4 Answers
ঠোঁটের শুষ্কতা ও ঠোঁট ফাটা মোকাবিলা করতে ঠোঁট দুটোতে গ্লিসারিন মেখে হালকা ম্যাসাজ করতে হবে। এতে রক্ত সঞ্চালন বাড়বে এবং মৃতকোষগুলো উঠে যেতে সাহায্য করবে। অতিরিক্ত গ্লিসারিন ভেজা কটন উল দিয়ে মুছে ফেলবেন। এবার দুই ঠোঁটে ময়েশ্চারাইজার যেমন ভ্যাসলিন খুব গাঢ় করে মাখবেন এবং দুই ঠোঁটে আগাগোড়া খুব দ্রুত আলতো করে আঙুল বুলাবেন। ঠোঁটের কোণা থেকে মাঝ পর্যন্ত দ্রুত এটা করবেন। এতে ঠোঁট কোমল থাকবে এবং ঠোঁট ফাটার সমস্যা দেখা দেবে না। একটা কথা মনে রাখতে হবে, ঠোঁট কখনোই শুকনো রাখা যাবে না। ঠোঁট আবারও শুকিয়ে যাওয়ার আগেই গ্লিসারিন কিংবা ভ্যাসলিন মাখতে হবে। আর ঠোঁটের চামড়া কখনোই টেনে তুলবেন না। শীতের মধ্যে বাইরে বেরোলে কিংবা রোদে বাইরে গেলে অবশ্যই ফাটা ঠোঁটে লিপ ব্যারিয়ার ক্রিম মেখে বেরোতে হবে। সূর্যরশ্মির কারণে ঠোঁট ফুলে যায়,ব্যথা হয় কিংবা ঠোঁটে জ্বালাপোড়া অবস্থার সৃষ্টি হয়। তাই ঠোঁট সুরক্ষায় যত্ন নিতে হবে। ধন্যবাদ।
আপনি টুথপেস্ট ব্যাবহার করতে পারেন । এক্ষেত্রে টুথপেস্ট আপনার ঠোটে লাগিয়ে কিছুক্ষন ম্যাসাজ করতে হবে ও ম্যাসাজ শেষে ঠোট পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে । এটা সপ্তাহে ২ বার করলেই যথেষ্ট
ঠোঁট ফাটা সারানোর কিছু ঘরোয়া উপায়:
১.মধু ও গোলাপ জল : খুব তাড়াতাড়ি ঠোঁট ফাটা কমায় এবং তাকে করে তোলে নরম ও মসৃণ । এক চা চামচ মধু ও এক চা চামচ গোলাপ জল মিশিয়ে নিন । ঠোঁটে ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন । তারপর ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন । দিনে অন্তত ৪ বার এই মিশ্রণটি ঠোঁটে লাগানোর চেষ্টা করুন ।
২.জোজোবা অয়েল : দিনে অন্তত দুবার জোজোবা তেল ঠোঁটে লাগান । ১৫ মিনিট লাগিয়ে রেখে ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন । ঠোঁট ফাটা তো কমবেই তার সঙ্গে ঠোঁটের লালচে আভা আবার ফিরে আসবে ।
৩.গ্রিন টি ব্যাগ : অনেকেই জানেন না গ্রিন টি ব্যাগ খুব ভালো ময়শ্চারাইজারের কাজ করে । এবং খুব সহজেই এটা ব্যবহারও করতে পারবেন । ব্যবহৃত টি ব্যাগ নিন এবং ঠোঁট দিয়ে চেপে ধরুন । এইভাবে চার মিনিট রেখে দিন । দিনে একবার করে করলেই হবে ।
৪.লেবুর রস : নরম ও মসৃণ ঠোঁট খুব সহজেই পাবেন লেবুর রস লাগিয়ে এছাড়া নিয়মিত লেবুর রস লাগালে ঠোঁটের বয়স বাড়বে না । এছাড়াও কালো ছোপও মিটে যাবে । এক চা চামচ দুধের সর ও তিন ফোঁটা লেবুর রস ভালো করে মিশিয়ে নিন । মিশ্রণটা ফ্রিজে রেখে দিন । রোজ রাতে শুতে যাওয়ার আগে এই মিশ্রণটা লাগিয়ে নিন । সুফল পাওয়ার জন্য অন্তত ৩ দিন অপেক্ষা করুন ।
৫.মিল্ক ক্রিম : মিল্ক ক্রিম বা দুধের সর লাগালেও খুব সহজে ঠোঁট ফাটা সেরে যায় । তাজা দুধের সর নিয়ে ১০-১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন । এরপর হাল্কা গরম জলে তুলো ভিজিয়ে নিন এবং আলতো করে ঠোঁট মুছে নিন ।
৬.অ্যালোভেরা : প্রাকৃতিক ময়শ্চারাইজার ছাড়াও ব্যথা দূর করে অ্যালোভেরা । অ্যালোভেরা জেল বা সরাসরি অ্যালোভেরা পাতা সরাসরি ঠোঁটের ওপর লাগাতে পারেন । এক টুকরো অ্যালোভেরা পাতা নিন । পাতা থেকে রস চিপে তা ঠোঁটের ওপর লাগিয়ে নিন । শুকিয়ে গেলে ঠান্ডা জলে ধুয়ে ফেলুন ।
৭.শসা : এক টুকরো শসা নিয়ে ভালো করে তা ঠোঁটের ওপর হাল্কা করে ঘষুন । ১৫ থেকে ২০ মিনিট শসার রস ঠোঁটে লাগিয়ে রাখুন । দিনে যতবার খুশি শসার রস লাগাতে পারেন ।
৮.নারিকেল তেল : ঠোঁট ফাটা খুব সহজেই নারিকেল তেল লাগালে সেরে যায় । কয়েক ফোঁটা তেল ঠোঁটের ওপর লাগিয়ে নিন । নারিকেল তেলের বদলে অলিভ অয়েলও লাগাতে পারেন ।
৯.চিনি : ঠোঁটের শুকনো চামড়া চিনির সাহায্যে এক্সফলিয়েট করে তুলে ফেলুন । নিয়মিত এক্সফলিয়েট করলে ঠোঁট নরম হবে । সামান্য চিনি আর অলিভ অয়েল মিশিয়ে নিন । এরপর হাল্কা করে ঠোঁটের ওপর ঘষতে থাকুন । ১০ মিনিট করার পর হাল্কা গরম জল দিয়ে ঠোঁট ধুয়ে ফেলুন ।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy