জর্ডান সম্পর্কে জান্তে চাই?
1 Answers
দেশ পরিচিতি : জর্ডান
রাষ্ট্রীয় নামঃ হাশেমি রাজতন্ত্র, জর্ডান (The Hashemite Kingdom of Jordan)।
রাজধানীঃ আম্মান।
রাষ্ট্রপ্রধানঃ বাদশাহ্
সংক্ষিপ্ত ইতিহাসঃ ১৯৪৬ সালের ২২শে মার্চ লন্ডনে স্বাক্ষরিত চুক্তি অনুযায়ী ব্রিটেন একটি সার্বভৌম স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে ট্রান্সজর্ডানকে স্বীকৃতি দেয়। ঐ বছর ২৫শে মে আমীর আব্দুল্লাহ্ রাজা উপাধি ধারণ করেন। তারপর ১৭ই জুন লন্ডন চুক্তিটি অনুমোদিত হয়। ১৯৪৯ সালে এ অঞ্চলের নাম হাশেমি রাজতন্ত্র জর্ডান রাখা হয়।
১৯৫৮ সালের ১৪ই ফেব্রুয়ারি ইরাক ও জর্ডানের সমবায়ে ‘আরব ফেডারেশন’ গঠিত হয়। কিন্তু ঐ বছর’১৪ই জুলাই ইরাকে বিপ্লবের ফলে ফেডারেশন বিলুপ্ত হয়ে যায়। ১৯৬৭ সালের জুন মাসে ইসরাঈলী সৈন্যরা পশ্চিম তীর দখল করে নেয়ার পর থেকে ফিলিস্তিনীদের এ অংশটি আর জর্ডান সরকারের প্রশাসনভুক্ত নয়। এ অঞ্চলের দাবি ফিলিস্তিনী মুক্তি সংস্থার (পিএলও) কাছে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।
আয়তনঃ জর্ডানের মোট আয়তন ৮৯,৫৪৪ বর্গকিলোমিটার।
জনসংখ্যাঃ ২০১৭ সালের হিসেব অনুযায়ী জর্ডানের জনসংখ্যা ৯.৭০২ মিলিয়ন। যাদের অধিকাংশ ফিলিস্তিনি মুসলমান।
ভৌগোলিক অবস্থানঃ জর্ডান এশিয়া মহাদেশের একটি দেশ। দেশটির চারপাশে রয়েছে সিরিয়া, ইরাক, সৌদি আরব, ফিলিস্তিন ও ইসরাঈল।
ধর্মঃ জর্ডানের ৮০% নাগরিক সুন্নী মুসলমান।
ভাষাঃ আরবি ও ইংরেজি প্রচলিত ভাষা।
জলবায়ুঃ দেশটিতে প্রধানত ভূমধ্যসাগরীয় জলবায়ু বিদ্যমান। গ্রীষ্মকালে জলবায়ু গরম ও শুষ্ক এবং শীতকালে ঠান্ডা ও আর্দ্র। দেশটির পাহাড়ী এলাকায় গ্রীষ্মকালেও ঠান্ডা, শীতকালে আরও প্রচন্ড শীত। সমতল এলাকায় গ্রীষ্মকালে প্রচন্ড গরম এবং শীতকালে শীতের তীব্রতা অনুভূত হয়। জানুয়ারি মাসে রাজধানী আম্মানের তাপমাত্রা ৪৬ ডিগ্রী ফারেনহাইট এবং জুলাই মাসে ৭৭ ডিগ্রী ফারেনহাইট পর্যন্ত ওঠানামা করে। বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ৩০.৪৮ সে.মি.।
মুদ্রাঃ জর্ডানী দিনার (জেডি)
সংবিধান ও সরকারঃ জর্ডানে রাজতান্ত্রিক সরকার বিদ্যমান। দুই কক্ষবিশিষ্ট পার্লামেনেটর উচ্চ কক্ষের সদস্য সংখ্যা ৮০। সদস্যরা জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হন। সিনেটের সদস্য সংখ্যা ৩০। সদস্যরা বাদশাহ কর্তৃক মনোনীত হন। মন্ত্রিপরিষদ তার কাজের জন্যে পার্লামেনেটর কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য।
যোগাযোগ ব্যবস্থাঃ দেশটির সড়ক পথের দৈর্ঘ্য ৫ হাজার ৯৫ কিলোমিটার, রেলপথ ৮শ’ ১৮ কিলোমিটার। জর্ডানে ৩টি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং একটি নৌ-বন্দর রয়েছে।
জীবন যাত্রাঃ ইউরোপ-আমেরিকার মত খোলামেলা।
শিল্পঃ জর্ডানে শিল্প প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সিমেন্ট, ইস্পাত, সার, জ্বালানি, ফসফেট, সিগারেট, বস্ত্র, পাদুকা, ব্যাটারি, প্লাস্টিক সামগ্রী, চামড়া দ্রব্য, ওষুধ, কসমেটিক প্রভৃতি প্রধান।
খনিজ সম্পদঃ জর্দানের খনিজ পদার্থের মধ্যে ফসফেট, পটাশ প্রভৃতি প্রধান।
কৃষিঃ দেশটির কৃষিপণ্যের মধ্যে জলপাই, টমেটো, গম, তামাক, ফলমূল প্রভৃতি প্রধান।
পর্যটনঃ ডেড সী (মৃত সাগর) ও রোমান সভ্যতার অনেক নিদর্শন এখনো টিকে থাকায় সারা বছর ইউরোপ ও আমেরিকা হতে প্রচুর পর্যটক জর্ডান ভ্রমণ করে।
বনজ সম্পদঃ ২০১১ সালের হিসেব অনুযায়ী জর্ডানের বনাঞ্চলের পরিমাণ ৮১ হাজার হেক্টর।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy