আমি পরিশ্রমের কাজ একটু করলেই হাপিয়ে যাই কেন?
4 Answers
ঘরের টুকিটাকি কাজ করলে 20/30 মিনিটে হাপানোর কথা না। কিন্তু কি ধরণের কাজ আপনি করেন সেটা বলেন নি। আপনি যদি কাপড় কাচা, ঘরের আসবাবপত্র সড়ানোর মত কাজ করেন তাহলে হাপিয়ে ওঠা স্বাভাবিক ব্যাপার।
অল্প পরিশ্রমে হাপিয়ে যাবার অনেক কারণ থাকতে পারে। যদিও আপনার বয়স, পেশা, শারীরিক অবস্থা এবং কতদিন ধরে এমটা চলছে সেটা না জেনে মন্তব্য করা ঠিক না। সঠিক কারণ শুধুমাত্র অভিজ্ঞ ডাক্টর ই বলতে পারবেন। এবং নিশ্চিত হতে হলে সম্ভাব্য মেডিকেল টেস্ট করাতে হবে। আমি শুধু কিছু সমস্যার কথা উল্লেখ করছি যেগুলো হাপিয়ে ওঠার অন্যতম কারণ হতে পারে বলে আমার ধারণা -
- হার্টের দূর্বলতা
- অ্যাজমা বা হাপানীর সমস্যা/ ফুসফুসের দূর্বলতা
- ডায়াবেটিস
- রক্তচাপের সমস্যা (হতে পারে উচ্চ বা নিম্ন)
আপনি শারীরিকভাবে দুর্বল। তাই আপনি প্রতিদিন ব্যায়াম করতে পারেন। ব্যায়াম করলে আপনার শরীর আর অসস্তিবোধ হবে না। ধন্যবাদ
★মানুষ সুস্থ সবল অবস্থায়ও হাঁপিয়ে উঠে, যেমন- খুব বেশি দৌড়ঝাঁপ করার সময়, কোনো ধরনের অতি পরিশ্রমের কাজ করার সময় (গাড়ি ঠেলতে, গাছ, পাহাড় বা সিঁড়ি বেয়ে দ্রুত উপরে উঠতে) হাঁপিয়ে উঠে থাকে, তবে কিছু সময়ের মধ্যেই আবার স্বাভাবিক হয়ে যায় এবং এসব কায়িক শ্রম সম্পাদনকালে বুকে ব্যথা, গলা-ঘাড়-চোয়াল ও বাহু ধরে আসা বা ব্যথা অনুভব করার মতো কোনো অনুভূতি অনুভব করে না এবং সুস্থ ব্যক্তিদের হাঁপিয়ে উঠার সময়ে মাথাঘোরা, চোখে অন্ধকার দেখার মতো অবস্থা পরিলক্ষিত হয় না। কিন্তু যদি কারও যে কোনো মাত্রার পরিশ্রমের সময় এসব লক্ষণ পরিলক্ষিত হয়, তবে ধরে নিতে হবে, তার দেহে হৃদরোগ বাসা বেঁধেছে। তাই হাপিয়ে উঠার সঙ্গে যদি বুক ব্যথা, ঘাড়-গলা-চোয়াল বাহু ব্যথা থাকে তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করবেন। কারণ এগুলো হৃদরোগের লক্ষণ এবং এ হৃদরোগকে প্রাথমিক অবস্থায় চিকিৎসার মাধ্যমে প্রতিহত করে সুস্থ থাকাই স্বাস্থ্য সচেতন ব্যক্তির দায়িত্ব। পরিশ্রমকালীন চোখে অন্ধকার দেখা, মাথা ঘোরা, শরীরের ভারসাম্য নষ্ট হওয়া অনুভব করা বা ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যাওয়া ইত্যাদি হৃদরোগসহ অন্যান্য জটিল রোগের লক্ষণ। মাংসপেশির দুর্বলতা ও রক্তে বিষাক্ত পদার্থের উপস্থিতির জন্য খুব কমসংখ্যক ব্যক্তিই অল্প পরিশ্রমে হাঁপিয়ে উঠে কিন্তু বেশিসংখ্যক ব্যক্তিই প্রয়োজনীয় অক্সিজেন ও রসদ সরবরাহের ঘাটতিজনিত কারণেই এ অবস্থায় পতিত হন। অক্সিজেন ও রসদ সরবরাহের ঘাটতি হৃদরোগকেই প্রধানত দায়ী করা হয়। আরও একদল লোক আছে যাদের বিভিন্ন কারণে শরীর ফুলে যাচ্ছে, যেমন শারীরিক ওজন অতিরিক্ত বৃদ্ধি পাওয়া বা পানি জমে শরীর ফুলে যাওয়া, শরীরে অত্যধিক মেদভুঁড়ি জমে শরীর ফুলে যাওয়া। যাদের পানি জমার জন্য শরীর ফুলে গেছে তাদের অধিকাংশ রোগীই হার্ট ফেইলুরে আক্রান্ত থাকেন। এদের অনেকেই উচ্চ রক্তচাপে ভুগছিলেন। হাঁপিয়ে উঠার অনেক কারণ থাকলেও হৃদরোগকে প্রধান কারণ হিসেবে বিবেচনায় আনা হয় এবং অন্য কারণে আক্রান্ত ব্যক্তিরাও সময়ের আবর্তে হার্ট ফেইলুরে আক্রান্ত হন। হার্ট ফেইলুরের চিকিৎসাই এসব রোগেীর জন্য উপযুক্ত বলে বিবেচিত।
আপনার কথা মতো বোঝা যাচ্ছে আপনি অলস-তাই প্রতিদিন ব্যায়াম করবেন... কায়িক পরিশ্রম করার চেষ্টা করবেন আশা করি একসময় ঠিক হয়ে যাবে। এছাড়াও যদি, দেখেন স্বাভাবিক ভাবে ১০/১৫ মিনিট হাটার পর ঘার ব্যাথা,হাপিয়ে ওঠা বা হাতৈর আঙ্গুল ব্যাথা ইত্যাদি তাহলে সমস্যা হতে পারে এক্ষেত্রে ডাক্তারের নিকট যাওয়া উচিত
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy