আমার প্রসাব ইনপেকসন ভালোহয় না?
2 Answers
ইউরিন ইনফেকশন হলে যে লক্ষণ গুলো দেখা যায় সেগুলো হলো-
★প্রস্রাব গাঢ় হলুদ বা লালচে হওয়া
★প্রস্রাবে বাজে গন্ধ
★একটু পর পর প্রস্রাব লাগা কিন্তু ঠিক মতো না হওয়া
★প্রস্রাব করার সময় জ্বালা পোড়া বা ব্যথা করা
★তলপেটে বা পিঠে তীব্র ব্যথা
★সারাক্ষণ জ্বর জ্বর ভাব অথবা কাঁপুনি দিয়ে ঘন ঘন জ্বর হওয়া
★বমি ভাব বা বমি হওয়া
★ইউরিন ইনফেকশনের কিছু ঘরোয়া প্রতিকার আছে যেগুলো মেনে চললে নিস্তার পাওয়া সম্ভব এই সমস্যা থেকে। আসুন জেনে নেয়া যাক ইউরিন ইনফেকশনের ঘরোয়া প্রতিকার গুলো সম্পর্কে।
প্রচুর পানি খাওয়া
ইউরিন ইনফেকশন হলে কিংবা ঘন ঘন ইউরিন ইনফেকশন হওয়ার প্রবণতা থাকলে প্রতিদিন কম পক্ষে ৮ আউন্স পানি খাওয়া উচিত। কিছুক্ষন পর পর এক গ্লাস করে পানি খেলে অল্প সময়ের মধ্যেই ইউরিন ইনফেকশন ভালো করে ফেলা যায়। বিশেষ করে প্রসাবে হলুদ ভাব দেখা গেলেই দেরি না করে প্রচুর পরিমাণে পানি খাওয়া শুরু করা উচিত। আর যাদের প্রায়ই এই সমস্যা হয় তাঁরা সব সময়েই একটু বেশি পানি খাওয়ার অভ্যাস করবেন। সাধারণত প্রতি ৪ থেকে ৫ ঘন্টা পর পর প্রস্রাব হওয়া উচিত। প্রস্রাব হতে এর চাইতে বেশি দেরি হলে বার বার পানি খেতে থাকুন। বাসার বাইরে গেলেও সব সময় পানি রাখুন সাথে।
ভিটামিন সি
ইউরিন ইনফেকশন হলে অনেক ডাক্তারই রোগীদেরকে দৈনিক ৫০০০ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। ভিটামিন সি মুত্রথলীকে ভালো রাখে এবং প্রস্রাবের জ্বালাপোড়া ভাব কমাতে সহায়তা করে। এছাড়াও ভিটামিন সি ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতে সহায়তা করে। তাই ইউরিন ইনফেকশন হলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি যুক্ত খাবার খান।
আনারস
আনারসে আছে ব্রোমেলাইন নামক একটি উপকারী এঞ্জাইম। গবেষণায় দেখা গেছে যে ইউরিন ইনফেকশনে আক্রান্ত রোগীদেরকে সাধারণত ব্রোমেলাইন সমৃদ্ধ অ্যান্টিবায়োটিক দেয়া হয় এবং তা ইউরিন ইনফেকশন ভালো করে দেয় খুব দ্রুত। তাই ইউরিন ইনফেকশন হলে প্রতিদিন এক কাপ আনারসের রস খান।
বেকিং সোডা
ইউরিন ইনফেকশন সাধারণত দুই দিনের বেশি সময় থাকে। আর এই সময়ে ইনফেকশন কিডনিতে ছড়িয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই যত দ্রুত সম্ভব ইউরিন ইনফেকশন সারিয়ে ফেলা উচিত। বেকিং সোড়া দ্রুত ইউরিন ইনফেকশন সারিয়ে তুলতে সাহায্য করে। ১/২ চা চামচ বেকিং পাউডার এক কাপ পানিতে ভালো করে মিশিয়ে দিনে একবার করে খেলে প্রস্রাবের জ্বালাপোড়া কমে এবং ইউরিন ইনফেকশন দ্রুত ভালো হয়।