এক্ষেত্রে কি করা উচিত আমার!?
1 Answers
বিশুদ্ধ মতানুযায়ী নামাযে কিরাত পাঠগত কোন ভুল হলে এবং ভুলটা এমন পর্যায়ের হয় যে, তাতে নামাযের জন্য মারত্মক ক্ষতিকর (যেমন: এমন ভুল কিরাত পাঠ যা অর্থের মধ্যে বিকৃতি সাধন করে) এবং তা সঙ্গে সঙ্গে শুধরে নিলেও এতে নামায নষ্ট হয়ে যায়। অর্থাৎ নামায পুঃন পড়তে হয়। আর মারত্মক পর্যায়ের না হলে এতে নামাযের কোনরূপ সমস্যা হয় না। আর লোখ চক্ষুর লজ্জায় কোন বিধান ত্যাগ করা মারাত্মক গোনাহ। আপনার উচিত ছিল উক্ত ক্ষেত্রে নামায ছেড়ে দিয়ে পুঃন আদায় করা। তবে এতে কোনরূপ শিরক সংগঠিত হয় নি। কারণ শিরক বলা হয় মহান আল্লাহর সত্ত্বা ও বৈশিষ্টে কাউকে অংশিদার সাব্যস্ত করা। আর তা আপনার উক্ত কর্মকান্ডে অনুপস্থিত। -সহীহ মুসলিম; হা. নং ২৯৮৫, ফাতাওয়া কাযীখান ১/১৬৮ ও ১৫৩, ফাতাওয়া আলমগীরী ১/৮০ ও ৮১, হাশিয়াতুত তাহতাবী আলা মারাকিল ফালাহ পৃ.২৭৭, আদদুররুল মুখতার ১/৬৩০, শরহু ইবনু ওয়াহবান ১/৪৫, আল ফাতাওয়া আল-কামিলিয়্যা ফিল হাওয়াদিসিল তরাবুলুসিয়্যা পৃ. ১৩, ফাতাওয়া মাহমূদিয়া ১১/ ১৯৯ ও ২০৪
বি.দ্র. এ হুকুম তখনই প্রযোজ্য হবে, যখন ভুলের দিকটা মনের মাঝে বেশি প্রবল হয়। আর যদি সমান বা কম হয় তাহলে কোন সমস্যা নেই। আর আপনি ইমাম হয়ে থাকলে উক্ত নামাযের বিষয়টি মুসল্লিদেরকে অবহিত করা অবশ্যক অন্যথায় তাদের অনাদায়া এ নামাযের জন্য আপনার গোনাহ হবে।