ছবি তোলা সম্পর্কে?
4 Answers
হাদিসে এই সম্পর্কে কোন আলোচনা করা নেই তবে আপনার ছবি যদি আপনার ঘরে ডেয়ালে বাধিয়ে রাখেন তাহলে প্রচন্ড গোনাহ হবে ।
حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مُوسَى الأَنْصَارِيُّ، حَدَّثَنَا مَعْنٌ، حَدَّثَنَا مَالِكٌ، عَنْ أَبِي النَّضْرِ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ، أَنَّهُ دَخَلَ عَلَى أَبِي طَلْحَةَ الأَنْصَارِيِّ يَعُودُهُ . قَالَ فَوَجَدْتُ عِنْدَهُ سَهْلَ بْنَ حُنَيْفٍ . قَالَ فَدَعَا أَبُو طَلْحَةَ إِنْسَانًا يَنْزِعُ نَمَطًا تَحْتَهُ فَقَالَ لَهُ سَهْلٌ لِمَ تَنْزِعُهُ فَقَالَ لأَنَّ فِيهِ تَصَاوِيرَ وَقَدْ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم مَا قَدْ عَلِمْتَ . قَالَ سَهْلٌ أَوَلَمْ يَقُلْ " إِلاَّ مَا كَانَ رَقْمًا فِي ثَوْبٍ " فَقَالَ بَلَى وَلَكِنَّهُ أَطْيَبُ لِنَفْسِي . قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ . উবাইদুল্লাহ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু উতবা (রাঃ) তিনি (অসুস্থ) আবূ তালহা আনসারী (রাঃ)-কে দেখতে যান। বর্ণনাকারী বলেন, আমি সেখানে সাহ্ল ইবনু হুনাইফ (রাঃ)-কেও উপস্থিত পেলাম। তিনি আরও বলেন, আবূ তালহা (রাঃ) একজনকে ডাকেন নিচের চাদর সরানোর জন্য। সাহ্ল (রাঃ) তাকে বললেন, কেন চাদর সরাবেন? তিনি বললেন, তাতে ছবি আঁকা আছে। আর রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এ সম্পর্কে যা বলেছেন তা তো তুমি জান। সাহল (রাঃ) বললেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কি এ কথা বলেননি, “কিন্তু পোশাকে অল্প পরিমাণ অঙ্কিত কারুকার্য থাকলে কোন সমস্যা নেই?” আবূ তালহা (রাঃ) বললেন, হ্যাঁ। কিন্তু উহাই (ছবি সরিয়ে ফেলা) আমার জন্য উত্তম। সহীহ্, গাইয়াতুল মারাম (১৩৪) সুনানে আন-নাসায়ী, হাদিস নং ১৭৫০ হাদিসের মান: সহিহ হাদিস। তাই ছবি না ওঠাই ভালো।
ফাতাওয়া আরকানুল ইসলামঃ ❖ যে ঘরে ছবি রয়েছে, সে ঘরে রহমতের ফেরেশতা প্রবেশ করে না। (বুখারী) স্মৃতি স্বরূপ কারও ছবি যত্ন করে রেখে দেয়া জায়েয নেই। চাই সেই ছবি দেয়ালে ঝুলন্ত থাকুক কিংবা এ্যালবামের ভিতরে সংরক্ষিত থাকুক অথবা অন্য কোন স্থানে থাকুক। কারণ ঘরের মধ্যে ছবি থাকলে ঘরের মালিক রহমতের ফেরেশতাদের প্রবেশ থেকে বঞ্চিত হবে। ❖ অনেকেই বলেছেন, ক্যামেরার মাধ্যমে ছবি তোলাতে কোন অসুবিধা নেই। কারণ এ জন্য হাতে কোন প্রকার কাজ করতে হয়না। এভাবে ছবি উঠালে নিষেধের অন্তর্ভুক্ত হবে না। তবে প্রশ্ন এই যে, ছবি তোলার উদ্দেশ্য কি? উদ্দেশ্য যদি হয় ছবিকে সম্মান করা, তা হলে হারাম হবে। কারণ নিষিদ্ধ উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য মাধ্যম ও উপকরণ ব্যবহার করাও হারাম। তাই স্মৃতি সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে ছবি সংগ্রহ করা নিষেধ। ❖ উত্তম কাজ হলোঃ যার কাছে এ রকম ছবি রয়েছে, তার উচিৎ এগুলো নষ্ট করে দেয়া। চাই সেই ছবি দেয়ালে ঝুলন্ত থাকুক কিংবা এ্যালবামের ভিতরে মোবাইল অথবা যে কোন যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে সংরক্ষিত থাকুক।
হাঁ সেটা (কবিরা) গুনাহে জারিয়া হবে। হাদীসে এসেছে- কিয়ামতের দিন সবচেয়ে কঠিন শাস্তি হবে ছবি অঙ্কনকারীর। -সহীহ বুখারী: হা. নং ৫৯৫০
হাদীসটির আরবী এই-
عَنْ مُسْلِمٍ قَالَ كُنَّا مَعَ مَسْرُوقٍ فِي دَارِ يَسَارِ بْنِ نُمَيْرٍ فَرَأَى فِي صُفَّتِهِ تَمَاثِيلَ فَقَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ قَالَ سَمِعْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ إِنَّ أَشَدَّ النَّاسِ عَذَابًا عِنْدَ اللَّهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ الْمُصَوِّرُونَ
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy