2 Answers

শরীর ঝিম ঝিম করলে, কিংবা কোন কারণে শরীর খারাপ লাগলেই যে ডাক্তার এর কাছে দৌড়ে যেতে হবে এমন কোন কথা নেই। সামান্য কিছু শারীরিক দুর্বলতা আমরা চাইলেই ঘরে বসে ঠিক করতে পারি। এর জন্য প্রয়োজন স্বাস্থ্যসম্মত খাবারদাবার। যা আপনাকে কিছুটা হলেও সুস্থ করে তুলবে। চলুন তাহলে জেনে নিই ৪ টি ঘরোয়া উপায়। কলা কলার মধ্যে আছে প্রাকৃতিক চিনি, ফ্রুকটোস, গ্লুকোজ যা খুব দ্রুতই আমাদের দেহে শক্তি যোগায়। তাছাড়া কলাতে আছে পটাশিয়াম ও মিনারেলস উপাদান যা শক্তি বৃদ্ধি করে। কলার ফাইবার উপাদান আমাদের দেহের রক্তে গ্লুকোজ লেভেল নিয়ন্ত্রনে রাখে। যখনি শরীর খারাপ লাগবে তখন ১/২ কলা খেয়ে নিন। চাইলে জুস বানিয়েও খেতে পারেন। - শরীর ভাল রাখতে ও দুর্বলতাকে দূর করতে একটি পাকা কলার সাথে মধু মিশিয়ে পেস্ট করে খেতে পারেন। কাজুবাদাম কাজুবাদামে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ই , যা আমাদের শরীরে শক্তি বৃদ্ধি করে এবং শরীর দুর্বল হয়ে যাওয়ার লক্ষণগুলোর সাথে লড়াই করে আমাদের সুস্থ রাখে। - ২/৩ টি কাজুবাদাম, কয়েকটি কিশমিশ ও একটি ডুমুর সারারাত ভিজিয়ে রাখুন। সকালে পানি থেকে কাজুবাদাম, কিশমিশ ও ডুমুর আলাদা করে নিন এবং পানিটি পান করুন। সরিয়ে রাখা জিনিস গুলো পেস্ট করে খেয়ে ফেলুন। - আপনার সাথে সবসময় কিছু কাজুবাদাম রাখুন। যখনই কোন কারণে দুর্বল লাগবে তখনই কয়েকটি কাজুবাদাম খেয়ে নিন। দুধ শরীর সুস্থ রাখতে সবচেয়ে ভাল খাদ্য হল দুধ। নানা ধরণের স্বাস্থ্যকর ভিটামিনে ভরপুর দুধ আমাদের দেহের দুর্বলতা খুব স্ফজেই দূর করে। এবং দুধের ক্যালসিয়াম উপদান আমাদের দেহের হাড় মজবুত করে। - যখনই শরীর খারাপ লাগবে তখন ১ গ্লাস দুধের সাথে ১ চামচ মধু মিশিয়ে খান। - আপনি চাইলে দুধের মধ্যে ২/৩ ডুমুর ফল দিয়ে তা সেদ্ধ করে সেই দুধ খেতে পারেন। এই ডুমুর মিশ্রিত দুধ দেহের দুর্বলতা দূর করবে। শারীরিক দুর্বলতা দূর করতে এক গ্লাস গরম দুধের সাথে বাটার মিশিয়ে প্রতিদিন ২ বেলা খেতে পারেন। ডিম শারীরিক দুর্বলতা দূর করতে সবচেয়ে ভাল খাদ্য হল ডিম। ডিমে আছে প্রোটিন, আয়রন, ভিটামিন এ, ফলিক এসিড, রিবফ্লেভিন এবং পেন্টথেনিক এসিড। তাই দেহের সুস্থতায় প্রতিদিন একটি করে ডিম খান।

2723 views
বিভিন্ন কারণে শরীর দূর্বল হতে পারে।
প্রাথমিক ভাবে আপনি পুষ্টিকর ও সুষম খাবার গ্রহণ করুন।
শরীরের জন্যে পরিমিত পানি পান করুম। দুধ পান করুন।
নিয়মিত ৭-৮ ঘন্টা ঘুমানোর চেষ্টা করুন।
মাল্টিভিটামিন সাপ্লিমেন্টারী গ্রহণ করুতে পারেন। প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
2723 views

Related Questions