পবিত্র কুরআন শরীফে আল্লাহ বলেছেন - আমি সাত আসমান সৃষ্টি করেছি এবং পৃথিবীও একই পরিমাণে'' এবং আমার পৃথিবী থেকে উপরের দিকে তাকালে যে আসমান/আকাশ দেখতে পাই এটাকও পবিত্র কুরআনে সাত আসমানের একটি আসমান বলা হয়েছে। এবং কুরআনের বিভিন্ন আয়াতে বলা হয়েছে আমার পৃথিবী থেকে যে আসমান/আকাশ দেখতে পাই তাকে আল্লাহ ছাদ সরূপ বিছিয়ে দিয়েছেন । এবং কুরআনে এটাও বলা হয়েছে যে তিনি (আল্লাহ) যেকোনো সময়ে এই আসমান/আকাশ কাফের দের উপর ফেশে দিতে পারে বা পতিত করতে পারবে।। কিন্তু আমরা জানি আসমান/আকাশ বা আসমান বলতে কোনো কিছু নাই বিজ্ঞান একই কথা বলে এবং আকাশ কখনোই উপর থেকে ফেলে দেওয়া সম্ভব না কারন আসমান/আকাশ বলতে আসলে কিছুই নেই। তাহলে কুরআনে এমন সাত আসমান বলতে কি বুঝানো হয়েছে? আর আসমান/আকাশ কিভাবে মানুষের গায়ের উপর ফেলে দিবে? বৈজ্ঞানীক ব্যাখ্যা জানতে চাই
3073 views

1 Answers

আপনার ধারনা ভুল ।

কারণ বিজ্ঞানিরা নিজেই স্বীকার করেছে যে তারা এই মহাবিশ্বের মাত্র ৫% জানতে পেরেছে । আমার তো মনে হয় তাও পারেনি ।কেননা তারা নিশ্চিত ভাবে মহাকাশের শেষ সীমানা নির্ণয় করতে সমর্থ হয় নি । তাই বিজ্ঞানের আকাশের উপস্থিতিকে অস্বীকার করার মত কোন প্রমাণ নেই ।

যদি বিজ্ঞান এই ধারণা করে থাকে তবে তা হবে অতীতের সেই বিজ্ঞানীদের ধারণার মত যারা মনে করতো পৃথিবী চ্যাপ্টা ।

আল-কুরআন বিজ্ঞানের বিপরীত নয় ,বরং আল-কুরআন বিজ্ঞানময় । বিজ্ঞানের অনেক কথাই ,যা বিজ্ঞান কিছুদিন আগে প্রমাণ করেছে ,আল-কুরআন তা ১৪০০ বছর আগে বলে গিয়েছে । কারণ এই জগতের কোন বিষয়ই নেই যা আল-কুরআন-এ

বর্ণিত হয়নি ।

আর বিজ্ঞান প্রমাণ ছাড়া কোন কিছু বিশ্বাস করে না । কিন্তু বিজ্ঞানীরা এর অস্তিত্ত কখনই খুঁজে পাবে না । কারণ আল্লাহ্‌ তায়ালা বলেই দিয়েছেন যে মানুষের পক্ষে তা অসম্ভব । 

আপনি যে আকাশ নিয়ে কথা বলছেন তার শেষ বিজ্ঞানীরা  খুঁজেই পাই নি ।

আর বাকি রইল মানুষের গায়ের উপর আকাশ ফেলে দেয়া । এর উত্তর খুবই সহজ ,কারণ আল্লাহ্‌র  কাছে কিছুই অসম্ভব না । কিয়ামতের দিন নিজেই তা দেখে নিয়েন ।

আরও জানতে কোন বিজ্ঞ আলেম , কারী , ফকিহদের সাথে সাক্ষাত করুন ।

3073 views

Related Questions