3 Answers
জৈব বস্তু থেকে কম্পোস্ট সার তৈরীর পদ্ধতি :
গর্তের গভীরতা হবে ৩ ফুট ও চওড়ায় ৫ ফুট। গর্তের নিচে প্লাস্টিক বিছিয়ে জল নিরোধক করতে হবে। প্রথম স্তরে খর , গোয়ালের আবর্জনা, তুষ, ছোট করে কাটা তরকারীর খোসা ইত্যাদি দিতে হবে দেড় ইঞ্চি পুরু করে। এর উপর ইঞ্চি ছয়েক পুরু করে গোবর, হাঁস-মুরগীর মল, সবুজ পাতা দিতে হবে। একদম উপরের স্তরে এক ইঞ্চি পুরু মাটির স্তর দিতে হবে। এই মাটির সঙ্গে সামান্য পরিমাণ সুপার ফসফেট মেশালে পচন ক্রিয়া দ্রুত হবে। এই তিনটি স্তর নিয়ে একটি ধাপ হয়। গর্তে এই রকম ৩টি ধাপ থাকবে। জৈব সারে ফসফেটের পরিমাণ বাড়াতে ফসফেট দ্রবনকারী ব্যকটেরিয়া (PSB) মেশালে ভালো ফল পাওয়া যায়।

2773 views
Answered
কম্পোস্ট তৈরি করতে লাগে খৈল, কাঠের গুঁড়া বা চালের কুঁড়া ও অর্ধপচা (ডিকম্পোজড) গোবর বা হাঁস-মুরগির বিষ্ঠা। এসব উপাদানের মিশ্রণ অনুপাত হবে ১:২:৪। তথ্যসূত্র এখানে
2773 views
Answered
পদ্ধতিটা ভালো করে দেখে নিন-
- সুবিধা অনুযায়ী বসত বাড়ীর আসে পাশে বা ক্ষেতের ধারে বা গর্ত প্রণালীতে কম্পোষ্ট সার তৈরি করা যায়। স্তূপ প্রণালীতেই সাধারণত এই সার তৈরি করা সহজ
- মাটির উপরে ৩মি দৈর্ঘ্য, ১.২৫ প্রস্থ ও ১.২৫ মিটার উঁচু গাদা তৈরি করতে পারেন।
- আধা শুকনা কচুরিপানা বা অন্যকোন আবর্জনা ফেলে ১৫ সে,মি পরু করে স্তর সাজাবেন।
- আবর্জনার উপর ২০০ গ্রাম ইউরিয়া ২০০ গ্রাম টিএসপি ছিটিয়ে দেবার পর স্তরের উপরিভাগ ২.৫-৫ সেঃমিঃ পরু করে গোবর ও কাদা/দো-আঁশ মাটির আস্তরণ দিন।
- ২.২৫ মিটার উঁচু না হওয়া পর্যন্ত একইভাবে ১৫ সেঃমিঃ পরু করে স্তর সাজানোর পর উক্ত নিয়ে সার মিশিয়ে তার ওপর গোবর ও কাদার আস্তরণ দিবেন।
- কাজ শেষ হলে চালা তৈরি করে দিন.তা সম্ভব না হলে লেপে দিন
- গা তৈরি শেষ হওয়ার ১ সপ্তাহ আগে একটা শক্ত কাঠি গাদার মধ্যে ঢুকিয়ে দিন।দেখুন ভেজা আছে কি না।
- অতিরিক্ত ভেজা থাকলে শক্ত কাঠি দিয়ে গাদার ওপরে ছিদ্র করতে হবে। যাতে বাতাস প্রবেশ করতে পারে।২-৩ দিন পর মাটি দিয়ে বন্ধ করে দিন।
- বেশি শুকিয়ে গেলে ছিদ্র করে পানি ঢুকিয়ে দিন। এবার যত তাড়াতাড়ি পচবে তত তাড়াতাড়ি সার তৈরি হবে।
2773 views
Answered