আমার বয়স ১৮ | আমার মুখে প্রচুর পরিমানে ব্রন হওয়ার কারনে ব্রনের দাগ সহ বুড়ো মানুষের মতো মুখ হালকা কুচকে গেছে |এ থেকে কিভাবে বাচঁতে পারি এবং আমার মুখ কিভাবে আগের মতো করতে পারি |প্লিজ প্রকৃতিক উপাদান কেউ সাজেস্ট করবেন না |
2951 views

3 Answers

আপনি ডার্মোভিট ব্যাবহার করুন।ডার্মোভিট দাগ তুলবে এবং আপনার আগের চেহারা আনতে সাহায্য করবে।আপনি সহজে নিজের চেহারাতে সুন্দর্য আনতে পারবেন শুধু ৮০/- খরচ করে। 

2951 views

বয়ঃসন্ধিকালে টেস্টোস্টেরন এর মত অ্যান্ড্রোজেন বৃদ্ধির ফলে ব্রণ হতে পারে। ত্বকের উপর তৈলাক্ত গ্রন্থির মাত্রার উপর ব্রণ হওয়া নির্ভর করে। ব্রণের অনেক ধরনের চিকিৎসা আছে। স্বল্প পরিমাণ কার্বোহাইড্রেট যেমন চিনি খাওয়া যেতে পারে। ঔষধের মধ্যে আছে: বেনজইল পারঅক্সাইড, অ্যান্টিবায়োটিক, রেটিনয়েড, হরমোন চিকিৎসা, স্যালিসাইলিক এসিড, আলফা হাইড্রক্সি এসিড, নিকোটিনামাইড, কেরাটোলাইটিক সাবান ইত্যাদি। সময়ের সাথে সাথে অধিকাংশ মানুষের ব্রণ কমে যায় এবং ২৫ বছরের মধ্যে একেবারে নির্মুল না হলেও একদমই কমে যায়। অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করলে ব্রণ বাড়ে। এছাড়াও আপনি দৈনিক তৈলাক্ত খাবার হতে নিজেকে বিরত রাখুন। আশা করি কাজ দেবে।

2951 views

কুচকে যাওয়া চামড়া স্বাভাবিক করতে নিচের টিপস ফলো করুন।-


চালের গুঁড়ো এবং পেঁপের মাস্ক

এই মাস্কটি তৈরি করতে প্রয়োজন হবে পাকা পেঁপে, চালের গুঁড়ো এবং মধু। প্রথমে একটি পরিষ্কার পাত্রে পাকা পেঁপে খুব ভালো করে চটকে নিতে হবে। তাতে এক টেবিল চামচ চালের গুঁড়ো নিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এবার এর সাথে ৩ টেবিল চামচ মধু দিয়ে খুব ভালো করে মিশিয়ে এই মাস্কটি পুরো মুখে লাগিয়ে রাখুন ২০ মিনিট। তারপর ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। পেঁপেতে থাকা পাপাইন নামক উপাদানটি ত্বকের ভাঁজ ও চামড়া ঝুলে পরা প্রতিরোধ করে।


ব্লুবেরি ও মধুর মাস্ক

ত্বকের ধরন ভালো করতে এবং বলিরেখা কমাতে ব্লুবেরি খুবই উপকারী। এক মুঠো ব্লুবেরি নিয়ে ব্লেন্ড করে একটি মসৃন পেস্ট তৈরি করুন। তারপর আগে সামান্য মধু দিয়ে পুরো মুখে মেখে নিয়ে তার উপর ব্লুবেরি পেস্ট লাগিয়ে ৩০ মিনিট রেখে কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকার ফলে নিয়মিত ব্যবহারে ত্বক হবে উজ্জ্বল এবং টান টান।


ডিম এবং অ্যালোভেরা ফেসপ্যাক

ত্বকের বুড়িয়ে যাওয়া প্রতিরোধে অ্যালোভেরা ও ডিম চমৎকার কাজ করে। ডিমের সাদা অংশ নিয়ে বিট করে এতে কিছুটা অ্যালোভেরার জেল মিশিয়ে আবার বিট করে মসৃণ আর ফ্লাপি একটা পেস্ট তৈরি করুন। তারপর একটি ব্রাশ দিয়ে মুখের নিচের দিক থেকে উপরের দিকে লাগান। মুখের প্যাকটি শুকিয়ে গেলে তুলা নিয়ে পানিতে ভিজিয়ে নিয়ে ঠিক আগের মতই নিচের দিক থেকে উপরের দিকে দিয়ে প্যাকটি তুলে ফেলুন। এটি মুখের শুষ্কতা, বলিরেখা, ত্বকের ভাঁজ দূর করে ত্বকের উজ্জলতা ও ইলাস্টিসিটি ফিরিয়ে আনবে।


কলা এবং হুইপক্রিম

যেকোনো ধরনের ত্বকের জন্য কলা হচ্ছে চমৎকার একটি মাস্ক। তাই এই মাস্কটি তৈরি করার জন্য আপনার প্রয়োজন হবে কলা এবং হুইপ ক্রিম। কলা চটকে নিতে হুইপ ক্রিমের সাথে মিশিয়ে নিতে হবে। আপনি চাইলে এর সাথে একটি ভিটামিন ই ক্যাপসুল মিশিয়ে নিতে পারেন ত্বকের জন্য প্যাকটিকে শক্তিশালী করতে। পুরো মুখে এটা লাগিয়ে শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। তারপর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। প্রাকৃতিক ভাবেই আপনার ত্বককে করবে পুনর্গঠিত এই ঘরোয়া মাস্কটি।


শশা এবং ডিমের সাদা অংশ

এই প্যাকটি তৈরি করতে আপনার প্রয়োজন হবে ঠাণ্ডা শশা ও ডিমের সাদা অংশ। প্রথমে কিছুটা শশা নিয়ে খোসা ফেলে দিয়ে ব্লেন্ড করতে হবে মসৃণ না হওয়া পর্যন্ত তারপর এর সাথে একটি ডিমের সাদা অংশ এবং ১ চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে মুখের নিচের অংশ থেকে উপরের দিকে অর্থাৎ থুতনির নিচ থেকে গালের উপরের দিকে ম্যাসেজ করুন কিছুক্ষন এবং ২০ মিনিট রেখে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি আপনার মুখের ঝুলে যাওয়া ত্বককে দৃঢ় করতে সাহায্য করবে।


এই প্যাকগুলো ব্যবহার করার সাথে সাথে নিয়মিত ভাবে অলিভ অয়েল বা অন্য যেকোনো ভিটামিন ই সমৃদ্ধ তেল দিয়ে মুখে ম্যাসেজ করুন। তবে অবশ্যই সঠিক পদ্ধতিতে ম্যাসেজ করবেন তা নাহলে বিপরীত ফল হতে পারে। সঠিক ভাবে এই মাস্কগুলোর ব্যবহারের মাধ্যমেই আপনি পেতে পারেন আপনার কাঙ্ক্ষিত নিখুঁত ও টান টান ত্বক। নিয়মিত ব্যবহারে আপনিও হয়ে উঠতে পারেন বলিরেখা মুক্ত তারুণ্য উজ্জ্বল ত্বকের অধিকারী।

2951 views

Related Questions