2 Answers
অনেক গুলি লাল সবুজ জমিনে ছুপ ছাপ মানচিত্র এঁকেছিল,
অনেকগুলি নীল সাড়ে সাত কোটি বাঙালীর উপর ভর করেছিল,
তাই অনেক গুলি খোকা মায়ের কাছে শপথ করেছিল;
অনেক পুরুষ তাদের প্রিয়তমাকে দিয়েছিল কথা
অনাগত সন্তান তাদের স্বাধীন ভূমিতে উঁচু করে মাথা
মায়ের ভাষায় বলবে খেলবে পড়বে শান্তির আবাস পাবে
শকুনের রক্তাক্ত ঠোকরে ব্যথা ভরা অনুভবে ,
মরার মতন বাঁচা বাঁচবে না কোন বাঙালী আর।
তারপর শুরু হলো রক্তাক্ত ইতিহাস রক্ত রক্ত খেলা
সেই যে তরুণ কিশোর সেও বুকে বেঁধে মাইন উড়িয়ে দিয়েছে রনতরী ট্যাংক
হাতে তুলে নিয়েছে অস্ত্র মাথায় বেঁধেছে রুমাল বুকে তার লাল সবুজ পতাকা
মনে স্বপ্ন স্বাধীন সোনার বাঙলা যেখানে থাকবে না ভেদাভেদ অত্যাচার
যেখানে শান্তির পাখিরা উড়বে থাকবে না কোন হায়েনা হানাদার।
অনেক সবুজ হলো লাল ,অনেকে সন্তানহারা স্বামীহারা সবহারা;
অনেক আগুনের কুন্ডলী হলো অনেক প্রতীক্ষা গেল রাত্রি পোহাবার,
কতজনে সম্ভ্রম হারালো কতজনের তীব্র আর্তনাদ প্রিয় হারার।
কত কত গান হলো, বিজয়ের কত নদী রক্ত হলো ,কত শত শ্লোগান হলো
এমন করেই হয়ে গেল ইতিহাস ধরনীর পরে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবার।
একটি পতাকা হলো লাল সবুজ ,একটি মানচিত্র পেলাম জয় হলো চেতনার;
স্বাধীন বাংলা গর্বিত জননী শৃঙ্খল ভেঙেছে পরাধীনতার।
উনিশশত একাত্তর ষোলই ডিসেম্বর মহেন্দ্র ক্ষণ সেই
সেদিন থেকে দুঃখ কাড়িগর পাক হানাদার নেই।
এমন মহান দিনে শপথ যেন করি সকল বাঙালী মনে প্রাণে
বাঁচবো সবাই সুখে ,হবে না কোন সন্তান হারার আর্তনাদ এইখানে।
আর নয় অস্ত্রের ঝণঝণানি ; আর নয় রক্তু চক্ষু অশ্লীল কোন বানী।
যে বাঙালী বাংলাভাষায় অশুভন উক্তি করে
সে ভালবাসেনা স্বদেশ তাই মাতৃভাষারে অপমান করে।
তাই হুশিয়ার সাবধান ;
কোন বাঙালী যেন না করে আর বাংলাভাষার অপমান।
বিজয়ের এমন দিনে এই করবো পণ ;
সকল মানুষ মিলেমিশে গড়বো সুখী সমৃদ্ধ ক্ষণ।
------------------------------------
বিজয়ের এই দিনে বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিক শান্তি ও সমৃদ্ধি লাভ করুক। স্বাধীনতার মন্ত্রে সবাই দীক্ষিত হোক।সকল নৈরাজ্য রক্তপাত বন্ধ হোক। সত্যিকারের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা লাভ করুক। স্বাধীনতার চেতনা সবার মনে পরিপূর্ণভাবে বিকশিত হোক।বাংলার ঘরে ঘরে উৎসব মুখর পরিবেশ সৃষ্টি হোক। বাঙালী প্রাণ ভরে এই মহান বিজয় দিবস উদযাপন করুক। ত্রিশ লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত এই স্বাধীনতা মহান।যাদের ত্যাগ তিতিক্ষা সরাসরি যুদ্ধ অংশগ্রহণের মাধ্যমে এই বিরাট বিজয়। তাদের সবার প্রতি রইলো শ্রদ্ধাঞ্জলী । আর যারা আজও স্বাধীনতার চেতনাকে প্রতিটি বাঙালীর মনে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন সেই সম্মানিত ব্লগার বৃন্দ তাদের প্রতি রইলো প্রাণঢালা অভিনন্দন আর বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা ।
মহান বিজয় দিবস এর একটি বিশেষ কবিতা " আমাদের বিজয় " —কবি-নূর.মেহেদী.আল-আমিন৷ ★★★★★★ একাত্তরে ডিসেম্বর ষোল তারিখ বিকেলে৷ খুশীর অশ্রু ঝড়ে পরলো দুঃখী মায়ের কপলে৷ আজ যেন গো সুখের কাঁন্না আসলো দু'চোখেতে৷ একটু হাঁসি ফুটল যেন বাংলা মায়ের মুখেতে৷ ত্রিশ লক্ষ প্রাণের.দামে এই হাঁসিটি কেনা৷ আরো কত ইজ্জত সম্মান. তার কাছে আছে দেনা ৷ কত জনে ভাই হাড়াল কেউবা আবার ছেলে৷ কেউবা আবার বোন হাড়াল কেউবা গেল জেলে৷ এতো দুঃখ সবই যেন গেছি আজ ভুলে ৷ স্বাধীন দেশের পতাকা টা হাতে নিয়ে তুলে৷ সব পেয়েছি, সব পেয়েছি ,পাইনি তবু কিছু৷ অসহায় মানুষ গুলো র মাথা যে আজ নিচু৷ তবুও আজ স্বাধীন মোরা এই কি স্বাধীনতা ৷ একতা আর ঐক্যের কাছে কেন নিরবতা৷ হিংসা নিন্দা, পরচর্চায় রয়েছি আজ মেতে৷ দেশের কথা দশের কথা হচ্ছে ভূলে যেতে ৷ এভাবে আর কত কাল চলবে রাত্রী দিন৷ স্বাধীন দেশে থেকেও যেন আজ যে পরাধীন ৷ কবে বল কেটে যাবে আমাদের সব ভয় ৷ আসবে কবে এই দেশেতে সত্যি কারের বিজয়৷ ঘুচে যাবে সকল দুঃখ ফুটবে মুখে হাঁসি ৷ সেই দিন বলব সবাই একই সুরে, ,,,, >>>>>>আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভাল বাসি৷