2 Answers
পশ্চিম বা উত্তর দিকে পা দিয়ে ঘুমানো নিষেধ—এমনটি হাদিস দ্বারা সাব্যস্ত হয়নি। এটি হারাম অথবা মাকরুহ অথবা অপছন্দনীয়—এমন কোনো বক্তব্য রাসূল (সা.)-এর হাদিসের মাধ্যমে অথবা ফিকর ওলামায়ে কেরামদের বক্তব্যের মাধ্যমে সাব্যস্ত হয়নি। সুতরাং যদি কেউ বলেন যে এটি গুনাহের কাজ, তাহলে ভুল কথা বলেছেন। পূর্ব-পশ্চিম সবটাই আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের সৃষ্টি এবং আল্লাহর বান্দা যেকোনো দিকেই পা দিয়ে ঘুমাতে পারেন। এটি জায়েজ রয়েছে।
আমাদের যেহেতু কেবলামুখী হয়ে সালাত আদায়ের কথা বলা হয়েছে; আল্লাহ রাব্বুল আলামিন কোরআনে কারিমের মধ্যে বলেছেন, ‘তোমরা তোমাদের চেহারাগুলোকে মসজিদুল হারামের দিকে ফিরিয়ে নাও।’ এই যে কেবলামুখী হতে আমাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, এটি কেবলার সম্মান করার জন্য। কোনোভাবেই ইমানদার ব্যক্তিদের জন্য জায়েজ নেই, কোনো আচরণের মাধ্যমে কেবলার অসম্মান ঘটাবে। যে কাজগুলো কেবলার অসম্মান ঘটায়, সে কাজগুলো করা হারাম, জায়েজ নেই। যেমন : কেবলার দিকে থুতু ফেলা, এটি রাসূল (সা.) নিষেধ করেছেন। এর মাধ্যমে অসম্মান হয়ে থাকে। কিন্তু পা দেওয়াটা অসম্মানের বিষয় নয়। কারণ, শুতে হলে কোনো দিকে তো পা দিতে হবে। প্রয়োজনে যেকোনো দিকে পা দেওয়া যাবে। কেবলার অসম্মানের সঙ্গে এটি জড়িত নয়। তাই কেউ যদি মনে করে থাকেন এটি কেবলার অসম্মান, তিনি আসলে এটি ভুল বুঝেছেন। এটি শুদ্ধ নয়, তাঁকে সংশোধন করতে হবে।
উত্তর প্রদান করেছেনঃ ড. মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ।
হানাফী মাযহাবে কেবলা তথা পশ্চিম দিকে পা দেয়া আদব পরিপন্থী ও মাকরুহে তাহরিমী।এবিষয়ে ফতোয়ায়ে আলমগীরীতে আছে, و يكره مد الرجلين إلى الكعبة فى النوم و غيره عمدا অর্থ, ইচ্ছে করে কা'বার দিকে পা দেয়া মাকরুহ। ৫/৩১৯ আল মুহিতুল বুরহানি ৮/১০ ফতোয়ায়ে মাহমুদিয়া ২৯/১৭৪
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy