কয় ধরনের সাইনোসাইটিস রয়েছে?

যেমন- Frontal,  Moxiliary এরকম আরও কয়ধরনের???
2856 views

1 Answers

সাইনুসাইটিস এবং সাইনাস দুটো আলাদা বিষয়।  মানুষের মাথার খুলির মুখমন্ডলীয় অংশে নাসাগহব্বরের নিচে দুপাশে চার জোড়া বিশেষ গহব্বর থাকে একে সাইনাস বলে, অনেকে প্যারানাসাল সাইনাসও বলে থাকেন। যেমন কপাল বরারবর মেয়েরা যেখানে টিপ পরে সেখান বরাবর ফ্রন্টাল সাইনাস,
ঠিক তার সামান্য নিচে থাকে স্ফেনয়েড সাইনাস, চোখ বরাবর দুপাশে থাকে এথময়েড(Ethmoid সাইনুসাইটিসের ক্ষেত্রে এথময়ডাল সাইনুসাইটিস হবে )  সাইনাস এবং নাকের ফাপা অংশ বরাবর দুপাশে থাকে ম্যাক্সিলারি সাইনাস। এগুলো গহব্বর এবং ডাক্টার বা বায়োলজি ভাষায় সাইনাস বলে। এই সাইনাস সাধারনত বায়ু পুর্ণ শুষ্ক বা কখনো সামান্য সিক্ত থাকে। কিন্তু কোন কারনে  পানি পুর্ন হলে যেমন এলার্জি জনিত, বা পরজীবী আক্রমন, ভাইরাস , ব্যাকটেরিয়া ইত্যাদি দ্বারা আক্রান্ত হলে মিউকাস পর্দায় প্রদাহ হয় তখন  প্রথমে পাতলা ওপরে ঘন মিউকাস ক্ষরন হয় সাথে মাথা ব্যাথা, কপাল ব্যাথা চোখের ভেতরের দুপাশে ব্যাথা ইত্যাদি উপসর্গ দেখা দেয়। এই জটিলতাকে বলা হয় সাইনুসাইটিস(অনেকটা সাইনুসাইটিস রোগ বলে ধরা হয়, আসলে রোগ না বলে ভাইরাস আক্রমনও বলে) ।


স্থায়িত্বের উপর ভিক্তি করে এই সাইনুসাইটিস দু প্রকার। যথাঃ Acute sinusitis (4-8 সপ্তাহ পর্যন্ত হতে পারে) ও   Chronic sinusitis (দু মাসের বেশি স্থায়িত্ব হতে পারে)। 
Streptococus pneumoniae, Haemophilus influenzae এদের আক্রমনে এই সাইনুসাইটিস হয়।

2856 views Answered

Next steps