2 Answers



 পালং শাক

এক কাপ রান্না করা পালংশাকে ৬ মিলিগ্রাম আয়রন থাকে, এছাড়াও এতে প্রোটিন, ফাইবার, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন এ ও ই থাকে। রান্না করা পালং শাক এর পুষ্টি উপাদান খুব সহজেই শরীর শোষণ করে নিতে পারে। বাচ্চাদের জন্য এটা খুবই ভালো।

 সিদ্ধ আলু

সিদ্ধ আলুতে ভিটামিন সি, বি ভিটামিন, প্রচুর পটাশিয়াম থাকার পাশাপাশি উচ্চমাত্রার আয়রন থাকে। খোসা সহ একটি সিদ্ধ আলুতে ৩ মিলিগ্রাম আয়রন থাকে।

এছাড়াও আরো অনেক আয়রন সমৃদ্ধ খাবার আছে, যেমন – কাজুবাদাম, কিশমিশ, টমাটো, মটরশুঁটি, শিমের বীচি ইত্যাদি।আয়রন সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার পরে চা বা কফি খাওয়া ঠিক নয়।শরীরে আয়রন যাতে ঠিকমত শুষিত হয় তার জন্য আয়রন জাতীয় খাবারের সাথে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার, যেমন- কমলা, স্ট্রবেরি, ব্রকলি ইত্যাদি খেতে হবে।
9266 views

একজন নারীর প্রতিদিন ১৫ মিলিগ্রাম আয়রন খাওয়া প্রয়োজন। আর পুরুষের জন্য এটি ১০ মিলিগ্রাম


গাঢ় সবুজ শাকসবজিঃ

গাঢ় সবুজ শাকসবজি আয়রনের ভালো উৎস। এক কাপ পালং শাকে ভালো মানের আয়রন পাওয়া যায়। এক কাপ রান্না করা পালংশাকে ৩ দশমিক ২ গ্রাম আয়রন থাকে।

এ ছাড়া মটরশুটির মধ্যেও আয়রন ভরপুর। আধা কাপ মটরশুটি প্রতিদিনের চাহিদার ১০ শতাংশ মেটায়।কচু শাকেও প্রচুর পরিমানে আইরন থাকে


ডিমঃ

আয়রনের উৎস ডিম। দিনে দুটি ডিম খাওয়া দৈনিক আয়রনের চাহিদার ৮ শতাংশ পূরণ করে।


কালো চকলেটঃ

১০০ গ্রাম কালো চকলেট দৈনিক চাহিদার ৩৫ শতাংশ মেটাতে পারে। এটি উচ্চ রক্তচাপ ও বাজে কোলেস্টেরল কমায়।


সয়াবিনঃ

সয়াবিনও আয়রনের অন্যতম উৎস। এর মধ্যে রয়েছে প্রোটিন, মিনারেল ও আঁশ। এক কাপ সয়াবিন দৈনিক চাহিদার অনেকটাই পূরণ করে।


মাছঃ

স্যামন, সার্ডিন, কুটেল মাছে আয়রন থাকে। এ ছাড়া স্যামনের মধ্যে রয়েছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড। এটি স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায় এবং রক্ত জমাট বাঁধা প্রতিরোধ করে।

9266 views

Related Questions