6 Answers
বন্ধু! রাগ একটি স্বাভাবিক আবেগ।কিন্তু অতিরিক্ত রাগ শরীরে ক্ষতি করে।(1)হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে(2)হার্টফেল করার সম্ভাবনাও বাড়ে(3)মনের বিষণ্ণতা বেড়ে গিয়ে মানসিক স্বাস্থ্য এর হানি ঘটে(4)আয়ু কমে যায় (5)ব্যক্তিত্ব ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই রাগ নিয়ন্ত্রণ করা জরুরী।যোগাসন এবং ডিপ ব্রিদিং এক্সারসাইজ রাগ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে
১।মানসিক অশান্তি সৃষ্টি করে। ২।ভুল সিদ্ধান্তের দিকে ধাবিত করে। ৩।বিবেকবিরোধী কাজ করতে বাধ্য করে। ৪।সৃষ্টিকর্তা থেকে দূরে সরায়।
ক্রোধ এমন এক অবস্থা, যার ফলে সুস্থ মানুষও মানসিক ভারসাম্য হারাতে পারেন এবং মনোরোগীতে পরিণত হলেও আশ্চর্যের কিছুই থাকবে না। রেগে গেলে শরীরে এক ধরনের উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। এই উত্তেজনাই মানুষকে হিতাহিত জ্ঞানশূন্য করে এবং মন্দ কাজ করার প্রেরণা জোগায়।
পিথাগোরাস বলেছেন, 'ক্রোধ দুর্বুদ্ধি থেকে শুরু হয়ে অনুশোচনায় সমাপ্ত হয়'। বৈজ্ঞানিকদের ধারণা, ক্রোধ মূলত এক ধরনের মানসিক রোগ। রাগের ফলে হজম-শক্তিরও ব্যাঘাত ঘটে। রাগ করলেই শ্বাসক্রিয়া দ্রুত হবে, তার ফলে ফুসফুসকে বেশি কাজ করতে হবে। যদি সেই পরিমাণ শক্তির জোগান না পাওয়া যায় তখনই রক্তচাপ বৃদ্ধি ও মাথাঘোরা দেখা দেয়। ড. জে এস্টার নামক এক বৈজ্ঞানিক বলেছেন, পনেরো মিনিট যদি কোনো মানুষ প্রচণ্ড ক্রুদ্ধ থাকেন, তাহলে এত শক্তি নষ্ট হয় যার পরিমাণ সাধারণ অবস্থায় সেই শক্তি দিয়ে নয় ঘণ্টা দিয়ে কাজ করা যেত।
(Collected)
অতিরিক্ত রাগ সম্পর্কের অবনতি ঘটায়, অন্যের কাছে অপ্রিয় করে তোলে আপনাকে। শুধু তা-ই নয়, শরীরেও কিন্তু এর বাজে প্রভাব পড়ে। যাঁদের অতিরিক্ত রেগে যাওয়ার প্রবণতা আছে, তাঁদের হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বেশি থাকে। আর একটু ভেবে দেখুন, রেগে গেলে কিন্তু আপনার নিয়ন্ত্রণ অন্যের হাতে চলে যায়, তাই নয় কি? তাই রাগ নিয়ন্ত্রণ করতে কিছু কৌশল অবলম্বন করুন। প্রয়োজনে মনোবিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। রাগ অপ্রয়োজনী বা অস্বাভাবিক কিছু নয়, বরং রাগ হবে এটাই স্বাভাবিক। তবে এই স্বাভাবিক রাগ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে নিমিষেই সব কিছুকে অস্বাভাবিক করে তুলতে পারে। ঘটে যাতে পারে সম্পর্কের ছাড়াছাড়ি বা অনাকাঙ্ক্ষিত কোন ঘটনা যা আমাদের প্রত্যাশিত নয়। তাই সব কিছু শেষ হবার আগেই আমাদের জানতে হবে রাগ হওয়ার পেছনের কারণ গুলো সম্পর্কে।
মানুষের সহজাত প্রবৃত্তি হলো রাগান্বিত হওয়ার কারণ তার সামনে ঘটলে সে রাগ হবে। তবে মুমিনের গুণ হলো যখন সে রাগান্বিত হয় তখন সে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। কোরআনে জান্নাতবাসিদের যেই সমস্ত গুণাবলী উল্লেখ করা হয়েছে তার মধ্যে একটি হলো যখন তারা রাগান্বিত হয় তখন ক্ষমা করে দেয়। ইরশাদ হয়েছে: আর যারা গুরুতর পাপ ও অশ্লীল কার্যকলাপ থেকে বেঁচে থাকে এবং যখন রাগান্বিত হয় তখন তারা ক্ষমা করে দেয়। (শুরা ৩৭)
ভাই আমি যতটুকু যানি রাগ আপনার যকরিত দুর্বল করে এবং দুঃখ আপনার ফুসফুসি দুর্বল করে