দয়া করে এই প্রশ্নটি বন্ধ করবেন না
2995 views

7 Answers

আমরা যারা কম্পিউটার বা মোবাইলে ফেসবুক, টুইটার, জি-মেইল, ইন্সটাগ্রাম ইত্যাদি সোশ্যাল প্লাটফর্ম ব্যবহার করে থাকি, তারা প্রত্যেকেই পাসওয়ার্ড শব্দটির সঙ্গে পরিচিত। অ্যাকাউন্ট খোলার সময় পাসওয়ার্ড দিতে হয়। আর এই পাসওয়ার্ড দেয়ার সময় প্রায় সকলেই আমরা একটি ভুল করে থাকি। তা হলো, আমরা আমাদের নিজেদের নাম, জন্ম সাল ইত্যাদি পাসওয়ার্ড হিসেবে নিশ্চিন্তে বসিয়ে দেই। আর এটাই কাল হয়ে দাঁড়ায়। এর জন্যে আমাদের সকলের উচিত শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার এবং কিছু সতর্কতা অবলম্বন করা। পাসওয়ার্ড শক্তিশালী করার কিছু নিয়ম ► পাসওয়ার্ডে অন্তত আটটি অক্ষর বা তার চেয়ে বেশি অক্ষর ব্যবহার করা। ► ছোট-বড় অক্ষর, সংখ্যা, চিহ্নের সমন্বয়ে পাসওয়ার্ড তৈরি করা। ► পাসওয়ার্ডে বিশেষ কিছু চিহ্নের ব্যবহার ঘটানো, যেমন : #@+-% ইত্যাদি। ► সম্ভব হলে প্রতিমাসে একবার করে পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করা। ► Two-factor authentication চালু করে রাখা। পাসওয়ার্ড ব্যবহারের ক্ষেত্রে যা করা একদম উচিত নয় ► নিজের নাম, জন্ম তারিখ অথবা ১২৩৪৫৬ এসব ব্যবহার না করাই ভালো। ► পাসওয়ার্ডে নিজের ফোন নম্বর ব্যবহার না করা। ► খেয়াল রাখতে হবে নিজের ইউজার নেম আর পাসওয়ার্ড যেন কখনোই এক না হয়। ► ভিন্ন ভিন্ন অ্যাকাউন্টের জন্য ভিন্ন ভিন্ন পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা। ► ওয়েব ব্রাউজারের 'রিমেম্বার পাসওয়ার্ড' অপশনটি ব্যবহার না করা। ► নিজের পাসওয়ার্ড অনলাইনে বা অন্য কোনভাবে কারো সঙ্গে শেয়ার না করা। আরো কিছু টিপসঃ ► যে কারো পাঠানো লিঙ্ক না দেখে না বুঝে কখনো ক্লিক না করা। ► ব্রাউজারে ট্রাস্টেড প্লাগইন ছাড়া অন্য কোনো প্লাগইন ব্যবহার না করা। ► অটোলাইক বা অটোফলোয়ার না নেয়া। ► SignUp with facebook/google account এর মাধ্যমে পরিচিত বা নির্ভরযোগ্য সাইট ছাড়া অচেনা ও আজেবাজে সাইটে SignUp না করা। এই বিষয়গুলো মাথায় থাকলে অনেকাংশেই হ্যাকিং এড়ানো সম্ভব।

2995 views
হোম অনলাইন তথ্যপ্রযুক্তি হ্যাকিং থেকে নিরাপদ থাকার সহজ কৌশল
আমরা সবাই এখন 'হ্যাকিং'য়ের শঙ্কায় বেশ পেরেশানিতে থাকি। সবাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত রাখতে চাই।
যাতে করে বিনা অনুমতিতে অন্য কেউ নিজেদের অ্যাকাউন্টে ঢুকতে অথবা হ্যাক করতে না পারে। এই চিন্তা কেবল সোশ্যাল মিডিয়ার জন্যেই নয়, ই-মেইল বা অন্যান্য অনলাইন অ্যাকাউন্টের জন্যেও প্রযোজ্য। এসব অ্যাকাউন্টকে নিরাপদ রাখার কিছু সহজ কৌশল জেনে রাখা জরুরি। কারণ, 'হ্যাকিং হয়েছে' কথাটা আমরা একটু বেশিই শুনছি। আমরা যারা কম্পিউটার বা মোবাইলে ফেসবুক, টুইটার, জি-মেইল, ইন্সটাগ্রাম ইত্যাদি সোশ্যাল প্লাটফর্ম ব্যবহার করে থাকি, তারা প্রত্যেকেই পাসওয়ার্ড শব্দটির সঙ্গে পরিচিত। অ্যাকাউন্ট খোলার সময় পাসওয়ার্ড দিতে হয়। আর এই পাসওয়ার্ড দেয়ার সময় প্রায় সকলেই আমরা একটি ভুল করে থাকি। তা হলো, আমরা আমাদের নিজেদের নাম, জন্ম সাল ইত্যাদি পাসওয়ার্ড হিসেবে নিশ্চিন্তে বসিয়ে দেই। আর এটাই কাল হয়ে দাঁড়ায়।
এসব ক্ষেত্রে শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার না করলে যেকোনো সময় সাইবার ক্রাইমের শিকার হওয়ার ঝুঁকি থাকে। এর জন্যে আমাদের সকলের উচিত শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার এবং কিছু সতর্কতা অবলম্বন করা।
পাসওয়ার্ড শক্তিশালী করার কিছু নিয়ম
    • পাসওয়ার্ডে অন্তত আটটি অক্ষর বা তার চেয়ে বেশি অক্ষর ব্যবহার করা।
    • ছোট-বড় অক্ষর, সংখ্যা, চিহ্নের সমন্বয়ে পাসওয়ার্ড তৈরি করা।
    • পাসওয়ার্ডে বিশেষ কিছু চিহ্নের ব্যবহার ঘটানো, যেমন : #@+-% ইত্যাদি।
    • সম্ভব হলে প্রতিমাসে একবার করে পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করা।
    • Two-factor authentication চালু করে রাখা।
পাসওয়ার্ড ব্যবহারের ক্ষেত্রে যা করা একদম উচিত নয়
    • নিজের নাম, জন্ম তারিখ অথবা ১২৩৪৫৬ এসব ব্যবহার না করাই ভালো।
    • পাসওয়ার্ডে নিজের ফোন নম্বর ব্যবহার না করা।
    • খেয়াল রাখতে হবে নিজের ইউজার নেম আর পাসওয়ার্ড যেন কখনোই এক না হয়।
    • ভিন্ন ভিন্ন অ্যাকাউন্টের জন্য ভিন্ন ভিন্ন পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা।
• ওয়েব ব্রাউজারের 'রিমেম্বার পাসওয়ার্ড' অপশনটি ব্যবহার না করা।
    • নিজের পাসওয়ার্ড অনলাইনে বা অন্য কোনভাবে কারো সঙ্গে শেয়ার না করা।
আরো কিছু টিপস
    • যে কারো পাঠানো লিঙ্ক না দেখে না বুঝে কখনো ক্লিক না করা।
    • ব্রাউজারে ট্রাস্টেড প্লাগইন ছাড়া অন্য কোনো প্লাগইন ব্যবহার না করা।
    • অটোলাইক বা অটোফলোয়ার না নেয়া।
    • SignUp with facebook/google account এর মাধ্যমে পরিচিত বা নির্ভরযোগ্য সাইট ছাড়া অচেনা ও আজেবাজে সাইটে SignUp না করা।
এই বিষয়গুলো মাথায় থাকলে অনেকাংশেই হ্যাকিং এড়ানো সম্ভব।
তথ্যসূত্র কালের কণ্ঠ
2995 views

সংক্ষিপ্ত পাসওয়ার্ডের পরিবর্তে দীর্ঘ পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা।প্রয়োজনে প্রিয় বাক্য ব্যবহার করা।কেবল ছোট হাতের অক্ষর ব্যবহার না করে ছোট বড় একসাথে ব্যবহার করা।পাসওয়ার্ডের শক্তিমত্তা কম হলে বাড়িয়ে নওয়া।নিয়মিত পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করা।

2995 views

আপনি উল্লেখকরেন নাই,, কোন আইডি,,,,  হ্যাকিং থেকে রক্ষা পাইতে হলে আপনাকে কিছু নিয়ম মানতে হবে,,  ১, আপনি পাসওয়ার্ড গোপন রাখবেন, কাউকে বলবেন না, ২, পাসওয়ার্ড,  যেমন  chg259mইত্যাদি ব্যবহার করেন, ৩, যেকোন লিংকে যেতে হলে তা ভালো করে জেনে তারপর যাবেন,,  সব লিং  ক এ যাবেন না,, । 

2995 views

হ্যাকিং একটা দুঃখ জনক ব্যাপার।

শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার না করলে যেকোনো সময় সাইবার ক্রাইমের শিকার হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

এর জন্যে আমাদের সকলের উচিত শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার এবং কিছু সতর্কতা অবলম্বন করা।

পাসওয়ার্ড শক্তিশালী করার কিছু নিয়ম ► পাসওয়ার্ডে অন্তত আটটি অক্ষর বা তার চেয়ে বেশি অক্ষর ব্যবহার করা।

► ছোট-বড় অক্ষর, সংখ্যা, চিহ্নের সমন্বয়ে পাসওয়ার্ড তৈরি করা।

► পাসওয়ার্ডে বিশেষ কিছু চিহ্নের ব্যবহার ঘটানো, যেমন : #@+-% ইত্যাদি।

► সম্ভব হলে প্রতিমাসে একবার করে পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করা।

► Two-factor authentication চালু করে রাখা।

পাসওয়ার্ড ব্যবহারের ক্ষেত্রে যা করা একদম উচিত নয় ► নিজের নাম, জন্ম তারিখ অথবা ১২৩৪৫৬ এসব ব্যবহার না করাই ভালো।

► পাসওয়ার্ডে নিজের ফোন নম্বর ব্যবহার না করা।

► খেয়াল রাখতে হবে নিজের ইউজার নেম আর পাসওয়ার্ড যেন কখনোই এক না হয়।

► ভিন্ন ভিন্ন অ্যাকাউন্টের জন্য ভিন্ন ভিন্ন পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা।

► ওয়েব ব্রাউজারের রিমেম্বার পাসওয়ার্ড অপশনটি ব্যবহার না করা।

► নিজের পাসওয়ার্ড অনলাইনে বা অন্য কোনভাবে কারো সঙ্গে শেয়ার না করা।

আরো কিছু টিপস ► যে কারো পাঠানো লিঙ্ক না দেখে না বুঝে কখনো ক্লিক না করা।

► ব্রাউজারে ট্রাস্টেড প্লাগইন ছাড়া অন্য কোনো প্লাগইন ব্যবহার না করা।

► অটোলাইক বা অটোফলোয়ার না নেয়া।

► SignUp with facebook/google account এর মাধ্যমে পরিচিত বা নির্ভরযোগ্য সাইট ছাড়া অচেনা ওআজেবাজে সাইটে SignUp না করা।

এই বিষয়গুলো মাথায় থাকলে অনেকাংশেই হ্যাকিং এড়ানো সম্ভব।

2995 views

পাসওয়ার্ডে বিভিন্ন নেমোনিক ব্যবহার করুন।যেমন:@,#,* ইত্যাদি। পাসওয়ার্ড ইংরেজি-বাংলা মিশিয়ে করতে হবে অথবা বিভিন্ন প্রিয় বাক্য দিয়ে করতে হবে।অক্ষরগুলো ছোট-বড় হলে আরো ভালো,এতে পাসওয়ার্ড মজবুত ও শক্তিশালী হবে।যেমন:amarACHEwater।এতে হ্যাকিং থেকে নিরাপদ থাকা যাবে। পাসওয়ার্ডে এমন কোনো কিছু ব্যবহার করা যাবে,যা সহজে অন্যরা বুঝে ফেলতে পারে।নিজের নাম ব্যবহার করে পাসওয়ার্ড করা যাবে না।পাসওয়ার্ড অবশ্যই ৮ অক্ষরের বেশি হতে হবে।পাসওয়ার্ড কোনো জায়গায় যেমন ডায়েরিতে বা কাগজে রেফারেন্স হিসেবে লিখে রাখা যাবে না।

2995 views

হ্যাকিং থেকে বাঁচার কয়েকটি উপায়

কঠিন পাসওয়ার্ড:

যেকোনো অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটি কঠিন পাসওয়ার্ডের বিকল্প নেই। তবে কোন পাসওয়ার্ডটা সত্যিকার অর্থেই কঠিন তা বুঝে উঠতে পারেন না অনেকেই। আবার কঠিন পাসওয়ার্ড ব্যবহার করতে গিয়ে নিজেই নিজের পাসওয়ার্ড ভুলে যাবার ভয়ও আছে। ছোট হাতের-বড় হাতের অক্ষর, সংখ্যা ও সাইন মিলিয়ে আট বা তার বেশি অক্ষরের একটি পাসওয়ার্ডের হতে অ্যকাউন্টের নিরাপত্তার দায়িত্ব ছেড়ে দিতে পারেন ব্যবহারকারীরা। ফক্স নিউজের মতে, এধরনের পাসওয়ার্ডযুক্ত অ্যাকাউন্ট হ্যাক করতে বেগ পেতে হয় হ্যাকারদের।

তবে এক পাসওয়ার্ড সব অ্যাকাউন্টে ব্যবহার করা যাবেনা। প্রত্যেক অ্যাকাউন্টের জন্যই আলাদ আলাদা পাসওয়ার্ড ব্যবহারের উপদেশ ফক্স নিউজের।

২. নিরাপদ কানেকশন:

যেকোনো সংরেবদনশীল তথ্যধারী অ্যাকাউন্টে ঢোকার ক্ষেত্রে ব্যবহার করতে হবে বিশ্বস্ত কানেকশন ও ডিভাইস। তবে কাজের প্রয়োজনে বাইরের ডিভাইস থেকেও এসব অ্যাকাউন্টে লগ ইন করার প্রয়োজন হয়, ব্যবহার করতে হয় বাইরের ওয়াই-ফাই কানেকশন। এক্ষেত্রে ব্যবহার করতে হবে ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক (ভিপিএন) সার্ভিস। তবে কাজ শেষে বন্ধ করে নিতে হবে ভিপিএন সার্ভিস, কারণ ইন্টারনেটের গতি কমিয়ে দেয় সার্ভিসটি।

ল্যাপটপের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যেতে পারে ‘সাইবারঘোস্ট’ সফটওয়্যাটি, আর স্মার্টফোন বা ট্যাবলেট পিসির কজন্য আছে ‘হটস্পট শিল্ড ভিপিএন’ এবং ‘এভাস্ট সিকিউর লাইন ভিপিএন’। ব্যাঙ্কিং সার্ভিসের জন্য ব্যাঙ্কের নিজস্ব অ্যাপগুলো ব্যবহার করাই নিরাপদ।

৩. অ্যাকাউন্ট অ্যালার্ট:

পাসওয়ার্ড ছাড়াও বিভিন্ন অনলাইন সাইটে আছে টু-স্টেপ ভেরিফিকেশন বা টু স্টেপ অথেনটিকেশন সিস্টেম। এই সার্ভিসটি চালু থাকলে নতুন কোনো ডিভাইস থেকে অ্যাকাইন্টে ঢুকতে হলে পাসওয়ার্ড এর পাশাপাশি প্রয়োজন হবে ইমেইল কিংবা স্মার্টফোনে পাঠানো ভেরিফিকেশন কোড।

ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের বিভিন্ন তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যাঙ্কগুলো দিচ্ছে কয়েকটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এদের মধ্যে একটি এসএমএস অ্যালার্ট, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে যেকোনো লেনদেন হবার সঙ্গে সঙ্গে অ্যাকাউন্টের মালিকের মোবাইলে এসএমএস পাঠাবে ব্যাঙ্ক। এছাড়াও আছে চিপ অথেনটিকেশন প্রোগ্রাম (সিএপি) বা ডাইনামিক পাসকোড অথেনটিকেশন (ডিপিএ)।সিস্টেমটিতে প্রত্যেক ক্রেডিট কার্ডের সঙ্গে সংযুক্ত করা একটি বিশেষ কম্পিউটার চিপ, যা প্রতিবার কার্ডটি ব্যবহারের সময় নতুন পাসওয়ার্ড তৈরি করে সয়ংক্রিয়েভাবে।

৪. স্ক্যাম বা ফিশিং পরিহার:

ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ও ক্রেডিট কার্ডবিষয়ক তথ্য হাত করতে না পারলে ইমেইলের মাধ্যমে আক্রমণ চালায় হ্যাকাররা। বিভিন্ন ভুয়া প্রতিষ্ঠানের নামে লোভনীয় ইমেইল পাঠিয়ে ব্যবহারকারীদের ফাঁদে ফেলার চেষ্টা করে হ্যাকাররা। প্রায় সব ইমেইলগুলোতেই কিছু লিঙ্ক দেয়া হয়, যা দেখতে যাই হোক না কেন মুলত একটি তথ্যপাচারকারী সাইট। লিঙ্কগুলোতে ক্লিক করলেই হ্যাকাররা পেয়ে যায় ওই ব্যবহারকারীর ইউজার নেম, পাসওয়ার্ড ও অন্যান্য স্পর্শকাতর তথ্য। কোনো সত্যিকার প্রতিষ্ঠান কখনই এ ধরনের ইমেইল পাঠায় না, জানিয়েছে ফক্স নিউজ।

৫. সাবধানতা:

ব্যাঙ্ক বা অন্যান্য অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যবহারকারীকে একটু বেশি সাবধানতা অবলম্বন করার উপদেশ দেন বিশেষজ্ঞরা। অনেক সময়ই অ্যাকাউন্টের সাধারণ সমস্যাগুলো অবহেলা করেন ব্যবহারকারীরা, এটা করা যাবে না।

প্রত্যেক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ব্যবহারকারীর সকল তথ্য একটি নির্দিষ্ট স্থানে রাখা হয়, সাইবার অপরাধ জগতে যা ‘ফুলজ’ নামে পরিচিত। এই ফুলজ হাতিয়ে নিতে পারলে হ্যকাররা হাতিয়ে নিতে পারবে ওই ব্যবহারকারীর সকল অর্থ, নিতে পারলে ব্যাঙ্ক লোনও। একারণে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের ক্ষেত্রে যেকোন সন্দেহজনক লেনদেন পেলেই সঙ্গে সঙ্গে ব্যাঙ্ককে জানাতে হবে।

সূত্র : হ্যাকিং থেকে বাঁচার উপায়

2995 views

Related Questions