3 Answers
কোন সূরা পাঠ করলে কি হবে ?? আসুন জেনে আমল করি। (১) সূরা ফাতেহা চারবার পাঠ করলে দুই খতম কোরআনের ছাওয়াব পাওয়া যায়। (আবূ দাউদ, মাযহারী) (২) সূরা ইয়াছিন একবার পাঠ করলে দশ খতম কোরআনের ছাওয়াব পাওয়া যায়।(তিরমিযি) (৩) সূরা মূলক প্রতিদিন নিয়মিত পাঠ করলে কবরের সর্বপ্রকার আযাব ও বিপদ দূর হয়।(তিরমিযি) (৪) সূরা ওয়াকেয়া প্রতিদিন নিয়মিত পাঠ করলে ছাওয়াবের সাথে সাথে অভাবও দূর হয়। (বায়হাকী) (৫) সূরা কাওছার চারবার পাঠ করলে এক খতম কোরআনের ছাওয়াব পাওয়া যায়। (আহমদ) (৬) সূরা তাকাছুর একবার পাঠ করলে এক হাজার আয়াত পাঠের ছাওয়াব পাওয়া যায়। (মেশকাত) (৭) সূরা এখলাস তিনবার পাঠ করলে এক খতম কোরআনের ছাওয়াব পাওয়া যায়। (মুসলিম) (৮) সূরা কাফিরূন চারবার পাঠ করলে এক খতম কোরআনের ছাওয়াব পাওয়া যায়। (তিরমিযি) (৯) সূরা হাশরের শেষ তিন আয়াত সকাল-বিকাল পাঠ করলে সত্তর হাজার ফেরেশ্তা তার জন্য মাগফেরাতের দুয়া করতে থাকে। (মেশকাত) (১০) আয়াতুল কুরসী প্রত্যেক ফরজ নামাযের পর পড়লে জান্নাত নসীব হয়। (নূরুস সূদুর)
সূরা ইখলাস পাঠ করলে- 1.জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যায়2.পঞ্চাশ বছরের গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়। সূরা ইয়াসিন পাঠ করলে *.দশ বার কুরআন খতমের সওয়াব পাওয়া যায়।
সুরা হাশরের শেষ ৩ আয়াত পড়তে হয় ফজর এবং মাগরিবের নামাজ শেষে । এই আয়াত শুরুতে ৩ বার পড়তে হয় " আউজুবিল্লাহিছ সামিউয়ালিম, মিনাশ শাইতনির রজিম" তারপর উক্ত আয়াত পড়লে ৭০,০০০ (সত্তর হাজার) ফেরেস্তা তার মাগফেরাতের জন্য দোয়া করতে থাকে। বিদ্র: আপনি হিসনুল মুুুসলিম এ্যাপস টি ডাউনলোড করুুন ওখানে অনেক দোয়া পাবেন যা আমলে কাজে আসবে।