ইসলাম কেন নারীকে পর্দার বিধান দিয়েছে?
3 Answers
দামী জিনিস ঢেকেই রাখতে হয়। আপনার মতে নারীদের
পর্দার বিধান না থাকলে ভালো হতো, কিছু যিনাকারী/ধর্ষণকারী
এই শ্রেণীর ব্যাক্তিদের জন্য সুবিধা হতো। ধর্ষণ, অপহরণ, অবৈধ
সম্পর্ক চরম শিখরে পৌছাতো, এজন্যই ইসলাম ধর্মে নারী ও
পুরুষের পর্দার বিধান করা হয়েছে।
পর্দা শুধু নারীদের জন্য নয়, পুরুষের জন্যও।
মনে রাখবেন, নারী জাতি ভিন্ন গ্রহের কেউ নয় আপনার
আমার বা কারো না কারো মা-বোন সুতরাং তাদের সম্মানহানীর
মনমানসিকতা বাদ দিন।
একটু দৃষ্টান্ত দেখুন,
আমেরিকা ও সৌদি আরবের মধ্য, কোনদেশের নারীদের
সম্মান বেশি গড়ে..??
ভাই, ইসলামের প্রা সব বিধি-বিধান যুক্তির দ্বারা প্রবর্তিত হয় নি। বরং আল্লাহ তায়ালা যেভাবে কুরআন মাজিদ হুকুম বর্ণনা করেছেন বা হাদিসে যেভাবে বিধি-বিধান বর্ণিত হয়েছে, ঠিক সেভাবে আমাদেরকে মানতে হয়। এবং মুসলিম হিসেবে মানতে বাধ্য। এতে করে কোনোটা যুক্তির আওতায় পড়ে, আর কোনোটা যুক্তির আওতায় পড়ে না। তাহলে কি? যে বিধান যুক্তির আওতায় পড়ে না, সেটা আপনি মানবেন না। (না-য়ু-যু-বিল্লাহ) সুতরাং, যুক্তি দিয়ে ইসলামের বিধি-বিধানকে বিবেচনা করা যাবে না। সরাসরি মানতে হবে, তা যুক্তির আওতায় হোক বা না হোক। তবে, হ্যা, যদি কেউ কোনো বিধান মেনে, তার রহস্য বা যুক্তি জানতে চায়, তাহলে তা ভিন্ন কথা। আশাকরি বুঝেছেন। আর, যদি এরকম হয়, তাহলে উপরের উত্তরে যুক্তি দেওয়াই হয়েছে।
আমরা জানি পর্দা অর্থ গোপনীয়তা। সেই গোপনীয়তা শুধু নারী কেন পুরুষের ক্ষেত্রেও হয়।
মু'মিনদেরকে বল, তারা জেন তাদের দৃষ্টি সংযত করে ও লজ্জাস্থানের হিফাযাত করে,এটাই তাদের জন্য উত্তম। ওরা যা করে নিশ্চয়ই আল্লাহ সেই বিষয়ে সম্যক অবিহিত। [আন নূর-৩০]
প্রথমত পর্দা করতে হবে সেটা আল্লহর আদেশ, আল্লাহ বিনা করাণে আদেশ দেন নি সেটার বিছনে কিছু কারণ আছে।
তাই সূরা আন নূরের ৩১ নাম্বার আয়াতে বলা আছে- আর মুমিন নারীকে বল,তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে সংগত করে ও তাদের লজ্জাস্থান হিফাযত করে, তারা যেন যা সাধারণতঃ প্রশকাশ থাকে তা ব্যতীত তাদের আভরণ প্রদর্শন না করে, তাদের গ্রীমা ও বক্ষদেশ যেন মাথার কাপর দ্বারা আবৃত করে [এটা বলা হয়েছে কারণ তারা যদি এগুলো না করে তাহলে যিনা, ব্যভিচারে পৃথিবী ভরে যেত।]
জনাব! ইসলামি বিধান এটা না মানার কোন প্রশ্নই আসে না। আর আল্লাহ এটা করে ভুল কি কিছু করেছেন? অবশ্যই না পৃথিবীতে খারাপ লোকের অভাব নেই। নারীর দিকে কু-নজর দেওয়া ছাড়া এদের কোন কাজ নেই।
পর্দা না থাকলে পৃথিবী এমন সুন্দর হতো না। নারীদের দিকে কু-নজর দেওয়া বন্ধ করতেই এই ব্যবস্থা।
ইসলাম যিনা ব্যভিচার সমর্থন করে না। তাই যিনা ব্যভিচার বন্ধ করতে নারী,পুরুষ উভয়কে পর্দার আদেশ দিয়েছেন।
এখানে কাউকে ভোগ্যপণ্য প্রমাণ করা হচ্ছে না।