'কাজী নজরুল ইসলাম' যদি বাংলাদেশের জাতীয় কবি হয়, তাহলে তাঁর লেখা সঙ্গীত কেনো জাতীয় সঙ্গীত নয়?
'কাজী নজরুল ইসলাম' যদি বাংলাদেশের জাতীয় কবি হয়, তাহলে তাঁর লেখা সঙ্গীত কেনো জাতীয় সঙ্গীত নয়?
3 Answers
হুম,আমিও আপনার সাথে একশত ভাগ সহমত পোষণ করছি।আসলে শেখ মুজিব ভারতের অনুগত ছিল তো।তাই তাদেরকে খুশি করার জন্য এ কাজটি করেছে বলে মনে হয়।
প্রথমত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর যখন এই গানটি লিখেছেন তখন বাংলাদেশ, ভারত এবং পাকিস্তান এক সাথেই ছিল..অর্থাৎ তৎকালীন পশ্চিমবঙ্গ,আসাম এবং পূর্ববঙ্গ একটি প্রদেশ ছিল যার নাম ছিল বাঙলা।এখানে একটি যুক্তি দেওয়া যায়,সেটি হল :রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর যেহেতু ১৯৪১ সালে পরলোকগমন করেন,তখন উপমহাদেশ একসাথেই ছিল।সেই সূত্রে তাঁর লেখা সঙ্গীত,জাতীয় সঙ্গীত করা কি যায় না?? দ্বিতীয়ত,রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর এই গানে বাংলার রুপ তথা অসাধারণ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বর্ণনা করা হয়েছে। গানটি গাইলে অথবা শুনলে দেশের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ পায়..এজন্যই হয়ত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কবিগুরুর অসাধারণ ঐ গানটি বাংলাদেশের জাতীয়সঙ্গীত করেছেন। আপনি হয়ত জানেন না,শ্রীলঙ্কার জাতীয় সঙ্গীতও বিশ্বকবী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর লেখা! আমার মতে, যেহেতু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শুধু ভারতের কবি নন তিনি বিশ্বকবি!সেহেতু তাঁর লেখা গান জাতীয় সঙ্গীত করাই যায়। আপনি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের রণসঙ্গীত কেন জাতীয় সঙ্গীত করা হল না জানতে চেয়েছেন...আপনাকে বুঝতে হবে চল্ চল্ এই সঙ্গীতটি যুদ্ধ বা বিপ্লবের গান হিসেবেই মানায়,অর্থাৎ বিপ্লবী বা সৈনিক দের অনুপ্রেরণা যোগায়। তাই এটি বাংলাদেশের রণসঙ্গীত করা হয়েছে। আরেকটি কথা,আপনি হয়ত জানেন না,বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের জর্ম্ম ও ভারতে, তাঁকে স্বাধীনতার পরে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশে এনে দেশের নাগরিকত্ব প্রদান করেন। শেষকথা, দেশকে ভালুবাসেন এবং মুক্তচিন্তা করুন। ধন্যবাদ
এমন কুনো কথা নাই যে জাতীয় কবির লেখা গানই জাতীয় সংগীত হতে হবে । যে গানে দেশের প্রতি মায়া-মমতা, শ্রধ্যা বেশি ফুটে উঠেছে ওইটাই জাতীয় সংগীত হিসেবে রাখা হয়েছে।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy