আমার লুঙ্গিতে প্রস্রাবের পর ২/১ যদি প্রস্রাব পড়ে তখন এই লুঙি টি নিয়ে যদি আমি নামায পরতে চাই তাহলে উক্ত লুঙি তে কি শুধু বিসমিল্লাহ বলে বলে ৩ বার পানির ফোটা দিলে ছিটেয়ে দিয়ে যদি নামায পরি তাহলে কি আমার নামায কবুল হবে??নাকি অন্য কোন দুয়া আছে?
2894 views

4 Answers

এতে কোন কাজ হবে না।কেননা তখন পুরো লুঙ্গি নাপক হয়ে যাবে।সেক্ষেত্রে লুঙ্গী পরিবর্তন করে নামাজ করতে হবে।আর নাপাক লুঙ্গীটিকে পাক করতে হলে পুনরায় ধৌত করতে হবে।ধৌত হবার শেষে লুঙ্গী টিকে ৩বার বিসমিল্লাহ বলে প্রত্যকবার পানি দ্বারা ধুলাই করে চিপতে হবে।তবেই পাক হবে।

2894 views

আপনি যদি সেই লুঙ্গিটি পাল্টানোর সময় না পান বা লুঙ্গিটি পাল্টানোর অবস্তায় না থাকেন তাহলে তিনবার বিসমিল্লাহ্ বলে লুঙ্গিটি পানি দিয়ে ছিটিয়ে নিলেই হবে ।

2894 views

হবে।যদি তখন নামাযের ওয়ক্ত শেষের পথে হয়।এখন নামাজ না পড়তে পারলে বেলা শেষ হয়ে যাবে।অথবা আপনার ধারে কাছে আপনার পবিএ জামা না থাকে। 

2894 views

নামাজের আহকাম ৭ টি।

১. শরীর পাক।

২. কাপড় বা বস্ত্র পাক।

৩. নামাজের জায়গা পাক।

৪. সতর ঢাকা।

৫. কেবলামুখী হওয়া।

৬. নিয়্যত করা।

৭. ওয়াক্ত মত নামাজ পড়া।


ইসলামি ফেকাহ বিশেষজ্ঞদের মতে এ ধরণের কোন নিয়ম

নেই যে, কাপড়ে পেশাবের ফোঁটা পড়লে উক্ত কাপড়টি এক কোণা বিসমিল্লাহ বলে ধুয়ে নিলে ঐ কাপড়েই নামাজ পড়া যাবে। মানুষ মনে করে থাকে, কাপড়ে নাপাকি লাগলে বা নাপাকির ছিটা লাগলে কাপড়ের এক কোণা ধুলেই পবিত্র হয়ে যাবে। তাদের এ ধারণা ঠিক নয়। বরং কাপড়ের যে অংশে নাপাকি লেগেছে সে অংশ-ই ধুতে হবে। নইলে কাপড় পবিত্র হবে না।


নাজাসাতে গলীযা যদি তরল ও হালকা অথবা প্রচলিত ধাতব টাকার পরিমাণ অথবা হাতের তালুর গহ্বর পরিমাণ পর্যন্ত নাপাকী অবস্থায় নামায শুদ্ধ হবে। তবে তা মাকরূহে তাহরীমি হবে। সুযোগ থাকলে এ অবস্থায় পবিত্রতা অর্জনের পরই নামায পড়া উত্তম। তবে এ অবস্থা থেকে পবিত্র হতে গিয়ে যদি নামায কাজা হওয়ার সম্ভাবনা

থাকে তাহলে নামায পড়ে নেয়া যাবে।


2894 views

Related Questions