পেট কামড়য় ব্যথা করে?
2 Answers
খাবার স্যালাইন খান,যদি খাবার স্যালাইন খাওয়ার পর বন্ধ না হয় তারাতারি ডাক্তারী পরার্মশ গ্রহন করুন!
বিভিন্ন রোগী বিভিন্ন খাদ্যে সমস্যা বোধ করেন তাই রোগীকেই খেয়াল রাখতে হবে তার কোন কোন খাবারে সমস্যা হয় এবং সেগুলো এড়িয়ে চলতে হবে। তারপরও কিছু সাধারণ নির্দেশনা রয়েছে।
* নিয়মিত খাদ্য গ্রহণ এবং সময় নিয়ে খাওয়া। * দুবার খাবার গ্রহণের মাঝখানে বেশিক্ষণ বিরতি না দেওয়া। * প্রতিদিন কমপক্ষে আট গ্লাস পানি পান করা। * চা, কফি কম খাওয়া (প্রতিদিন তিন কাপের বেশি না)। * কোমল পানীয় বা মদ পরিহার করা। * ফল কম খাওয়া (একবার একটি আপেল বা অর্ধেক কমলা)। * দুধ এবং দুগ্ধজাত খাবার (ঘি মাখন, পায়েস, মষ্টি ইত্যাদি) এড়িয়ে চলা। * যাদের কোষ্ঠকাঠন্যি - প্রধান রোগ তারা ওটস, বার্লি, রাই, কলা, আপেল, গাজর, আলু, সুবর্ণ তিসি ইত্যাদি খাবার এবং পানি বেশি খাবেন।
* যাদের ডায়রিয়া - প্রধান রোগ তাদের ফল ও সবজির খোসা, শাঁস ও দানা, শস্যজাতীয় খাবার, তুষ, সরিয়াল, বাদাম, বীজ ইত্যাদি এড়িয়ে চলতে হবে।
আইবিএস’য়ের সঙ্গে মনরোগের কিছু উপাদান পাওয়া যায়। দেখা যায় যারা অতিরিক্ত দুঃশ্চিন্তা এবং মানসিক চাপে থাকেন তাদের আইবিএস হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে এবং এদের অনেকে পরীক্ষা কিংবা চাকুরীর সাক্ষাৎকারের আগে আইবিএস’য়ের সম্মুখীন হন।
তবে এটা মনে করা ঠিক নয় সমস্যাটি কেবলমাত্র মানসিক কারণেই হয়। এ কারণে মানসকি চাপ মুক্ত থাকা আইবিএস চিকিৎসায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মেডিটেইশন, ইয়োগা ইত্যাদি করে মানসিক চাপ থেকে মুক্ত থাকা যায়। প্রয়োজনে মনরোগবিশেষজ্ঞের সাহায্য নেওয়া যেতে পারে।
নিয়মিত ব্যায়াম অনেক রোগীর ক্ষেত্রে আইবিএস নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করে। সাইকেল চালানো, দৌড়ানো, সাঁতার কাটা ইত্যাদি ব্যায়াম করা যেতে পারে। সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট গা ঘামানো ব্যায়াম করা উচিত। নিয়মিত ব্যায়াম মানসিক চাপ মুক্ত থাকতেও সাহায্য করে।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy