পায়ের এই চুলকানীর সমাধান কী?

বয়স ১৮। আমার ডান পায়ের পেছনে গোড়ালি হতে প্রায় ৭ ইঞ্চি ওপরের এ অংশটিতে ২ বছর ধরে চুলকায়। চুলকালে জায়গাটা সাদাটে হয়ে যায় এবং শুষ্ক দেখায়। পরিচ্ছন্ন থাকার চেস্টা করি কিন্তু এটি হতে মুক্তি পাচ্ছি না। পেভিসোন ক্রিম লাগিয়েও উপকার পাই নি। এখন আমার ভয় হচ্ছে এটা নিয়ে। এটা কী দাদ বা বিখাউজ টাইপের কিছু? এর থেকে কিভাবে মুক্তি পেতে পারি? দয়া করে অভিজ্ঞরা আমাকে পরামর্শ দিন
2533 views

2 Answers

আপনি ফাংগিসন ক্রিম ব্যবহার করে দেখুন দুই দিনেই ভালো রেজাল্ট পাবেন।   সাথে কিছু   ঘড়োয়া  উপায় জেনে নিন।

image
. রসুন:
এতে রয়েছে অ্যাজুইনা নামে এক ধরনের প্রাকৃতিক অ্যান্টি-ফাঙ্গাল উপাদান, যা যে কোনো ধরনের ফাঙ্গাল ইনফেকশন কমাতে দারুন কাজে লাগে। তাই তো রিং ওয়ার্মের ক্ষেত্রেও এই সবজিটি দারুন উপকারে লাগে। এক্ষেত্রে অল্প করে রসুনের কোয়া নিয়ে সেগুলিকে ছোট ছোট করে কেটে নিন। তারপর সেগুলিকে দাদের উপর রাখুন এবং ব্যান্ডেজ দিয়ে বেঁধে দিন। এমনটা সারা রাত রাখলেই দেখবেন ফল পেতে শুরু করেছেন। প্রসঙ্গত, রসুনের কোয়ার পেস্ট বানিয়ে ক্ষত স্থানে লাগালেও সমান উপকার পাওয়া যায়।
image
. হলুদ:
এতে রয়েছে বিপুল মাত্রায় অ্যান্টি-বায়োটিক প্রপাটিজ, যা এই ধরনের সংক্রমণের প্রকোপ কমাতে দারুন কাজে আসে। এক্ষেত্রে প্রথমে অল্প করে হলুদ জল বানিয়ে নিন। তারপর তাতে তুলে চুবিয়ে যে যে জায়গায় দাদ হয়েছে, সেখানে আলতে করে লাগাতে থাকুন। প্রসঙ্গত, দিনে কমে করে ৩ বার এমনটা করলে রোগ সেরে যেতে শুরু করবে দেখবেন।
image
  সরষে বীজ:
আকারে ক্ষুদ্র হলে কী হবে। এমন ধরনের রোগের প্রকোপ কমাতে সরষে বীজের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। পরিমাণ মতো সরষে বীজ নিয়ে কম করে ৩০ মিনিট জলে ভিজিয়ে রাখুন। সময় হয়ে গেলে সরষে বীজগুলো সংগ্রহ করে বেটে নিন। তারপর সেই পেস্টটা ক্ষত স্থানে লাগান। এমনটা কয়েক দিন করলেই মিলবে সুরাহা।
2533 views Answered

ত্বকের চুলকানি দূর করার উপায়।

১। নারকেল তেল

নারকেল তেল ত্বকে ব্যবহারের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ পণ্য। যে কোন প্রকার চুলকানি, পোকার কামড় বা অন্য কোন কারণে ত্বকে চুলকানি হলে যেখানে চুলকাবে সেখানে নারকেল তেল দিয়ে দিন। যদি সম্পূর্ণ শরীরে চুলকানি হয় তবে পুরো শরীরে নারকেল তেল মাখতে পারেন। কুসুম গরম পানিতে নারকেল তেল মিশিয়ে গোসলও করে ফেলতে পারেন।

২। পেট্রোলিয়াম জেলি

যদি আপনি সেনসিটিভ ত্বকের অধিকারী হন তবে পেট্রোলিয়াম জেলি ব্যবহার করতে পারেন। এর কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। শরীরের কোন অংশে চুলকানি হলে আপনি পেট্রোলিয়াম জেলি ব্যবহার করতে পারেন। এটি সবার ঘরেই থাকে, ফলে যেকোন সময়ই আপনি এটি ব্যবহার করতে পারবেন।

৩। বেকিং সোডা

চুলকানি প্রতিরোধে বেকিং সোডা অনেক বেশি কার্যকরী। পানি ও বেকিং সোডা দিয়ে পেষ্ট তৈরি করে নিন। এক অংশ পানির মধ্যে ৩ অংশ বেকিং সোডা দিতে হবে। তারপর চুলকানির জায়গায় এই পেষ্ট লাগান। দেখবেন চুলকানি অনেক কমে গেছে। বেকিং সোডা দিয়ে গোসলও করতে পারেন। এক্ষেত্রে বড় এক বালতি পানিতে ১/২ কাপ বেকিং সোডা মেশাতে হবে। বেকিং সোডা মেশানো পানিতে কমপক্ষে ৩০ মিনিট শরীর ভিজিয়ে রাখার পর শরীর পানি দিয়ে না ধুয়ে শুকিয়ে ফেলতে হবে। এতে পুরো শরীরের চুলকানি দূর হয়ে যাবে।

৪। অ্যালোভেরা

সৌন্দর্য চর্চায় অ্যালোভরার উপকারিতার কথা আমাদের সবার জানা। চুলকানি প্রতিরোধ করতেও অ্যালোভরার অনেক কার্যকরী। একটি তাজা অ্যালোভেরা পাতা থেকে রস বের করে চুলকানির স্থানে লাগান। চুলকানি দ্রুত কমে যাবে।

৫। লেবু

ভিটামিন সি সমৃদ্ধি লেবুতে আছে ব্লিচিং উপাদান যা ত্বকের চুলকানি রোধ করে থাকে। ত্বকের যে স্থানে চুলকানি অনুভূত হচ্ছে সেস্থানে লেবুর রস লাগিয়ে শুকিয়ে নিন। কিছুক্ষণের মধ্যে দেখবেন চুলকানি গায়েব।

2533 views Answered

Related Questions