3 Answers

এ্যাজমায় আক্রান্ত হলে ফুসফুসের বায়ুবাহী নালীসমূহ অত্যাধিক সংবেদনশীল (Hyper active) হয়ে যায় এবং সহজে ফুটে ওঠে ও প্রদাহিত হয়। ফলশ্রুতিতে বায়ু চলাচল বাধাগ্রস্ত হয়। শ্বাস-প্রশ্বাস বেঁচে থাকার জন্য অত্যন্ত জরুরি যা দেহের কোষ ও কলায় পরিমিত অক্সিজেন সরবরাহ করে এবং অতিরিক্ত কার্বন ডাই-অক্সাইড বের করে দেয়। বায়ুমন্ডলীয় অক্সিজেন নিঃশ্বাসের মাধ্যমে শ্বসনতন্ত্রের শ্বাসনালী (Trachea), ব্রঙ্কাই (Bronchi) ও ব্রঙ্কিওল (Bronchiole) পেরিয়ে সব শেষ এলভিওলাই (Alveoli) বা বায়ু কুঠুরীতে পৌঁছে। সেখানেই গ্যাসের আদান প্রদান সম্পন্ন হয়। তীব্রতা অনুসারে এ্যাজমা- p তীব্র হাঁপানি (Acute asthma)- এতে ফুসফুসের বায়ুবাহী নালীসমূহ আকস্মিকভাবে সংকুচিত হয় ও শ্বাস প্রশ্বাসে কষ্টের সৃষ্টি করে।

2915 views

শ্বাস কষ্ট রোগিদেরে শ্বাসনালী সংকুচিত হয়ে যায় যার কারণে শ্বাসপ্রশ্বাস পরিচালনা করতে কষ্ট হয়। এগুলো সাধারনত কিছু বদঅভ্যাসের কারণে হয়ে থাকে যেমন ঃ সিগারেট খাওয়া, জর্দা খাওয়া, মদ খাওয়া ইত্যাদি।আপনার যদি এসব বদঅভ্যাস থেকে থাকে যতদ্রুত সম্ভব পরিহার করতে চেষ্টা করুন।

2915 views

শ্বাস নিতে ও ছাড়তে কষ্ট হয়। এবং দম খাটো অর্থাৎ ফুসফুস ভরে দম নেওয়া যায় না।

2915 views

Related Questions