ইমাম হওয়ার জন্য কি কি জোগ্যতা দরকার?
4 Answers
এমন হলে ইমামতী করা অনুচিত । কেননা উনি একা সালাত আদায় করছেন না । উতার পেছনে আরও অনেকে সালাত আদায় করছেন । ইমামের উচিত হবে ভালোভাবে মাখরাজ শিখে নেয়া ও প্রাণপন চেষ্টা করা । সূরা মুযযাম্মিলের ৪ নং আয়াতে আল্লাহ শুদ্ধ করে কুরআন তিলাওয়াত করতে বলেছেন । আর ইমাম হওয়ার জন্য লাগে, জ্ঞান ও জ্ঞানের প্রয়োগ । অর্থাত ইমামকে জানতে হবে কোনটা ভালো আর কোনটা খারাপ এবং সেই অনুযায়ী চলতে হবে ।
না। এর জন্য ইমাম হওয়া আবশ্যক নয়। নামাজে ইমামতি করতে গেলে আসল স্তম্ভ হলো তারতীল সহকারে কুরআন তেলাওয়াত করা। আর ভালোভাবে কুরআন তেলাওয়াত করতে না পারলে যার কুরআন তেলাওয়াত সহীহ আছে তাকে ইমামতির দায়িত্ব দিতে হবে।
যাবে।তবে যদি কখনো এমন ব্যক্তি আপনার পিছনে নামাজ পড়ে যার ক্বেরাত শুদ্ধ আর আপনার এমন ভুল হয় যা নামাজ ভঙ্গের কারণ তাহলে সকলের নামাজ ভেঙ্গে যাবে।
কে ইমাম হওয়ার যোগ্য এ প্রসঙ্গে আওস ইবনু যামআজ (রাহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি আবু মাসউদ আনসারী (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কুরাআন বেশি ভাল পড়তে জানে সে লোকদের ইমামতি করবে। যদি কুরআন পাঠে সবাই সমান হয়, তাহলে যে ব্যক্তি বেশি হাদীস সুন্নাহ জানে। যদি সুন্নাহর বেলায়ও সবাই সমান হয়, তাহলে যে ব্যক্তি প্রথম হিজরত করেছে। যদি এ ব্যাপারেও সবাই সমান হয়, তাহলে যে ব্যক্তি বয়সে বড়। কোন ব্যক্তি যেন অন্যের অধিকার ও প্রভাবিত এলাকায় তার সম্মতি ছাড়া ইমামতি না করে এবং তার অনুমতি ছাড়া তার বাড়িতে তার নির্দিষ্ট আসনে না বসে। এ হাদীসের আলোকে বিদ্বানগণ বলেছেন, যে ব্যক্তি কুরআন ও হাদীসে বেশি জ্ঞানী, সে-ই লোকদের ইমামতি করার বেশি হকদার। তারা আরো বলেছেন, বাড়ির মালিক ইমামতি করার ব্যাপারে বেশি হকদার। কিছু বিশেষজ্ঞ বলেছেন, বাড়ির মালিকের সম্মতি বলে যে কেউ ইমামতি করতে পারে। কিন্তু অনেকে এটা পছন্দ করেননি। তারা বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণীঃ অন্যের অধিকার ও প্রভাবিত এলাকায় কেউ যেন ইমামতি না করে এবং তার সম্মানের আসনে তার সম্মতি ছাড়া না বসে –এখানে বসার সম্মতি দিলে তার মধ্যে ইমামতি করার আজ্ঞাও নিহিত রয়েছে। অনুমতি সাপেক্ষে ইমামতি করতেও দোষ নেই। ইমাম সাহেবের কোরআন তেলায়াতে মাখরাজ উচ্চারনে ভুল থাকলে এতে ইমামতি করা যাবে না।