি, বিদ্যুৎ ও গ্যাস লাইন মেরামত, বিল্ডিং নির্মাণ, ফুটপাত বেদখল, গাড়ি পার্কিং এর জায়গা না থাকায় যানযট তীব্র আকার ধারণ করে। মহাসড়কগুলো থেকে ছোট গাড়ি অপসারণ, ফ্লাইওভার নির্মাণ, ওভারপাস, বাইলেন, পাতাল ট্রেন ব্যবস্থা করার মাধ্যমে এর তীব্রতা কমানো সম্ভব। এ সকল ব্যবস্থা বাস্তবায়নের মাধ্যমে কর্মচাঞ্চলতা বৃদ্ধি পাবে ও দেশের সত্যিকারের উন্নতি হবে।
4823 views

Related Questions