4 Answers

কোনো সন্দেহ নেই মা-বাবার অসন্তুষ্টির সঙ্গে আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের অসন্তুষ্টি সম্পৃক্ত। তাই মা-বাবাকে অবশ্যই সন্তুষ্ট করতে হবে। আবার স্বামীর অসন্তুষ্টি এবং স্বামীর আনুগত্যহীনতার সঙ্গে মূলত আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের অসন্তুষ্টি জড়িত। তাই স্বামীকেও সন্তুষ্ট রাখতে হবে। এর জন্য মূলত কোনো ধারাবাহিকতা নেই বা কোনো ক্রমবিন্যাস নেই। উভয়কে মুখোমুখি করার কিছু নেই। কারণ মা-বাবার সন্তুষ্টি একটা বিষয় আর স্বামীর সঙ্গে সম্পর্ক বা স্বামীর সন্তুষ্টি আরেকটা বিষয়। দুটি বিষয় আলাদা|

3359 views

আমার মতে মাকে কারন মা সন্তানকে গর্ভধারন করেছেন ছোট থেকে কষ্ট করে লালন পালন করেছেন।জীবনের উন্নতিতে মায়ের অমূল্য অবধান রয়েছে। এবং মায়ের পদতলে সন্তানের জান্নাত রয়েছে।

3359 views

মা বাবা এবং স্বামি সবাইকে সন্মান করতে হবে।কিন্তু তার ধরন আলাদা আলাদা।আর কাকে বেশি সন্মান করবেন কাকে কম সন্মান করবেন এটা নির্ধারণ করা যাবে না।

3359 views

একজন মেয়ে বিয়ের পূর্বে মা-বাবার কাছে থাকে, তখন সন্তান হিসেবে মা-বাবাকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসবে, এটাই স্বাভাবিক। আবার একজন মেয়ের যখন বিয়ে হয়ে যায়, তখন সে স্বামীর ঘরে চলে যায়। সেখানে তার মা-বাবা, ভাই-বোন কেউ থাকে না। তখন সে স্ত্রী হিসেবে স্বামীকেই সবচেয়ে বেশি ভালোবাসবে, এটাই স্বাভাবিক। একজন মেয়ে সন্তান হিসেবে মা-বাবাকে, স্ত্রী হিসেবে স্বামীকে আর মা হিসেবে সন্তানকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসবে। অনুরূপ, একজন ছেলে সন্তান হিসেবে মা-বাবাকে, স্বামী হিসেবে স্ত্রীকে আর পিতা হিসেবে সন্তানকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসবে। মা-বাবার ভালোবাসা, স্বামী-স্ত্রীর ভালোবাসা আর সন্তানের ভালোবাসা তিনটি আলাদা বিষয়। তাই তিনটি আলাদা বিষয়েই প্রত‍্যেক নর-নারীকে সমান গুরুত্ব দিতে হবে। ভালোবাসার কখনো তুলনা হয় না। প্রত‍্যেকের দিক হতে প্রত‍্যেককে সমানভাবে ভালোবাসতে হবে। ধন‍্যবাদ।

3359 views

Related Questions