3 Answers

ইসলামের দৃষ্টিতে এটি কখনই গ্রহণযোগ্য নয়।

3302 views

কোনো বিষয় হারাম হওয়ার জন্য সুস্পষ্ট নস (কোরআনের আয়াত বা সুনিশ্চিতভাবে প্রমাণিত হাদিস) থাকা জরুরি। লজ্জাস্বানে চুমু দেয়া বা Suck করার নিষিদ্ধতার ব্যাপারে কোরআন হাদিসে কোনো কথাই পাওয়া যায় না। সুতরাং বিষয়টিকে অকাট্য হারাম বলার সুযোগ নেই। হাঁ, বাকি থাকলো মাকরুহে তাহরিমি এবং নাজায়িয বলা যাবে কি? (উল্লেখ্য, মাকরুহ দুই প্রকারঃ ১. মাকরুহে তাহরিমি— যা সম্পূর্ণ নাজায়িয। ২. মাকরুহে তানযিহি— যা থেকে বিরত থাকা উত্তম, তবে কেউ তাতে একান্ত লিপ্ত হলে গুনাহগার হবে না।মেডিকেল সায়েন্সের সঙ্গে সম্পৃক্ত অনেক বিশেষজ্ঞই এই অভিমত ব্যক্ত করেছেন— ওরাল সেক্স মানব্যস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর এবং মানবদেহে অনেক রোগের জীবাণু উৎপত্তি ও সংক্রামণের কারণ। তারা এর ক্ষতির অনেক দিক উল্লেখ করেছেন। বিস্তারিত জানার জন্য সংশ্লিষ্ট বিষয় দ্রষ্টব্য। তাদের এই মতামতের ওপর ভিত্তি করে শায়খ ড. মুহাম্মাদ আদদাসুকি ওরাল সেক্সকে নাজায়িয বলেছেন। কেননা শরিয়তের মূলনীতি হলো—  لا ضرر ولا ضرار চিকিৎসা বিজ্ঞানের এই অভিমতটি প্রমাণিত হলে ওরাল সেক্স নিষিদ্ধই সাব্যস্ত হবে। হাঁ, যারা এই অভিমতটি জানেন না বা মানেন না, তারা পূর্বোক্ত মূলনীতির আলোকে ওরাল সেক্সের বৈধতার কথা বলেছেন। ড. ইউসুফ কারজাবি এবং ড. আলী জুমআ লজ্জাস্থানে চুমু দেয়াকে বৈধ মনে করেন। তবে ড. ইউসুফ কারজাবিও মুখে বীর্যস্খলনের উদ্দেশ্যে হলে তা মাকরুহ মনে করেন।

3302 views

ইসলাম সুন্দর ও সৌন্দর্যের প্রতিক। ইসলাম ডান হাতে সৌচকার্যের অনুমতি দেয় না (যেহেতু ডান হাত উত্তম এর জন্য, তাই নাপাকী পরিষ্কারের বিষয়ে বাম হাত কে ব্যবহার করতে বলেছে), তখন আমাদের বিবেক এটা কিভাবে সায় দেয় যে- যে রাস্তা দিয়ে প্রস্রাব বের হয় সেই নাপাকীর স্থানে মুখ বা জিহ্বা লাগানো ইসলাম জায়েজ বলবে?  ডাক্তারগণও ওরাল সেক্সকে না বলেছেন, স্বাস্থ্যের ঝুঁকির জন্য।

3302 views

Related Questions