2 Answers
নিচে চিঠিতে লিখিত বিষয় উল্লেখ করা হলো- মাননীয় মহাশয়, আমার পুত্রকে জ্ঞানার্জনের জন্য আপনার কাছে প্রেরণ করলাম। তাকে আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলবেন-এটাই আপনার কাছে আমার বিশেষ দাবি। আমার পুত্রকে অবশ্যই শেখাবেন- সব মানুষই ন্যায়পরায়ণ নয়, সব মানুষই সত্যনিষ্ঠ নয়। তাকে এও শেখাবেন প্রত্যেক বদমাশইশের মাঝেও একজন বীর থাকতে পারে, প্রত্যেক স্বার্থপর রাজনীতিকের মাঝেও একজন নিঃস্বার্থ নেতা থাকে। তাকে শেখাবেন, পাঁচটি ডলার কুড়িয়ে পাওয়ার চেয়ে একটি উপার্জিত টাকা অধিক মূল্যবান। এও তাকে শেখাবেন কীভাবে পরাজয়কে মেনে নিতে হয় এবং কীভাবে বিজয়োল্লাস উপভোগ করতে হয়।হিংসা থেকে দূরে থাকার শিক্ষা তাকে দিবেন। যদি পারেন নিরব হাসির গোপন সৌন্দর্য তাকে শেখাবেন। সে যেন আগেভাগেই এ কথা বুঝতে শেখে- যারা পীড়নকারী তাদের কীভাবে সহজে কাবু করা যায়। বইয়ের মাঝে কী রহস্যা লুকিয়ে আছে, তাও তাকে শেখাবেন। আমার পুত্রকে শেখাবেন, বিদ্যালয়ে নকল নকল করার চেয়ে অকৃতকার্য হওয়া অনেক বেশি সম্মানজনক। নিজের ওপর যেন তার সুমহার আস্থা থাকে। এমনকি সবাই যদি সেটাকে ভুলও মনে করে। তাকে শেখাবেন,ভদ্র লোকের প্রতি ভদ্র আচরণ করতে, কঠোরদের প্রতি কঠোর আচরণ করতে। আমার পুত্র যেন এ শক্তি পায়-হুজুগে মাতাল জনতার পদাঙ্ক অনুসরণ না করার। সে যেন সবার কথা শোনে এবং তা সত্যের পর্যায়ে ছেঁকে যেন ভালোটাই শুধু গ্রহণ করে- এ শিক্ষাও তাকে দিবেন। সে যেন শিকে দুঃখের মাঝে কীভাবে হাসতে হয়। আবার কান্নার মাঝে লজ্জা নেই- এ কথা তাকে বুঝতে শেখাবেন। যার নির্দয়, নির্মম তাদের সেয যেন ঘৃণা করতে শেখে আর অতিরিক্ত আরাম-আয়েশ থেকে সাবধান থাকে। আমার পুত্রে প্রতি সদয় আচরণ করবেন কিন্তু সোহাগ করবেন না, কেননা আগুনে পুড়েই ইস্পাত খাঁটি হয়। আমার সন্তানের যেন অধৈর্য হওয়ার সাহস না থাকে, যেন তার সাহসী হওয়ার ধৈর্য থাকে। তাকে এ শিক্ষাও দিবেন নিজের প্রতি তার যেন সুমহান আস্থা থাকে ; আর তখনই তার সুমহান আস্থা থাকবে মানুষ জাতির প্রতি। ইতি আপনার বিশ্বস্ত আব্রাহাম লিঙ্কন
তিনি যে চিঠি লিখেছিলেন তা একটি বিখ্যাত চিঠি যেখানে তিনি তার সন্তানকে উপযুক্ত শিক্ষায় শিক্ষিত করতে প্রধান শিক্ষককে উপদেশ দিয়েছেন এরকম চিঠি ইতিহাসে বিরল