অতিরিক্ত টেনশনে বির্যপাত?
ভাই অামার এক বন্দুর একটি রোগ হয়েছে। সে রোগটির লক্ষণ এরূপ যা বিশ্লেষন করা অসম্ভব। তার পরেও অামি একটু বলতেছি। ও কোন প্রকার হট জিনিস দেখলে অথবা চটি শুনলে বা পরলে বির্য বের হয়ে যায় এবং কি তা ১ মিনিট এর ভিতরে। লিংগ সক্ত হয় না উত্তেজিত হয় না কিন্তু বির্য বের হয়ে যায়। শরীরটা শিওরে বির্য বের হয়ে আসে।দির্ঘদিন জাবৎ সে এ সমস্যায় ভুগতেছে। এবং কি পরীক্ষার হলে তারাহুরা করতে গিয়েও তার বির্যপাত হয়ে যায়। তখন তার ব্রেনে অনেক আগাত চলে আসে। তার বয়স ২৩-২৪ বছর। তবে বলে রাখা ভাল তার একটি বাজে অব্ভাস ছিল হস্তমৈথন করা।এখন অার করে না কারন এমনিতেই তার বির্যপাত হয়ে যায়। দয়া কর এ রোগটির সমাধান দিন। ও লজ্জায় কারো কাছে কিছু বলেত পরতেছে না। আমার আজ আপনাদের এই পেজে আসার এটাই মূল উদ্দেশ্য ভাই সমাধান চাই।
3 Answers
আপনি তাকে হট ভিডিও,হস্তমৈথুন এবং চটি গল্প এসব থেকে
বিরত থাকতে বলুন। নিয়মিত ডিম,দুধ ছাড়াও অনান্য
পুষ্টিকর খাবার গ্রহন করতে বলুন। যেহেতু তাহার বয়স
২৩/২৪ চলছে, সে আর্থিকভাবে সামর্থবান হলে তাকে
দ্রুত বিয়ে করতে বলুন। বিয়ের পরে এই সমস্যা আর
থাকবে না। তাকে সর্বদা ভালো কিছু চিন্তা করতে বলুন। আসলে
সেক্স জিনিসটা বোধহয় তাহার মনের গভীরে গেঁথে গেছে
তাই আজ তার এমন পরিনতি। একমাত্র আল্লাহর ভয়ই
তার মন পরিস্কার করে দিতে পারে। তাই তাকে সর্বদা
আল্লাহর ইবাদতে মশগুল থাকতে বলুন। এবং একজন
ভালো যৌন রোগের ডাক্তার দেখাতে বলুন।
তাকে ভাল একজন হোমিও ডাক্তারের নিকট আজই যেতে বলুন।কারণ এসকল বিষয়ে হোমিও প্যাথিক সবচেয়ে ভাল। হারবাল,এলাপ্যাথিক ইত্যাদিতে কোন কাজ হয় না।এর জন্য তাকে খুব বেশিদিন ঔষধ সেবন করতে হবে না।এ সমস্যাটি মূল থেকে নিমূল হয়ে যাবে ইনসাআল্লাহ্।যদি পেশাব টেস্ট দেয় ডাক্তার তবে তা করুন এবং রিপর্ট তাকে জানাবেন।সেখানে টেস্টের কোন ব্যবস্থা না থাকলে অন্য কোন ভাল মেডিকেল থেকে টেস্ট করিতে বলবেন।ধন্যবাদ..
হস্তমৈথুনের রয়েছে বেশ জটিল কুফল। যেগুলির আপনিও একজন ভুক্তভুগি। প্রপার ট্রিটমেন্ট ছাড়া এর থেকে মুক্তির আর কোনো উপায় নেই। এলোপ্যাথিতে এর কোনো কার্যকর ট্রিটমেন্ট নেই। এলোপ্যাথি ডাক্তাররাও যৌন সমস্যায় হোমিওপ্যাথিক ট্রিটমেন্ট নেয়। অন্যদিকে হারবাল নামের কিছু প্রতিষ্ঠান প্রাকৃতিক নামের দোহাই দিয়ে মাদকশ্রেণীর উত্তেজক মেডিসিন দিয়ে দিয়ে যৌন জীবন বিপর্যস্থ করে তুলছে কোমলমতি তরুণদের। এদের থেকেও সাবধান থাকা জরুরি কারণ পরে সমস্যা নির্মূল করা অনেক দূরহ বিষয় হয়ে দাঁড়ায়।
রেজিস্টার্ড একজন হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে কিছুদিন প্রপার ট্রিটমেন্ট নিলেই আপনি ঠিক হয়ে উঠবেন। সুতরাং বিষয়টি নিয়ে চিন্তা না করাই ভালো।