চুলের সমস্যা।কম বয়সেই অনেক চুল পরছে কেন.?
আমার বয়স ১৮ বছর।গত এক বছর ধরে চুলের সমসসায় ভুগছি।গোসল সময় বা চুলে একটু হাত দিতেই ২-৩ তা চুল প্রতিবার এ উঠে।এক বছর আগে পেয়াজ এর রস দিসিলাম।মেহেদি বাটা দিসি।সরিষার খৈল বেটে মাথায় দিসি কয়দিন।তাও চুল পরা তেমন কমে নি।আর অই ভাবেই দিন গেসে।।সেম্পু অনেক কম করতাম।৭ দিনে ১ বার ২ বার।আর প্রায় তিন মাস আগে হেয়ার লাইফ বলে এক তেল বাজারে পেয়েছিলাম দেউয়ার পর আগের থেকে ভালো হয়েছিল কিন্তু চুল তাও পরত।কিন্তু গত এক মাস আগে মাথা চুল্কানিতে ধরার ফলে আমি মাথায় লেবুর রস দিসিলাম একবার ই।তারপর থেকে চুল পরা আরো বেরে গেছিলো।পরে ডাক্তার এর কাছে থেকে ভিটামিন ই এর টেবলেট খেলাম এক মাস।একটু পরিবরতন হয়েছে চুলের গোরার।কিন্তু চুল পরতে পরতে এখন ঘন চুল পাতলা হয়ে গেছে।কি করব আপ্নারা বলুন?বলে রাখি আমার চুল অনেক ঘন ছিলো।
3 Answers
চুল পরা কোন বয়সগত সমস্যা নয় । চুল যখন তখন যে কোন বয়সে পরতে পারে । আপনি যদি বিশ্বাসী হয়ে থাকেন তাহলে একটি প্রাকৃতিক উপায় বলতে পারি । আর সেটা হলো জবা ফুল । ৬ থেকে ১০ টি জবা ফুল আপনি ভালো করে পিষে নেবেন । আর এরপর সেই রসগুলো আপনার মাথায় তেল যেভাবে লাগান সেভাবে সবগুলো রস লাগিয়ে নিন । মাত্র ১ সপ্তাহে আপনার চুল পরা বন্ধ হবে ইনশাআল্লাহ ।
উত্তরটি আগেও একবার দিয়েসি
৫০ থেকে ১০০টি চুল পড়া স্বাভাবিক। তবে এর বেশি হলেই তা চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আবার চুল পড়া নিয়ে বেশি চিন্তা করলেও চুল পড়ে বেশি। এই চুল পড়া সমস্যা থেকে বাঁচার জন্য প্রথমেই জানতে হবে কী কারণে চুল পড়ছে। কারণটা খুঁজে বের করে, তারপর সেই সমস্যার সমাধান করতে হবে। তখন আপনা-আপনিই চুল পড়া বন্ধ হয়ে যাবে। তবে শুধু তা-ই নয়, চুল পড়া বন্ধ করতে ও চুলের গোড়া মজবুত রাখতে নিয়মিত বেশ কিছু যত্ন নেওয়াও প্রয়োজন।
ভিটামিন সি
পেয়ারা, লেবু, কমলা, আনারস, কামরাঙা, কাঁচা মরিচে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে। আপনার চুলের বৃদ্ধি এবং গজানোর জন্য সহায়ক।
কালোজিরা
কালোজিরা নতুন চুল গজানোর জন্যে সহায়ক। মাথায় কালোজিরার তেল ব্যবহার করা আর খাবারে কালোজিরা ব্যবহার খুব ভালো ফল দেয়।
সাধারণ যত্ন
১. নিয়মিত চুল পরিষ্কার রাখা এবং আঁচড়ানো। কিন্তু অতিরিক্ত আঁচড়ানো চুল পড়া বাড়িয়ে দেয়।
২. পেঁয়াজ এর রস চুলের গোড়ায় ভালো করে লাগিয়ে ১০ মিনিট রাখুন | নিয়মিত ব্যবহার করলে নতুন চুল গজাবে।
৩. মেহেদি পাতা কিছু দিন ঘন ঘন ব্যবহার করুন। পাতা বেটে লাগিয়ে শ্যাম্পু করে ফেলুন।
৪. শুকনা আমলকি পানিতে ভিজিয়ে লাগাতে পারেন।
৫. খাঁটি কালো জিরা তেল বা নির্যাস বেশি বেশি ব্যবহার করতে পারেন।