4 Answers

ভালোবাসা ও যৌবনের প্রতীক হিসেবে সাধারণত লাল রং কে ধরা হয়ে থাকে।লাল রংয়ের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য অন্যান্য রং থেকে বেশি।বিয়ের সময় সবার আগ্রহ থাকে বেশি কনেকে দেখার জন্য।তাই,মেয়েরা তাদের আকর্ষণীয় করতে লাল রংয়ের শাড়ি পড়ে। 

2938 views

বিয়ের সময় লাল শাড়ি পড়া বাংলার নারীদের ঐতিহ্য হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। এছাড়াও বিয়ের মূল আকর্ষণই থাকে কনে এবং বরকে ঘিরে। তন্মদ্ধে বিয়েতে কনের দিকেই সবার দৃষ্টি আগে থাকে। আর লাল রঙের শাড়ি কনেকে আরও বেশি আকর্ষণীয় করে তোলে। তাই মেয়েরা বিয়ের সময় লাল শাড়িই বেশি পরে থাকে৷

2938 views

এটি একটি ঐতিহ্য। সকল দেশের নয় কিন্তু। এক এক দেশের রীতি এক এক রকম। ক্রিশ্চানরা যেমন মিহি সাদা ড্রেস পরে।  আমাদের দেশ আগে ভারতীয় উপমহাদেশ ছিল। এখানে বহু আগে থেকে সনাতনদের ভেতর সাদা কে বিধবা পোশাক হিসাবে দেখা হত, এখনও তাই। স্বামী মারা গেলে এটায় পরে। কাজেই বিয়াতে স্বামী যোগকে লাল শাড়ির সাথে রংগিন জীবন ও স্বপ্ন গেথে যায়। এই প্রচলিত ঐতিহ্যই আমাদের এই সমগ্রহ ভারত, বাংলা তে প্রচলিত ঐতিহ্য।

2938 views

image

লাল শাড়ি হলো বিপ্লবের প্রতীক,যা লাল রং, এবং ভালোবাসা ও যৌবনের প্রতীক লাল।


ক্রোধের প্রতীক লাল, আবার শক্তির প্রতীকও লাল। অন্যান্য রঙের চেয়ের এর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি হওয়াও লাল বেশি চোখে লাগে। নিম্নবিত্ত থেকে উচ্চবিত্ত সব কনেই বিয়েতে লাল রঙের শাড়ি বেছে নেন।



পরিবার থেকেও এ রঙটিকেই বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়। মেহেদী, বিয়ে, বৌভাত- বিয়েতে এখন নানা অনুষ্ঠানের ছড়াছড়ি। কিন্তু বিয়ের মূল অনুষ্ঠানে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে লাল শাড়িতেই নিজেকে সাজিয়ে তোলেন কনেরা।


বিয়েতে অন্য কারও চেয়ে কনের ওপরই আলোটা থাকে। সবাই আগ্রহ থাকে কনে দেখার। আর লাল রঙের শাড়ি কনে হয়ে উঠেন তুলনামূলকভাবে বেশি আকর্ষণীয়। সুতি, জামদানি, তাঁত, মসলিনের মধ্যে থেকে কনে কিংবা তার পরিবার পছন্দের লাল শাড়িটি বেছে নেন।


তবে লাল বেনারসী শাড়ির কদর চিরন্তন। এটি এখনো পছন্দের শীর্ষ স্থান দখল করে আছে। লাল শাড়িতে নববধূকে যেমন মোহময়ী লাগে, তেমনই বরের চোখেও ঘনিয়ে আসে ভালোবাসার নেশা।

2938 views

Related Questions