আমার ভেরিকোসিল সমস্যা আছে ও ধাতু দুর্বলতা বা মেহ রোগ কঠিন আকার ধারন করছে! চার বছর ধরে অনবরত চিকিৎসা নিয়ে যাচ্ছি কিন্তু ভালো হচ্ছি না। হস্তমৈথুন এখনো দুর্ঘটনা ক্রমে মাসে ১-২ অবার ৩-৫ বার ও হয়ে যায়। আমার লাইফ মনে হচ্ছে শেষ, আর মনে হয় ভালো হব না! এখন এ অবস্থায় আমার জন্য আপনার পরামর্শ টা কি???
3044 views

2 Answers

আপনি ভেঙ্গে পরবেন না। এই রোগগুলো আমাদের নিজেদের দোষ আর ভুলের কারনে হয়ে থাকে। যেমন: হস্তমৈথুন করা। এর ফলে আমাদের শরীরে অনেক সমস্যা দেখা দেয়। এই রোগ গুলো আমাদের শরীরে দীর্ঘ দিনের জন্য বাসা বাধে, খুব সহজে ছেড়ে যায় তা কিন্তু নয়। অনেক তপস্যার ফলে এই রোগ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।


তার জ্বলোন্ত প্রমান আমি নিজেই। এই রোগ ধরার পরে নিজে ভেঙ্গে পরেছি, কিছুই ভালো লগতো না। মাঝে মাঝে মনে হত আমার দ্বারা আর কোন কিছুই নম্ভব না।
কিন্তু আমি হাল ছাড়ি নি। সুস্থ হওয়ার জন্য  টানা ৩ বসর কঠর তপস্যা করে গেছি।
আর এর চিকিৎসা ছিলো সম্পুর্ন হোমিও। ঈশ্বরের কৃপায় এখন আমি সুস্থ।
নিরাস হবেন না। চিকিৎসা করুন আশা করি  সুস্থ হয়ে যাবেন। আর হ্যা যদি হস্তমৈথুন করার অভ্যাস থাকে খুব শিঘ্রই ছেড়ে দিন। খারাপ মন মানুসিকতা থাকলে তা পরিবর্তন করুন, নিজেকে সব সমায় ভালো কাজে ব্যাস্ত রাখুন দেখবেন আপনি সুস্থ হয়ে গেছেন।
আপনার সুস্থতা কামনা করছি। 
3044 views
আসলে আপনি অতিরিক্ত হস্তমৈথুন করেছিলে এবং তা ৪ বছর  স্থায়ী ছিলো আর এতো দিন হস্তমৈথুন করার কারনে আপনার অন্ডকোষ বীর্য তৈরি ঠিকি করে কিন্তু  বীর্যথলীতে বীর্য ধরে রাখার ক্ষমতা কমে গেছে ফলে  প্রসাবের সাথে বা পায়খানার   করার সাথে   বীর্যপাত হয়   এছাড়াও রাতে   লিঙ্গ সামান্য উত্তেজনায় ও রাতে ঘুমের ঘোড়ে বীর্যপাত হচ্ছে। যার প্রভাবে শরীর শুকিয়ে যাচ্ছে,মাথা ব্যথা করে সামান্য একটু বেশি কথা বললেই,বসে থেকে উঠলেই মাথা ঘোড়ে,শরীর দুর্বল লাগে ইত্যাদি সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। ইহা এক প্রকার রোগ বলতে পারেন যা হলো মেহ  অথবা ধাতুদূর্বলাতা যার কারণে আপনার এই সমস্যা ।
আপনি হস্তমৈথুন করা ছেড়ে দিন ।  পর্নোগ্রাফি দেখা বন্ধ করতে হবে এবং এ অবস্থায় যতই ঘন ঘন স্বপ্নদোষ হলেও    কোন সমস্যা নেই আর হস্তমৈথুন করার ইচ্ছা জাগলেও তা করবেন না তখন অন্য দিকে মনযোক দিবেন । এছাড়াও কিছু নিয়ম মেনে চলবেন প্রতিদিন যা হলো।
  1. হস্তমৈথুন করবেন না। ব্যায়াম করবেন। 
  2. লিঙ্গ উত্তেজিত হলে লিঙ্গে হাত দিবেন না। বা লিঙ্গ উত্তেজিত হলে হাটাহাটি করবেন। 
  3. একাই রাতে ঘুমাবেন না। 
  4. পর্নগ্রাফী দেখবেন না । 
  5. যৌন বিষায়ক চিন্তাভাবনা করবেন না। 
  6. বন্ধুত্ব পূর্ণ সুস্থ সুন্দর সম্পর্ক সৃষ্টি করবেন। 
  7. কোন পর্নগ্রাফী দেখবেন না শোয়ার আগে বা শোয়ার সময়। 
  8. ঢিলাঢালা পোশাক পড়বেন সব সময়। 
  9. টাইট আন্ডারওয়ার পরবেন না।  
  10. দুঃশ্চিন্তা কমাবেন ।  
  11. পর্যাপ্ত পরিমানে ঘুম ও বিশ্রাম নেবেন। 
  12. বেশি করে পানি পান করবেন। 
  13. সকালে খালিপেটে ইসুবগুলের ভুসির শর্বত খাবেন যা আগেই রাতে ভিজিয়ে রাখবেন।( অবশ্যই ভুসিটি  প্যাকেটজাত করা ক্রয় করবেন) 
  14. নিয়মিত স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর খাদ্যখাবেন। 
  15. আপনার smoking বা alcohol এর অভ্যাস থাকলে তা পরিহার করুন আস্তে আস্তে। 
  16. ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলুন।  
  17. রাতে বেশি পানি পান করবেন না। 
  18. শুধু বাম কাদ ও ডান কাদ হয়ে ঘুমাবেন। 
  19. লিঙ্গ বিছানার সাথে ঘসানোর চেস্ট করবেন না।  
  20. রাতে কম খাবার খাবেন খাবার খাওয়ার পর হাটাহাটি করুন। খাওয়ার সাথে সাথে ঘুমাতে যাবেন না। 
  21. ঘুমাতে যাবার আগে প্রস্রাব করে নিন। এবং ঘুমানোর আগে প্রস্রাবের চাপ আসলে প্রস্রাব করে নিবেন।  
  22. রাতে মাছ,মাংস,দুধ,শিদ্ধডিম খাবেন না। ইহা দুপুরবেলা খাবেন অবশ্যই । 
উপরোক্ত নিয়ম গুলো মেনে চলবেন । তবে যেহেতু এখন  মেহ রোগ হয়েছে তাই একজন হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারের চিকিৎসা নিবেন আর উপরোক্ত নিয়ম গুলো অবশ্যই মেনে চলবেন এবং হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারের চিকিৎসা গ্রহন করতে হবে। শুধু ঔষধ খাওয়ার মাধ্যমেই মেহ বা ধাতুদূর্বলাতা  থেকে  মুক্তি পাবেন না যদি উক্ত নিয়ম গুলো মেনে না চলেন।
আশা করি বুঝতে পারছেন।
ধন্যবাদ ।
3044 views

Related Questions