3 Answers
নিচের এই ছবিটি ইসলামীক ফাউন্ডেশন এর স্থায়ী নামাযের সময়সূচী ক্যালেন্ডার থেকে নেয়া। লাল দাগ দেয়া কুড়িগ্রাম ও বগুড়া জেলা ঢাকার সময়ের সাথে যথাক্রমে ৬ ও ৭ মিনিট যোগ করতে বলা হয়েছে। (ইসলামীক ফাউন্ডেশনের এই ক্যালেন্ডারের পাদটীকায় বলা আছে এই যোগ বা বিয়োগ করা সঠিক সময় নির্ধারণে যথেষ্ট নয়।)
ইসলামীক ফাউন্ডেশনের সময়সূচীটির পিডিএফ লিংক
পাদটীকাটি হুবহু তুলে ধরা হলো। ক) অন্যান্য জেলার ক্ষেত্রে ঢাকার সময়ের সাথে যোগ বিয়োগের মাধ্যমে সেহরী, সুর্যোদয়, মধ্যাহ্ন, আছর ও মাগরিবের সময় নির্ধারণ করা গেলেও কিছু কিছু ক্ষেত্রে যোগ বিয়োগের পরিমাণ কিছুটা কম-বেশী হতে পারে। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গের আছরের সময় ঢাকার সময় থেকে যোগের পরিবর্তে বিয়োগ করতে হতে পারে। (বিস্তারিত জানার জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক প্রকাশিত বিভাগওয়ারী “নামাযের স্থায়ী সময়সূচী” পুস্তকটি দেখা যেতে পারে)। খ) মধ্যাহ্ন বলিতে সূর্য ঠিক মধ্য আকাশে বুঝাইবে। এই অবস্থার স্থায়িত্ব ৩(তিন) মিনিটের বেশী নয়। তবে সতর্কতা হিসেবে যোহরের জন্য লিখিত সময়ের ৬ মিনিট আগে থেকে নামায পড়বেন না। গ) এই সময়সূচীতে ফজর, যোহর ও মাগরিবের নামাযের প্রকৃত সময়ের সাথে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ৩ (তিন) মিনিট যোগ করা হয়েছে। এই কারণে সাহরীর শেষ সময় প্রকৃত সময়ের কমপক্ষে তিন মিনিট পূর্বে এবং ফজর নামাযের সময় সুবহে সাদিকের তিন মিনিট পর নির্ধারণ করা হয়েছে। ঘ) ইসলামী শরীয়তে তিন সময়ে নামায পড়া নিষিদ্ধ ঘোষিত হয়েছে। প্রথমতঃ সূর্যোদয়ের জন্য উপরোল্লিখিত সময় থেকে ২৪ মিনিট পর্যন্ত, দ্বিতীয়তঃ যোহরের জন্য উপরোল্লিখিত সময়ের ৬ মিনিট আগ থেকে ৬ মিনিট ব্যাপী, তৃতীয়তঃ সূর্যাস্তের পূর্বে ২৪ মিনিট । (তবে কোন কারণে ঐদিনের আছরের নামায সময়মত আদায় করা না গেলে উক্ত সময়ের মধ্যে হলেও পড়তে হবে)।
তাই ইসলামীক ফাউন্ডেশনের এই যোগ বিয়োগ ছেড়ে আপনাকে একটি মোবাইল এ্যাপ এর স্ক্রিন শট দিচ্ছি। এই সময়ের তারতম্য একেক সময় একেক রকম হয়। তা সুনির্দিষ্ট নয়।
এখানে একেক নামাযের সময়সূচী একেক রকম। যা ইসলামীক ফাউন্ডেশনের পাদটীকায় বলা ছিল। উল্লেখ্য কুড়িগ্রাম জেলাটি খুঁজে পাইটি এ্যাপে। হয়তো বানান মিলাতে পারছিনা। তাই রংপুর লিখেই কুড়িগ্রাম চালিয়ে নিছি
আপনি চাইলে এই এ্যাপটি ব্যবহার করতে পারেন। লিংক
ধন্যবাদ
নামাজ-রোযার ক্যালেন্ডারে (ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রদত্ত) বগুড়া কুড়িগ্রামের সময়ের পার্থক্য ১ মিনিট। তাছাড়া স্বাবাভিক বিবেচনায় যা বোঝা যায় পার্থক্য ১ মিনিটের কম হতে পারে বেশী নয়।
কোনও জায়গার সময় নির্ধারণ করা হয় দ্রাঘিমারেখা (Longitude) অনুযায়ী । 1 ডিগ্রি দ্রাঘিমার পার্থক্যে 4 মিনিট সময়ের ব্যবধান হয় । বাংলাপিডিয়ার তথ্য মতে ঢাকা জেলার গড় দ্রাঘিমা 90.25 ডিগ্রি (প্রায়) ।কুড়িগ্রাম জেলার গড় দ্রাঘিমা 89.40 ডিগ্রি (প্রায়) । বগুড়া জেলার গড় দ্রাঘিমা 89 ডিগ্রি (প্রায়) । দ্রাঘিমা অনুযায়ী ঢাকা থেকে কুড়িগ্রামের সময়ের পার্থক্য 90.25-89.40=0.85 ডিগ্রি দ্রাঘিমা= 3 মিনিট 24 সেকেন্ড বা সাড়ে তিন মিনিট (প্রায়)। আবার দ্রাঘিমা অনুযায়ী ঢাকা থেকে বগুড়ার সময়ের পার্থক্য 90.25-89=1.25 ডিগ্রি দ্রাঘিমা= 5 মিনিট । অতএব, বগুড়া থেকে কুড়িগ্রামের সময়ের পার্থক্য (5-3.5) মিনিট= 1.5 মিনিট বা দেড় মিনিট (রাজধানী বিবেচনায় ঢাকার বিষয়টি আনা হল)
সহজভাবে, কুড়িগ্রাম থেকে বগুড়ার সময়ের পার্থক্য=89.40-89=0.40 ডিগ্রি= 1 মিনিট 36 সেকেন্ড বা দেড় মিনিট ।
Related Questions
Next steps
- Find a doctor for in-person or online consultation
- Browse medical tests patients often ask about
- Check medicine information (uses, dosage, brands in Bangladesh)
- More health Q&A on Bissoy